
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরান যুদ্ধ জুড়ে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও ঘনীভূত হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম। ইরানে নতুন করে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর কূটনৈতিক সমাধানের আশা অনেকটাই ম্লান হয়ে পড়েছে।
বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, পরিস্থিতি যেদিকেই গড়াক না কেন, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার এখন এমন এক অবস্থায় পৌঁছেছে যেখান থেকে সহজে স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরা কঠিন হতে পারে।
গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র ও মাইন পেতে ব্যবহৃত নৌ যানে হামলার খবর প্রকাশের পর আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম আবারও ১০০ ডলারের ওপরে উঠে যায়। এর আগে সোমবার ব্রেন্টের দাম ছিল প্রায় ৯৭ ডলার।
ইরান যুদ্ধ ও হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি পরিবহন কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে গত মাসের শেষ দিকে তেলের দাম ১২৬ ডলার পর্যন্ত পৌঁছেছিল। তবে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে অনেক ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারী এখনো সম্ভাব্য কূটনৈতিক সমাধানের আশায় ছিলেন। তাদের ধারণা ছিল, সমঝোতা হলে উপসাগরীয় দেশগুলো আবারও উৎপাদন ও রপ্তানি বাড়াতে পারবে।
কিন্তু বাজার পর্যবেক্ষকদের মতে, দীর্ঘদিনের সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় বিশ্ব জুড়ে তেল ও জ্বালানির মজুত দ্রুত কমে যাচ্ছে। একই সঙ্গে গ্রীষ্মকালীন ভ্রমণ মৌসুম সামনে থাকায় পরিবহন জ্বালানির চাহিদাও বাড়ছে।
জ্বালানি বিশ্লেষণা প্রতিষ্ঠান এইচএফআই রিসার্চ গত সপ্তাহে সতর্ক করে বলেছে, বাজার এখন ‘ফিরে যাওয়ার সীমা’ অতিক্রম করেছে এবং আগামী মাসের শুরুতেই বড় ধরনের ধাক্কা দেখা দিতে পারে।
ডাচ ব্যাংক রাবোব্যাংকের বৈশ্বিক কৌশলবিদ মাইকেল এভরি বলেন, ‘প্রতিবারই মনে হচ্ছে এবার হয়তো সমাধান হবে, এবার জ্বালানি প্রবাহ স্বাভাবিক হবে। কিন্তু বাস্তবে বারবারই সেই আশা ভেঙে যাচ্ছে।’
আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার প্রধান ফাতিহ বিরোল সতর্ক করে বলেছেন, জুলাই ও আগস্টে বিশ্ব এমন এক ‘রেড জোনে’ পৌঁছাতে পারে যেখানে উৎপাদনের তুলনায় তেলের ব্যবহার অনেক বেশি হয়ে যাবে। সে ক্ষেত্রে জরুরি পদক্ষেপ নিতে হতে পারে।
বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল কোম্পানি সৌদি আরামকো জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি আরও কয়েক সপ্তাহ বন্ধ থাকলে বাজারে ‘তেল সরবরাহ সংকট’ আগামী বছর পর্যন্ত গড়াতে পারে।
সংকটের আগে প্রতিদিন প্রায় দুই কোটি ব্যারেল তেল এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন হতো। বর্তমানে উপসাগরীয় অঞ্চলের উৎপাদন থেকে প্রতিদিন প্রায় এক কোটি ৪০ লাখ ব্যারেল সরবরাহ কমে গেছে। জরুরি মজুত থেকে তেল ছাড়ার মাধ্যমে এর একটি অংশ সামাল দেওয়া হলেও জুলাইয়ের পর সেই মজুতও শেষ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
মার্কিন বিনিয়োগ ব্যাংক জেপি মরগ্যান জানিয়েছে, বৈশ্বিক তেল মজুত এরই মধ্যে ‘সংকটজনকভাবে কম’ পর্যায়ে নেমে এসেছে। তাদের মতে, এমনকি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সমঝোতা হয়ে হরমুজ দিয়ে স্বাভাবিক পরিবহন চালু হলেও বাজারে সরবরাহের চাপ থেকেই যাবে।
এদিকে ইউরোপেও গ্যাসের মজুত নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। এইচএসবিসি ব্যাংক বলছে, বর্তমানে ইউরোপের গ্যাস সংরক্ষণাগার মাত্র ৩৭ শতাংশ পূর্ণ, যা পাঁচ বছরের গড়ের তুলনায় অনেক কম। ফলে গ্রীষ্মের শেষভাগে গ্যাসের দাম আরও অস্থির হয়ে উঠতে পারে।
উচ্চ জ্বালানি দামের প্রভাব সাধারণ ভোক্তাদের ওপরও পড়তে শুরু করেছে। যুক্তরাজ্যে পেট্রোলের দাম মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত শুরুর পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে গ্যাসের দাম বেড়ে যাওয়ায় দেশটিতে গড় পারিবারিক জ্বালানি ব্যয় বছরে আরও প্রায় ২০৯ পাউন্ড বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ইরান যুদ্ধ জুড়ে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও ঘনীভূত হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম। ইরানে নতুন করে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর কূটনৈতিক সমাধানের আশা অনেকটাই ম্লান হয়ে পড়েছে।
বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, পরিস্থিতি যেদিকেই গড়াক না কেন, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার এখন এমন এক অবস্থায় পৌঁছেছে যেখান থেকে সহজে স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরা কঠিন হতে পারে।
গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র ও মাইন পেতে ব্যবহৃত নৌ যানে হামলার খবর প্রকাশের পর আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম আবারও ১০০ ডলারের ওপরে উঠে যায়। এর আগে সোমবার ব্রেন্টের দাম ছিল প্রায় ৯৭ ডলার।
ইরান যুদ্ধ ও হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি পরিবহন কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে গত মাসের শেষ দিকে তেলের দাম ১২৬ ডলার পর্যন্ত পৌঁছেছিল। তবে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে অনেক ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারী এখনো সম্ভাব্য কূটনৈতিক সমাধানের আশায় ছিলেন। তাদের ধারণা ছিল, সমঝোতা হলে উপসাগরীয় দেশগুলো আবারও উৎপাদন ও রপ্তানি বাড়াতে পারবে।
কিন্তু বাজার পর্যবেক্ষকদের মতে, দীর্ঘদিনের সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় বিশ্ব জুড়ে তেল ও জ্বালানির মজুত দ্রুত কমে যাচ্ছে। একই সঙ্গে গ্রীষ্মকালীন ভ্রমণ মৌসুম সামনে থাকায় পরিবহন জ্বালানির চাহিদাও বাড়ছে।
জ্বালানি বিশ্লেষণা প্রতিষ্ঠান এইচএফআই রিসার্চ গত সপ্তাহে সতর্ক করে বলেছে, বাজার এখন ‘ফিরে যাওয়ার সীমা’ অতিক্রম করেছে এবং আগামী মাসের শুরুতেই বড় ধরনের ধাক্কা দেখা দিতে পারে।
ডাচ ব্যাংক রাবোব্যাংকের বৈশ্বিক কৌশলবিদ মাইকেল এভরি বলেন, ‘প্রতিবারই মনে হচ্ছে এবার হয়তো সমাধান হবে, এবার জ্বালানি প্রবাহ স্বাভাবিক হবে। কিন্তু বাস্তবে বারবারই সেই আশা ভেঙে যাচ্ছে।’
আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার প্রধান ফাতিহ বিরোল সতর্ক করে বলেছেন, জুলাই ও আগস্টে বিশ্ব এমন এক ‘রেড জোনে’ পৌঁছাতে পারে যেখানে উৎপাদনের তুলনায় তেলের ব্যবহার অনেক বেশি হয়ে যাবে। সে ক্ষেত্রে জরুরি পদক্ষেপ নিতে হতে পারে।
বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল কোম্পানি সৌদি আরামকো জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি আরও কয়েক সপ্তাহ বন্ধ থাকলে বাজারে ‘তেল সরবরাহ সংকট’ আগামী বছর পর্যন্ত গড়াতে পারে।
সংকটের আগে প্রতিদিন প্রায় দুই কোটি ব্যারেল তেল এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন হতো। বর্তমানে উপসাগরীয় অঞ্চলের উৎপাদন থেকে প্রতিদিন প্রায় এক কোটি ৪০ লাখ ব্যারেল সরবরাহ কমে গেছে। জরুরি মজুত থেকে তেল ছাড়ার মাধ্যমে এর একটি অংশ সামাল দেওয়া হলেও জুলাইয়ের পর সেই মজুতও শেষ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
মার্কিন বিনিয়োগ ব্যাংক জেপি মরগ্যান জানিয়েছে, বৈশ্বিক তেল মজুত এরই মধ্যে ‘সংকটজনকভাবে কম’ পর্যায়ে নেমে এসেছে। তাদের মতে, এমনকি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সমঝোতা হয়ে হরমুজ দিয়ে স্বাভাবিক পরিবহন চালু হলেও বাজারে সরবরাহের চাপ থেকেই যাবে।
এদিকে ইউরোপেও গ্যাসের মজুত নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। এইচএসবিসি ব্যাংক বলছে, বর্তমানে ইউরোপের গ্যাস সংরক্ষণাগার মাত্র ৩৭ শতাংশ পূর্ণ, যা পাঁচ বছরের গড়ের তুলনায় অনেক কম। ফলে গ্রীষ্মের শেষভাগে গ্যাসের দাম আরও অস্থির হয়ে উঠতে পারে।
উচ্চ জ্বালানি দামের প্রভাব সাধারণ ভোক্তাদের ওপরও পড়তে শুরু করেছে। যুক্তরাজ্যে পেট্রোলের দাম মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত শুরুর পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে গ্যাসের দাম বেড়ে যাওয়ায় দেশটিতে গড় পারিবারিক জ্বালানি ব্যয় বছরে আরও প্রায় ২০৯ পাউন্ড বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সোমবার (২৫ মে) এশিয়ার বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম (আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুড) ৫ শতাংশ কমে ৯৮ দশমিক ৩৬ ডলারে নেমে এসেছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রে লেনদেন হওয়া অপরিশোধিত তেলের দাম ৫ দশমিক ৩ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৯১ দশমিক ৫০ ডলারে।
২ দিন আগে
গত বছরের জুলাই মাসে জুবায়দুর রহমান স্বতন্ত্র পরিচালক হিসাবে ইসলামী ব্যাংকের বোর্ডে নিয়োগ পেয়েছিলেন। জুবায়দুর রহমান চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদের স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলেন।
৩ দিন আগে
বিইআরসি জানায়, আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের জন্য প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ০.২৫৬ ডলার কমিয়ে ১.০৮২৩ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।
৪ দিন আগে
বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাত ১২টা থেকে শুক্রবার (২২ মে) রাত ১২টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় সেতু দিয়ে মোট ৩৪ হাজার ৯৬টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর বিপরীতে টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ২৪ লাখ ৩ হাজার ৪০ টাকা। যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ এসব তথ্য জানিয়েছে।
৪ দিন আগে