বিশ্ববাজারে তেলের দরপতন

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্র ইরানে এবং ইরান কাতারে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান ঘাঁটিতে হামলার পর বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমেছে। বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, সোমবার বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ৮ দশমিক ৫০ শতাংশ কমে ব্যারেল প্রতি ৭০ দশমিক ৫১ ডলারে দাঁড়িয়েছে। তেলের বৈশ্বিক বাজারে এটি একটি বিশাল পতন।

যুদ্ধ পরিস্থিতিতে তেলের দরপতন বিপরীতমুখী মনে হলেও ওয়াশিংটনের থিংক ট্যাংক ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের রবিন ব্রুকস, সোশ্যাল মিডিয়ায় উল্লেখ করেছেন, এটি সম্পূর্ণ যুক্তিসঙ্গত।

গোল্ডম্যান স্যাক্স ও আইএমএফের সাবেক এই অর্থনীতিবিদ বলছেন, যদি ইরান প্রতিশোধ নেওয়ার ব্যাপারে সিরিয়াস হতো, তাহলে তারা হরমুজ প্রণালীতে একটি তেলের ট্যাংকার ডুবিয়ে দিত।

বাজারের প্রতিক্রিয়া এই চিন্তাভাবনাকে আরও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলছে বলেই মনে করছেন বিবিসির বাণিজ্য সংবাদদাতা জোনাথন জোসেফস। বৈশ্বিক তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশই জাহাজ চলাচলের সরু এই পথের ওপর নির্ভরশীল। ইরান এই পথকে লক্ষ্যবস্তু বানাবে এমন শঙ্কা আপাতত কম বলেই মনে হচ্ছে।

সম্প্রতি জাহাজের নেভিগেশন সিস্টেমে ইলেকট্রনিক হস্তক্ষেপের পরিমাণ বাড়লেও এই অঞ্চল পর্যবেক্ষণকারী আন্তর্জাতিক সামরিক বাহিনী বলছে, সমুদ্রের বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে এমন কোনো ইঙ্গিত নেই।

ad
ad

অর্থের রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

সোনার ভরিতে বাড়ল ২,২১৬ টাকা

বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ২২ ক্যারেট সোনার দাম ছিল ভরিপ্রতি ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। আজ নতুন দরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা, অর্থাৎ ভরিতে দাম বেড়েছে ২ হাজার ২১৬ টাকা।

৩ দিন আগে

স্মারক স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রার মূল্য পুনর্নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিশ্ববাজারের সাথে সমন্বয় করতেই এই মূল্যবৃদ্ধি।

৩ দিন আগে

এ সরকারের আমলে চট্টগ্রাম বন্দরের চুক্তি হচ্ছে না: বিডা চেয়ারম্যান

আশিক চৌধুরী বলেন, ‘এই সরকারের আমলে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারার চুক্তি হচ্ছে না। তারা আমাদের কাছে একটু সময় চেয়েছে। কিন্তু আমাদের হাতে মাত্র দুটি কার্যদিবস বাকি আছে। তাই এ সময়ের মধ্যে (চুক্তি) হচ্ছে না।’

৪ দিন আগে

পাকিস্তান থেকে রেল কোচ ও ওয়াগন আমদানির পথে বাংলাদেশ

পাকিস্তান রেলওয়ের পক্ষ থেকে কম খরচে মানসম্মত কোচ সরবরাহের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে এই সফর অনুষ্ঠিত হয়। মূলত দুই দেশের ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্ক এবং রেলওয়ে খাতের আধুনিকায়নে পারস্পরিক অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা সফল হলে বাংলাদেশের রেল যোগাযোগে নতুন গতির সঞ্চার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

৪ দিন আগে