
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে এবং জ্বালানির দাম বাড়তেই থাকলে বৈশ্বিক অর্থনীতি মন্দার ঝুঁকিতে পড়বে বলে সতর্ক করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। এ ক্ষেত্রে ২০২৬ সালে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি কমে ২ শতাংশের নিচে নেমে আসতে পারে।
‘দ্য ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক আউটলুক’ শীর্ষক প্রতিবেদনে আইএমএফ এমন আশঙ্কার কথা তুলে ধরেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেল, গ্যাস, খাবারের দাম বাড়তে থাকবে এবং চলতি বছর ও আগামী বছর ধরে তা অপরিবর্তিত থাকলে সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতিতে এমনটি ঘটতে পারে।
আএমএফ বলছে, এর অর্থ— বিশ্ব অর্থনীতিতে মন্দার খুব কাছাকাছি পরিস্থিতিতে চলে যাবে। এটি খুব নিয়মিত ঘটনা নয়। ১৯৮০ সালের পর গত সাড়ে চার দশকে এমন ঘটনা ঘটেছে মাত্র চারবার। এর মধ্যে চলতি শতকের শুরুর দিকের অর্থনৈতিক মহামন্দা রয়েছে। আর সবশেষ উদাহরণ কোভিড-১৯ মহামারী, যেটি ভুগিয়েছে একযোগে সারা বিশ্বকে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে ইরান যুদ্ধ শুরু হয়। এর পরপরই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দেয় ইরান। এর প্রভাবে বিশ্বব্যাপী জ্বালানির তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে, দাম বেড়েছে বিভিন্ন দেশে।
৪০ দিন যুদ্ধ চলার পর ৮ এপ্রিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দুই সপ্তাহের জন্য যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেন। এ পর্যায়ে পাকিস্তান মধ্যস্থতা করেছে। তাদেরই আয়োজনে শনিবার ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় বসে। সে আলোচনা অবশ্য কোনো ধরনের সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়েছে। হরমুজ প্রণালি ঘিরেও সংকট না কাটায় জ্বালানির দামে এর প্রভাব পড়ে চলেছে।
আইএমএফ বলছে, বিশ্ব অর্থনীতি আবারও লক্ষ্যচ্যুত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। এবার গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার কারণে এই ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
আইএমএফের প্রধান অর্থনীতিবিদ পিয়েরে-অলিভিয়ের গোরিনচা বলেন, বৈশ্বিক পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে বিশ্ব মন্দার ধারণা কিছুটা অস্পষ্ট হয়ে পড়ে। সুতরাং ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি এমন এক পরিস্থিতি, যা বিশ্বের বেশির ভাগ মানুষের কাছে মন্দার সময়ের মতো মনে হবে। বেকারত্ব বাড়বে। কিছু দেশের জন্য, খাবারের দাম এবং খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা বাড়তে পারে।
আইএমএফ আরও বলেছে, তেলের দাম চলতি বছর গড়ে ব্যারেলপ্রতি ১১০ ডলার থেকে ২০২৭ সালে ১২৫ ডলারে পৌঁছলে তা বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ করে দিতে পারে। তাতে আগামী বছর মূল্যস্ফীতি প্রায় ৬ শতাংশে পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। এতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো সুদের হার বাড়াতে বাধ্য হতে পারে।
ইরান যুদ্ধ শুরু তথা হরমুজ প্রণালি বন্ধের শুরু থেকেই বৈশ্বিক তেলের বাজার অস্থির। যুদ্ধ শুরুর আগে অপরিশোধিত তেলের (ব্রেন্ট ক্রুড) প্রতি ব্যারেলের দাম ছিল ৬৫ ডলারের আশপাশে। যুদ্ধ চলাকালে তা উঠতে উঠতে ১২০ ডলার পর্যন্ত স্পর্শ করে ফেলে। পরে তা নেমে ৯০ ডলার থেকে ১১০ ডলারের মধ্যে অবস্থান করছে।
শনিবার ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা ফলহীনভাবে শেষ হলে ডলারের দাম ফের ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যায়। পরে অবশ্য তা আবার ১০০ ডলারের নিচে নেমে এসেছে। মঙ্গলবার প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম ছিল ৯৮ দশমিক ৮৫ ডলার।
আইএমএফ বলছে, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সংঘাতের সমাধান হলে এবং এ বছরের মাঝামাঝি সময়ে মধ্যপ্রাচ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদন ও রপ্তানি স্বাভাবিক হতে শুরু করলে ২০২৬ সালের জন্য বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ১ শতাংশে দাঁড়াবে। তবে এটিও আগের ৩ দশমিক ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাসের চেয়ে কম হবে, যদিও তারা আগামী বছরের জন্য বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ৩ দশমিক ২ শতাংশে অপরিবর্তিত রেখেছে।
