
নড়াইল প্রতিনিধি

নড়াইলে একটি মসজিদের বারান্দায় মক্তবে আরবি পড়তে আসা শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে এক মসজিদের ইমামকে পিটিয়ে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয়রা। পরে ভুক্তভোগী শিশুর বাবার করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শনিবার (৯ মে) নড়াইল সদর থানার ওসি অজয় কুমার কুন্ডু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তার আমিনুল ইসলাম ওরফে জামিল (৫৭) সদর উপজেলার রুখালী গ্রামের মৃত আবুল কাসেমের ছেলে। তিনি চাকই পশ্চিম পাড়া বায়তুস সালাম জামে মসজিদের ইমাম।
মামলার বিবরণ ও স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, আমিনুল ইসলাম রাতে মসজিদেই থাকতেন তিনি। প্রতিদিন ভোরে ফজরের নামাজের পরে এলাকার ছেলে-মেয়েদের মসজিদের বারান্দায় মক্তবে আরবি পড়াতেন তিনি। তাদের মধ্যে বাদির মেয়ে ও স্থানীয় আরও দুই মেয়েশিশু ছিল।
গত ৫ মে বাদির শিশুকন্যাকে চকলেট খাওয়ানোর কথা বলে ঘরে ডেকে নেন তিনি। এ সময় শিশুটির শরীরের বিভিন্ন স্থানে হাত দিয়ে যৌন হয়রানি করেন তিনি। পরে শিশুটি বাড়ি ফিরে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানায়। পরিবারের সদস্যরা অন্য শিশুদের কাছে জানতে চাইলে তাদের সঙ্গেও এমন করা হয়েছে বলে জানায় শিশুরা।
এ ঘটনায় স্থানীয়রা একত্র হয়ে বিষয়টি আমিনুল ইসলামের কাছে জানতে গেলে তিনি দৌঁড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। তখন স্থানীয়রা তাকে ধরে পিটুনি দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে থানায় নিয়ে আসে। পরে ভুক্তভোগী শিশুর বাবা বাদি হয়ে নড়াইল সদর থানায় মামলা করেন।
ওসি অজয় কুমার কুন্ডু বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞেসাবাদে তিনি পড়ানো শেষে শিশুদের তিনি যৌন হয়রানি করেন বলে স্বীকার করেছেন। তাকে আজ আদালতে পাঠানো হবে।

নড়াইলে একটি মসজিদের বারান্দায় মক্তবে আরবি পড়তে আসা শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে এক মসজিদের ইমামকে পিটিয়ে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয়রা। পরে ভুক্তভোগী শিশুর বাবার করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শনিবার (৯ মে) নড়াইল সদর থানার ওসি অজয় কুমার কুন্ডু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তার আমিনুল ইসলাম ওরফে জামিল (৫৭) সদর উপজেলার রুখালী গ্রামের মৃত আবুল কাসেমের ছেলে। তিনি চাকই পশ্চিম পাড়া বায়তুস সালাম জামে মসজিদের ইমাম।
মামলার বিবরণ ও স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, আমিনুল ইসলাম রাতে মসজিদেই থাকতেন তিনি। প্রতিদিন ভোরে ফজরের নামাজের পরে এলাকার ছেলে-মেয়েদের মসজিদের বারান্দায় মক্তবে আরবি পড়াতেন তিনি। তাদের মধ্যে বাদির মেয়ে ও স্থানীয় আরও দুই মেয়েশিশু ছিল।
গত ৫ মে বাদির শিশুকন্যাকে চকলেট খাওয়ানোর কথা বলে ঘরে ডেকে নেন তিনি। এ সময় শিশুটির শরীরের বিভিন্ন স্থানে হাত দিয়ে যৌন হয়রানি করেন তিনি। পরে শিশুটি বাড়ি ফিরে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানায়। পরিবারের সদস্যরা অন্য শিশুদের কাছে জানতে চাইলে তাদের সঙ্গেও এমন করা হয়েছে বলে জানায় শিশুরা।
এ ঘটনায় স্থানীয়রা একত্র হয়ে বিষয়টি আমিনুল ইসলামের কাছে জানতে গেলে তিনি দৌঁড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। তখন স্থানীয়রা তাকে ধরে পিটুনি দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে থানায় নিয়ে আসে। পরে ভুক্তভোগী শিশুর বাবা বাদি হয়ে নড়াইল সদর থানায় মামলা করেন।
ওসি অজয় কুমার কুন্ডু বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞেসাবাদে তিনি পড়ানো শেষে শিশুদের তিনি যৌন হয়রানি করেন বলে স্বীকার করেছেন। তাকে আজ আদালতে পাঠানো হবে।

নিহত মোরছালিন গোপীনাথপুর ইউনিয়নের ধজনগরের বাতেনবাড়ি গ্রামের হেবজু মিয়ার ছেলে। তিনি গোপীনাথপুর শাহ আলম ডিগ্রি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
৭ ঘণ্টা আগে
স্থানীয়রা জানান, বন্যার পানি নামতে শুরু করায় লাউড়া মাইজখোলা এলাকায় নাব্যতা সংকট দেখা দিয়েছে। এর ফলে গজিয়া খালে পানি প্রবাহের চাপ ও স্রোত অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় এই তীব্র ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
কাপাসিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীনুর আলম জানান, প্রাথমিকভাবে প্রতিবেশীদের কাছ থেকে জানা গেছে—পারিবারিক কলহের জেরে শুক্রবার (৮ মে) গভীর রাতের কোনো এক সময় এই পাঁচজনকে নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর অভিযুক্ত স্বামী ফুরকান পালিয়ে যান।
৯ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার হাওরে জমি থেকে আসার সময় রাস্তায় দেখা হয় তার সঙ্গে। কথা বলতে বলতে বাড়ি চলে আসে । নিরঞ্জন বলেন, আমি কুমারদিঘা হাওরে ১ একর ২৫ শতাংশ জমি বন্ধক রেখেছিলাম। সেই জমি এ বছর চাষ করেছি। এক ধারে জমি পাকছে অন্য ধারে বৃষ্টি নামা শুরু হয়েছে। বৃষ্টির পানিতে আমার জমি অহন ১ হাত পানির তলে। রোইদ উঠলে কি
১ দিন আগে