
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশের বাজারে তিন দিনের ব্যবধানে স্বর্ণের দাম আবারও বাড়ানো হয়েছে। সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম দুই হাজার ৩১০ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ৭১ হাজার ২৮৬ টাকা।
স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পাকা স্বর্ণ) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (৫ মে) এই দাম বাড়ানো হয়েছে।
আগামী মঙ্গলবার (৬ মে) থেকে নতুন দর কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।
সোমবার বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠক করে এই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়।
পরে কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের সই করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এর আগে ৩ মে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম তিন হাজার ৫৬৯ টাকা কমিয়ে এক লাখ ৬৮ হাজার ৯৭৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
গত ২৪, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২ ও ৯ মার্চ এবং ৮, ১৪, ২৩ এপ্রিল স্বর্ণের দাম কমানো হয়। তবে দেশের ইতিহাসে ২৪ এপ্রিল সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম পাঁচ হাজার ৩৪২ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয় এক লাখ ৭২ হাজার ৫৪৫ টাকা। যা অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে নতুন উচ্চতায় উঠে স্বর্ণের দাম।
এর আগে গত চার মাসে ১৯ বার স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে। গত ২৩, ২২, ২০, ১৭, ১৩, ১১ এপ্রিল, ২৮, ২৬, ১৯, ১৭, ৫ মার্চ ২, ৬, ১১, ১৮ ও ২১ ফেব্রুয়ারি এবং ১৬, ২৩ ও ৩০ জানুয়ারি স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। সোমবার আবারও স্বর্ণের দাম বাড়ানো হলো।
নতুন মূল্য অনুযায়ী, সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম দুই হাজার ৩১০ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ৭১ হাজার ২৮৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম দুই হাজার ১৯৩ টাকা বাড়িয়ে এক লাখ ৬৩ হাজার ৪৯৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৮৯০ টাকা বাড়িয়ে এক লাখ ৪০ হাজার ১৪৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৬১০ টাকা বাড়িয়ে এক লাখ ১৫ হাজার ৯০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এদিকে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হলেও অপরিবর্তিত রয়েছে রূপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রূপার দাম দুই হাজার ৮৪৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি রূপার ২ হাজার ৭১৮ টাকা। এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রূপার দাম দুই হাজার ৩৩৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রূপার এক হাজার ৭৫০ টাকা।
এর আগে ৩ মে সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম তিন হাজার ৫৬৯ টাকা কমিয়ে এক লাখ ৬৮ হাজার ৯৭৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম তিন হাজার ৩৯৫ টাকা কমিয়ে এক লাখ ৬১ হাজার ৩০১টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম দুই হাজার ৯১৬ টাকা কমিয়ে এক লাখ ৩৮ হাজার ২৫৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি স্বর্ণের দাম দুই হাজার ৪৮৫ টাকা কমিয়ে এক লাখ ১৪ হাজার ২৯৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
তার আগে গত ২৪ এপ্রিল সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম পাঁচ হাজার ৩৪২ টাকা কমিয়ে এক লাখ ৭২ হাজার ৫৪৫ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম পাঁচ হাজার ১০৮ টাকা কমিয়ে এক লাখ ৬৪ হাজার ৬৯৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম চার হাজার ৩৭৪ টাকা কমিয়ে এক লাখ ৪১ হাজার ১৬৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ৭৩২ টাকা কমিয়ে এক লাখ ১৬ হাজার ৭৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

দেশের বাজারে তিন দিনের ব্যবধানে স্বর্ণের দাম আবারও বাড়ানো হয়েছে। সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম দুই হাজার ৩১০ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ৭১ হাজার ২৮৬ টাকা।
স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পাকা স্বর্ণ) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (৫ মে) এই দাম বাড়ানো হয়েছে।