বিশ্বের উন্নত অর্থনীতির দেশগুলোর বিষয়ে আইএমএফ পূর্বাভাস দিয়ে বলেছে, ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সংকটে যুক্তরাজ্য সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। দেশটির জন্য চলতি বছরে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ১ দশমিক ৩ শতাংশ থেকে কমিয়ে ০ দশমিক ৮ শতাংশ করেছে আইএমএফ। তবে অর্থনৈতিক সম্প্রসারণের মাধ্যমে যুক্তরাজ্য আবার ঘুরে দাঁড়াবে বলেও আশা করছে সংস্থাটি।
আইএমএফ আরও পূর্বাভাস দিয়েছে, উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোতে এবছর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে তীব্র মন্দা বা সংকোচন দেখা যেতে পারে। আইএমএফ এর হিসাব, চলতি বছর ইরানের অর্থনীতি ৬ দশমিক ১ শতাংশ সংকুচিত হবে। তবে যদি আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে যুদ্ধ শেষ হয়, তাহলে ২০২৭ সালে ৩ দশমিক ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হতে পারে।
মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ইরানের হামলায় অনেক শোধনাগার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেগুলো পুরোপুরি চালু হতে কিছু সময় লাগবে। এ অবস্থায় আইএমএফ পূর্বাভাস দিয়েছে, এ বছর কাতারের অর্থনীতি ৮ দশমিক ৬ শতাংশ সংকুচিত হবে। পরের বছর তা ৮ দশমিক ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নিয়ে ঘুরে দাঁড়াবে।
যুদ্ধের কারণে এ বছর ইরানের প্রতিবেশী দেশ ইরাকের অর্থনীতি ৬ দশমিক ৮ শতাংশ কমবে। তবে ২০২৭ সালে তা ১১ দশমিক ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নিয়ে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার হবে বলেও আইএমএফ আশা প্রকাশ করেছে।

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে এবং জ্বালানির দাম বাড়তেই থাকলে বৈশ্বিক অর্থনীতি মন্দার ঝুঁকিতে পড়বে বলে সতর্ক করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। এ ক্ষেত্রে ২০২৬ সালে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি কমে ২ শতাংশের নিচে নেমে আসতে পারে।
‘দ্য ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক আউটলুক’ শীর্ষক প্রতিবেদনে আইএমএফ এমন আশঙ্কার কথা তুলে ধরেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেল, গ্যাস, খাবারের দাম বাড়তে থাকবে এবং চলতি বছর ও আগামী বছর ধরে তা অপরিবর্তিত থাকলে সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতিতে এমনটি ঘটতে পারে।
আএমএফ বলছে, এর অর্থ— বিশ্ব অর্থনীতিতে মন্দার খুব কাছাকাছি পরিস্থিতিতে চলে যাবে। এটি খুব নিয়মিত ঘটনা নয়। ১৯৮০ সালের পর গত সাড়ে চার দশকে এমন ঘটনা ঘটেছে মাত্র চারবার। এর মধ্যে চলতি শতকের শুরুর দিকের অর্থনৈতিক মহামন্দা রয়েছে। আর সবশেষ উদাহরণ কোভিড-১৯ মহামারী, যেটি ভুগিয়েছে একযোগে সারা বিশ্বকে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে ইরান যুদ্ধ শুরু হয়। এর পরপরই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দেয় ইরান। এর প্রভাবে বিশ্বব্যাপী জ্বালানির তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে, দাম বেড়েছে বিভিন্ন দেশে।
৪০ দিন যুদ্ধ চলার পর ৮ এপ্রিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দুই সপ্তাহের জন্য যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেন। এ পর্যায়ে পাকিস্তান মধ্যস্থতা করেছে। তাদেরই আয়োজনে শনিবার ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় বসে। সে আলোচনা অবশ্য কোনো ধরনের সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়েছে। হরমুজ প্রণালি ঘিরেও সংকট না কাটায় জ্বালানির দামে এর প্রভাব পড়ে চলেছে।
আইএমএফ বলছে, বিশ্ব অর্থনীতি আবারও লক্ষ্যচ্যুত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। এবার গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার কারণে এই ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
আইএমএফের প্রধান অর্থনীতিবিদ পিয়েরে-অলিভিয়ের গোরিনচা বলেন, বৈশ্বিক পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে বিশ্ব মন্দার ধারণা কিছুটা অস্পষ্ট হয়ে পড়ে। সুতরাং ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি এমন এক পরিস্থিতি, যা বিশ্বের বেশির ভাগ মানুষের কাছে মন্দার সময়ের মতো মনে হবে। বেকারত্ব বাড়বে। কিছু দেশের জন্য, খাবারের দাম এবং খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা বাড়তে পারে।
