
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নির্ধারিত মূল্যের দোকান থেকে পণ্য কিনতে ভোক্তাদের পরামর্শ দিয়েছেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী এ পরামর্শ দেন। সেই সঙ্গে বাজারদরের সংবাদে যেন কেবল মানুষের মুখের কথা প্রচার করা না হয়, সে বিষয়েও সাংবাদিকদের অনুরোধ করেছেন তিনি।
বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, রোজার পণ্য সুপারশপগুলোতে নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি হয়, নির্ধারিত মূল্যের দোকানগুলোতে তুলনামূলকভাবে কাঁচাবাজারের চেয়ে কম দামে পণ্য পাওয়া যায়।
তিনি বলেন, ‘আমার নিজের কাছেও অবাক লাগে, যারা মধ্যবিত্ত বা উচ্চবিত্ত, তাদের জন্য সুপারমার্কেট, কিন্তু মানুষ সেখানে যেতে চায় না। সুপারমার্কেট অ্যাসোসিয়েশন আমাকে একটি চিঠি দিয়েছে, রোজার মধ্যে তারা কোন প্রয়োজনীয় পণ্য কত কমে বিক্রি করবে, এটা উদাহরণ হতে পারে।’
সাংবাদিকদের উদ্দেশে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘পণ্যের দাম হাইলাইট করতে যেখানে পণ্যের দাম নির্ধারণ করে দেওয়া আছে, সেখানকার দাম হাইলাইট করা দরকার। মানুষ জানবে সুপারমার্কেটে এই দাম, তাহলে কাঁচাবাজারে গিয়ে মানুষ কেন তা কিনবে? সুপারমার্কেটে যদি ২৯ টাকায় আলু পাওয়া যায়, তাহলে ৩৫ টাকার আলু কিনতে দামাদামি করা কেন। অনেকে মনে করেন, দামাদামি করলে হয়তো দুই টাকা সাশ্রয় হবে, সে জন্যই মানুষ কাঁচাবাজারে যায়।
অনুষ্ঠানের এই পর্যায়ে সাংবাদিকেরা বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রীকে প্রশ্ন করেন, সুপারশপ থেকে মানুষকে পণ্য কেনার উৎসাহ দিচ্ছেন কি না। জবাবে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, যেখানে নির্ধারিত দামে পণ্য কেনা যায়, সেখান থেকে পণ্য কিনতে বলেছি, একই সঙ্গে বলেছি, কোনো একজন ব্যক্তির মুখের কথা যেন প্রচার করা না হয়। তিনি আরও বলেন, ‘আমি কাউকে “প্রোমোট” করছি না, বরং ভোক্তাদের সুবিধা নিশ্চিত করার কথা বলছি, কোথায় কম দামে জিনিস পাওয়া যায়, সেটাই রেফার করার চেষ্টা করছি।’
সংবাদ সম্মেলনে আহসানুল ইসলাম বলেন, ভোক্তা অধিদপ্তরের কাজ উপজেলা পর্যায়ে চলে গেছে বলে উল্লেখ করেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণে যে উদ্যোগগুলো আছে, সেগুলো নিয়ে ভোক্তা অধিদপ্তর কাজ করছে।

নির্ধারিত মূল্যের দোকান থেকে পণ্য কিনতে ভোক্তাদের পরামর্শ দিয়েছেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী এ পরামর্শ দেন। সেই সঙ্গে বাজারদরের সংবাদে যেন কেবল মানুষের মুখের কথা প্রচার করা না হয়, সে বিষয়েও সাংবাদিকদের অনুরোধ করেছেন তিনি।
বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, রোজার পণ্য সুপারশপগুলোতে নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি হয়, নির্ধারিত মূল্যের দোকানগুলোতে তুলনামূলকভাবে কাঁচাবাজারের চেয়ে কম দামে পণ্য পাওয়া যায়।
তিনি বলেন, ‘আমার নিজের কাছেও অবাক লাগে, যারা মধ্যবিত্ত বা উচ্চবিত্ত, তাদের জন্য সুপারমার্কেট, কিন্তু মানুষ সেখানে যেতে চায় না। সুপারমার্কেট অ্যাসোসিয়েশন আমাকে একটি চিঠি দিয়েছে, রোজার মধ্যে তারা কোন প্রয়োজনীয় পণ্য কত কমে বিক্রি করবে, এটা উদাহরণ হতে পারে।’
সাংবাদিকদের উদ্দেশে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘পণ্যের দাম হাইলাইট করতে যেখানে পণ্যের দাম নির্ধারণ করে দেওয়া আছে, সেখানকার দাম হাইলাইট করা দরকার। মানুষ জানবে সুপারমার্কেটে এই দাম, তাহলে কাঁচাবাজারে গিয়ে মানুষ কেন তা কিনবে? সুপারমার্কেটে যদি ২৯ টাকায় আলু পাওয়া যায়, তাহলে ৩৫ টাকার আলু কিনতে দামাদামি করা কেন। অনেকে মনে করেন, দামাদামি করলে হয়তো দুই টাকা সাশ্রয় হবে, সে জন্যই মানুষ কাঁচাবাজারে যায়।
অনুষ্ঠানের এই পর্যায়ে সাংবাদিকেরা বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রীকে প্রশ্ন করেন, সুপারশপ থেকে মানুষকে পণ্য কেনার উৎসাহ দিচ্ছেন কি না। জবাবে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, যেখানে নির্ধারিত দামে পণ্য কেনা যায়, সেখান থেকে পণ্য কিনতে বলেছি, একই সঙ্গে বলেছি, কোনো একজন ব্যক্তির মুখের কথা যেন প্রচার করা না হয়। তিনি আরও বলেন, ‘আমি কাউকে “প্রোমোট” করছি না, বরং ভোক্তাদের সুবিধা নিশ্চিত করার কথা বলছি, কোথায় কম দামে জিনিস পাওয়া যায়, সেটাই রেফার করার চেষ্টা করছি।’
সংবাদ সম্মেলনে আহসানুল ইসলাম বলেন, ভোক্তা অধিদপ্তরের কাজ উপজেলা পর্যায়ে চলে গেছে বলে উল্লেখ করেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণে যে উদ্যোগগুলো আছে, সেগুলো নিয়ে ভোক্তা অধিদপ্তর কাজ করছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের ভিত্তিতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। গত বছর বিএসইসির তৎকালীন চেয়ারম্যানকে অবরুদ্ধ করার ঘটনায় ২৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছিল মন্ত্রণালয়। তাদের মধ্যে ২২ জনের বিষয়ে মঙ্গলবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
২ দিন আগে
সংশোধিত বিধানে কোনো মার্জিন অর্থায়নকারী গ্রাহকের ইক্যুইটির চেয়ে বেশি মার্জিন অর্থায়ন করতে পারবে না। অর্থাৎ গ্রাহকের ইক্যুইটি ও মার্জিন অর্থায়নের অনুপাত সর্বোচ্চ ১:১ থাকবে। পাশাপাশি কোনো মার্জিন অর্থায়নকারী তার প্রকৃত মূলধন বা নিট সম্পদের চারগুণের বেশি মার্জিন অর্থায়ন করতে পারবে না।
২ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে রাজস্ব সম্মেলন-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
২ দিন আগে