
কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লার পদুয়াবাজারে ১২ জন নিহতের ঘটনায় রেলওয়ে ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পৃথক তিনটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
রোববার (২২ মার্চ) সকালে জেলা প্রশাসন ৫ সদস্যের এবং রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ বিভাগীয় ও জোনাল পর্যায়ে আরও দুটি কমিটি গঠন করে। আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে এই তিন কমিটিকে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া নিহতদের পরিবারপ্রতি ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে জেলা প্রশাসন।
তিন তদন্ত কমিটি গঠন
ঘটনার সঠিক কারণ অনুসন্ধানে গঠিত ৩টি কমিটির মধ্যে জেলা প্রশাসনের ৫ সদস্যের কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাফর সাদিক চৌধুরীকে। এই কমিটিতে বিআরটিএ, হাইওয়ে পুলিশ, রেলওয়ে এবং ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তাদের সদস্য করা হয়েছে। অন্যদিকে, রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ৬ জন করে সদস্য নিয়ে বিভাগীয় ও জোনাল পর্যায়ে আরও দুটি আলাদা কমিটি গঠন করেছে। বিভাগীয় কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন আনিসুর রহমান এবং জোনাল কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে মোহাম্মদ সফিকুর রহমানকে।
কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় নিহতদের প্রত্যেকের পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা করে নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এর আগে দায়িত্ব অবহেলার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ায় পদুয়াবাজার রেলক্রসিংয়ের দুই গেটম্যানকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
শনিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী মেইল ট্রেনটি ‘মামুন পরিবহন’ নামের একটি যাত্রীবাহী বাসকে ধাক্কা দিয়ে প্রায় আধা কিলোমিটার টেনে নিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই নারী ও শিশুসহ ১২ জন প্রাণ হারান। দুর্ঘটনার পর প্রায় ৫ ঘণ্টা চট্টগ্রামের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল। পরে সেনাবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সকাল ৮টার দিকে রেল চলাচল স্বাভাবিক হয়। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নিহতদের পূর্ণাঙ্গ পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে।

কুমিল্লার পদুয়াবাজারে ১২ জন নিহতের ঘটনায় রেলওয়ে ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পৃথক তিনটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
রোববার (২২ মার্চ) সকালে জেলা প্রশাসন ৫ সদস্যের এবং রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ বিভাগীয় ও জোনাল পর্যায়ে আরও দুটি কমিটি গঠন করে। আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে এই তিন কমিটিকে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া নিহতদের পরিবারপ্রতি ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে জেলা প্রশাসন।
তিন তদন্ত কমিটি গঠন
ঘটনার সঠিক কারণ অনুসন্ধানে গঠিত ৩টি কমিটির মধ্যে জেলা প্রশাসনের ৫ সদস্যের কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাফর সাদিক চৌধুরীকে। এই কমিটিতে বিআরটিএ, হাইওয়ে পুলিশ, রেলওয়ে এবং ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তাদের সদস্য করা হয়েছে। অন্যদিকে, রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ৬ জন করে সদস্য নিয়ে বিভাগীয় ও জোনাল পর্যায়ে আরও দুটি আলাদা কমিটি গঠন করেছে। বিভাগীয় কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন আনিসুর রহমান এবং জোনাল কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে মোহাম্মদ সফিকুর রহমানকে।
কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় নিহতদের প্রত্যেকের পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা করে নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এর আগে দায়িত্ব অবহেলার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ায় পদুয়াবাজার রেলক্রসিংয়ের দুই গেটম্যানকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
শনিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী মেইল ট্রেনটি ‘মামুন পরিবহন’ নামের একটি যাত্রীবাহী বাসকে ধাক্কা দিয়ে প্রায় আধা কিলোমিটার টেনে নিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই নারী ও শিশুসহ ১২ জন প্রাণ হারান। দুর্ঘটনার পর প্রায় ৫ ঘণ্টা চট্টগ্রামের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল। পরে সেনাবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সকাল ৮টার দিকে রেল চলাচল স্বাভাবিক হয়। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নিহতদের পূর্ণাঙ্গ পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে।

ঈদের রাতে বাস-লেগুনা মুখোমুখি, প্রাণ গেল ৩ জনের
১২ ঘণ্টা আগে
ঢাকা শহরের টিকাটুলির হাটখোলা মোড় কিংবা বুড়িগঙ্গার ওপারে কেরানীগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে দেখা মিলল এই অস্থায়ী হাটের। ভ্যানের ওপর লাল প্লাস্টিক বিছিয়ে স্তূপ করে রাখা হয়েছে মাংস। তবে এই মাংস কোনো কসাইয়ের দোকান থেকে আসেনি, এসেছে শত শত মানুষের দুয়ার ঘুরে সংগ্রহ করা কোরবানির দান থেকে।
১ দিন আগে
নিহতদের পরিবার জানায়, স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে গতকাল বিকেলে ঈদের কেনাকাটার জন্য কারারচর থেকে নরসিংদী শহরে এসেছিলেন সুজন মিয়া। কেনাকাটা শেষে রাত সাড়ে ৮টার দিকে নরসিংদী রেলস্টেশনে আসেন তারা। রেললাইন পার হয়ে হাজেরা টাওয়ারের সামনে থেকে বাড়ির উদ্দেশে অটোরিকশায় উঠার কথা ছিল তাদের। স্টেশনে এসে দেখেন, ঢাকাগা
১ দিন আগে
কেবল রুবেল বা তোফাজ্জল নয়, মিঠামইনের এই হাওরের সব কৃষকের ঘরে ঘরে এখন হাহাকার। কৃষকদের দাবি, ৬০ হাজার কৃষকের কষ্টের ফসল বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে। অথচ এই ধান দিয়েই তাদের সারা বছরের খোড়াক চলে তথা খাবারের ব্যবস্থা হয়। কিছু ধান বিক্রি করে অন্যান্য খরচের সংস্থান হয় তাদের। ধান তলিয়ে যাওয়ায় এবার অন্য খরচ
১ দিন আগে