আইএমএফ আরও বলেছে, তেলের দাম চলতি বছর গড়ে ব্যারেলপ্রতি ১১০ ডলার থেকে ২০২৭ সালে ১২৫ ডলারে পৌঁছলে তা বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ করে দিতে পারে। তাতে আগামী বছর মূল্যস্ফীতি প্রায় ৬ শতাংশে পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। এতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো সুদের হার বাড়াতে বাধ্য হতে পারে।
ইরান যুদ্ধ শুরু তথা হরমুজ প্রণালি বন্ধের শুরু থেকেই বৈশ্বিক তেলের বাজার অস্থির। যুদ্ধ শুরুর আগে অপরিশোধিত তেলের (ব্রেন্ট ক্রুড) প্রতি ব্যারেলের দাম ছিল ৬৫ ডলারের আশপাশে। যুদ্ধ চলাকালে তা উঠতে উঠতে ১২০ ডলার পর্যন্ত স্পর্শ করে ফেলে। পরে তা নেমে ৯০ ডলার থেকে ১১০ ডলারের মধ্যে অবস্থান করছে।
শনিবার ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা ফলহীনভাবে শেষ হলে ডলারের দাম ফের ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যায়। পরে অবশ্য তা আবার ১০০ ডলারের নিচে নেমে এসেছে। মঙ্গলবার প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম ছিল ৯৮ দশমিক ৮৫ ডলার।
আইএমএফ বলছে, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সংঘাতের সমাধান হলে এবং এ বছরের মাঝামাঝি সময়ে মধ্যপ্রাচ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদন ও রপ্তানি স্বাভাবিক হতে শুরু করলে ২০২৬ সালের জন্য বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ১ শতাংশে দাঁড়াবে। তবে এটিও আগের ৩ দশমিক ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাসের চেয়ে কম হবে, যদিও তারা আগামী বছরের জন্য বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ৩ দশমিক ২ শতাংশে অপরিবর্তিত রেখেছে।
বিশ্বের উন্নত অর্থনীতির দেশগুলোর বিষয়ে আইএমএফ পূর্বাভাস দিয়ে বলেছে, ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সংকটে যুক্তরাজ্য সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। দেশটির জন্য চলতি বছরে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ১ দশমিক ৩ শতাংশ থেকে কমিয়ে ০ দশমিক ৮ শতাংশ করেছে আইএমএফ। তবে অর্থনৈতিক সম্প্রসারণের মাধ্যমে যুক্তরাজ্য আবার ঘুরে দাঁড়াবে বলেও আশা করছে সংস্থাটি।
আইএমএফ আরও পূর্বাভাস দিয়েছে, উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোতে এবছর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে তীব্র মন্দা বা সংকোচন দেখা যেতে পারে। আইএমএফ এর হিসাব, চলতি বছর ইরানের অর্থনীতি ৬ দশমিক ১ শতাংশ সংকুচিত হবে। তবে যদি আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে যুদ্ধ শেষ হয়, তাহলে ২০২৭ সালে ৩ দশমিক ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হতে পারে।
মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ইরানের হামলায় অনেক শোধনাগার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেগুলো পুরোপুরি চালু হতে কিছু সময় লাগবে। এ অবস্থায় আইএমএফ পূর্বাভাস দিয়েছে, এ বছর কাতারের অর্থনীতি ৮ দশমিক ৬ শতাংশ সংকুচিত হবে। পরের বছর তা ৮ দশমিক ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নিয়ে ঘুরে দাঁড়াবে।
যুদ্ধের কারণে এ বছর ইরানের প্রতিবেশী দেশ ইরাকের অর্থনীতি ৬ দশমিক ৮ শতাংশ কমবে। তবে ২০২৭ সালে তা ১১ দশমিক ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নিয়ে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার হবে বলেও আইএমএফ আশা প্রকাশ করেছে।

চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে এলপিজি বোঝাই ২টি জাহাজ পৌঁছেছে। একই সঙ্গে আরও অন্তত ৩টি গ্যাসবাহী জাহাজ আসার কথা রয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম।
৩ দিন আগে
পরিকল্পিত অর্থনৈতিক সংস্কার ও কার্যকর উদ্যোগের মাধ্যমে ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
৫ দিন আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
৬ দিন আগে
জানা গেছে, প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও বসন্ত অধিবেশনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অর্থমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর এবং উন্নয়ন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী, গভর্নরসহ সংশ্লিষ্টরা অংশ নেবেন। এতে বৈশ্বিক অর্থনীতির ঝুঁকি, প্রবৃদ্ধির ধারা এবং নীতিনির্ধারণী দিকনির্দেশনা নিয়ে আলোচনা হবে।
৭ দিন আগে