সব রেকর্ড ভাঙল সোনার দাম

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

স্বর্ণের দাম ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আউন্সপ্রতি ২ হাজার ৭০০ ডলার ছাড়িয়েছে। তাই শুক্রবার স্বর্ণের দামে ফের বিশ্ব রেকর্ড হয়। মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে চলমান উত্তেজনার কারণে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছেন। মূলত এ জন্যই সোনার দাম আরেক দফায় বাড়ছে।

বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গতকাল বৃহস্পতিবার স্পট মার্কেটে সোনার দাম ছিল আউন্সপ্রতি ২ হাজার ৬৮৮ দশমিক ৮৩ মার্কিন ডলার। আজ (শুক্রবার) সকালে তা ২ হাজার ৭০৪ দশমিক ৮৯ ডলার ছুঁয়েছে, যা কিনা সর্বকালের সর্বোচ্চ।

মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার পাশাপাশি সোনার বৃদ্ধির পেছনে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের নীতি সুদহার বড় ব্যবধানে কমানোর বিষয়টি ভূমিকা রেখেছে। এর ফলে বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত সোনার দাম প্রায় ৩০ শতাংশ বেড়েছে।

২০১০ সালের পর সোনার দাম কখনোই এতটা বাড়েনি। মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘ সময় ধরে সংঘাত চলছে। সংঘাত চলছে বিশ্বের আরও অনেক দেশে। ফলে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, তা থেকে বিনিয়োগ নিরাপদ রাখতে অনেকেই সোনার দিকে ঝুঁকছেন।

এদিকে বিশ্ববাজারের পাশাপাশি দেশের বাজারেও বর্তমানে সোনার দাম বেশি। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এখন ১ লাখ ৩৭ হাজার ৪৪৯ টাকা। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করে থাকে।

ad
ad

অর্থের রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

সোনার ভরিতে বাড়ল ২,২১৬ টাকা

বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ২২ ক্যারেট সোনার দাম ছিল ভরিপ্রতি ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। আজ নতুন দরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা, অর্থাৎ ভরিতে দাম বেড়েছে ২ হাজার ২১৬ টাকা।

৭ দিন আগে

স্মারক স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রার মূল্য পুনর্নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিশ্ববাজারের সাথে সমন্বয় করতেই এই মূল্যবৃদ্ধি।

৭ দিন আগে

এ সরকারের আমলে চট্টগ্রাম বন্দরের চুক্তি হচ্ছে না: বিডা চেয়ারম্যান

আশিক চৌধুরী বলেন, ‘এই সরকারের আমলে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারার চুক্তি হচ্ছে না। তারা আমাদের কাছে একটু সময় চেয়েছে। কিন্তু আমাদের হাতে মাত্র দুটি কার্যদিবস বাকি আছে। তাই এ সময়ের মধ্যে (চুক্তি) হচ্ছে না।’

৭ দিন আগে

পাকিস্তান থেকে রেল কোচ ও ওয়াগন আমদানির পথে বাংলাদেশ

পাকিস্তান রেলওয়ের পক্ষ থেকে কম খরচে মানসম্মত কোচ সরবরাহের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে এই সফর অনুষ্ঠিত হয়। মূলত দুই দেশের ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্ক এবং রেলওয়ে খাতের আধুনিকায়নে পারস্পরিক অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা সফল হলে বাংলাদেশের রেল যোগাযোগে নতুন গতির সঞ্চার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

৮ দিন আগে