আগামী মঙ্গলবার (৬ মে) থেকে নতুন দর কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।
সোমবার বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠক করে এই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়।
পরে কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের সই করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এর আগে ৩ মে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম তিন হাজার ৫৬৯ টাকা কমিয়ে এক লাখ ৬৮ হাজার ৯৭৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
গত ২৪, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২ ও ৯ মার্চ এবং ৮, ১৪, ২৩ এপ্রিল স্বর্ণের দাম কমানো হয়। তবে দেশের ইতিহাসে ২৪ এপ্রিল সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম পাঁচ হাজার ৩৪২ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয় এক লাখ ৭২ হাজার ৫৪৫ টাকা। যা অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে নতুন উচ্চতায় উঠে স্বর্ণের দাম।
এর আগে গত চার মাসে ১৯ বার স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে। গত ২৩, ২২, ২০, ১৭, ১৩, ১১ এপ্রিল, ২৮, ২৬, ১৯, ১৭, ৫ মার্চ ২, ৬, ১১, ১৮ ও ২১ ফেব্রুয়ারি এবং ১৬, ২৩ ও ৩০ জানুয়ারি স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। সোমবার আবারও স্বর্ণের দাম বাড়ানো হলো।
নতুন মূল্য অনুযায়ী, সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম দুই হাজার ৩১০ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ৭১ হাজার ২৮৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম দুই হাজার ১৯৩ টাকা বাড়িয়ে এক লাখ ৬৩ হাজার ৪৯৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৮৯০ টাকা বাড়িয়ে এক লাখ ৪০ হাজার ১৪৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৬১০ টাকা বাড়িয়ে এক লাখ ১৫ হাজার ৯০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এদিকে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হলেও অপরিবর্তিত রয়েছে রূপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রূপার দাম দুই হাজার ৮৪৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি রূপার ২ হাজার ৭১৮ টাকা। এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রূপার দাম দুই হাজার ৩৩৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রূপার এক হাজার ৭৫০ টাকা।
এর আগে ৩ মে সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম তিন হাজার ৫৬৯ টাকা কমিয়ে এক লাখ ৬৮ হাজার ৯৭৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম তিন হাজার ৩৯৫ টাকা কমিয়ে এক লাখ ৬১ হাজার ৩০১টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম দুই হাজার ৯১৬ টাকা কমিয়ে এক লাখ ৩৮ হাজার ২৫৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি স্বর্ণের দাম দুই হাজার ৪৮৫ টাকা কমিয়ে এক লাখ ১৪ হাজার ২৯৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
তার আগে গত ২৪ এপ্রিল সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম পাঁচ হাজার ৩৪২ টাকা কমিয়ে এক লাখ ৭২ হাজার ৫৪৫ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম পাঁচ হাজার ১০৮ টাকা কমিয়ে এক লাখ ৬৪ হাজার ৬৯৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম চার হাজার ৩৭৪ টাকা কমিয়ে এক লাখ ৪১ হাজার ১৬৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ৭৩২ টাকা কমিয়ে এক লাখ ১৬ হাজার ৭৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের ভিত্তিতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। গত বছর বিএসইসির তৎকালীন চেয়ারম্যানকে অবরুদ্ধ করার ঘটনায় ২৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছিল মন্ত্রণালয়। তাদের মধ্যে ২২ জনের বিষয়ে মঙ্গলবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
২১ ঘণ্টা আগে
সংশোধিত বিধানে কোনো মার্জিন অর্থায়নকারী গ্রাহকের ইক্যুইটির চেয়ে বেশি মার্জিন অর্থায়ন করতে পারবে না। অর্থাৎ গ্রাহকের ইক্যুইটি ও মার্জিন অর্থায়নের অনুপাত সর্বোচ্চ ১:১ থাকবে। পাশাপাশি কোনো মার্জিন অর্থায়নকারী তার প্রকৃত মূলধন বা নিট সম্পদের চারগুণের বেশি মার্জিন অর্থায়ন করতে পারবে না।
২ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে রাজস্ব সম্মেলন-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
২ দিন আগে