
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

চলতি বছরের আগস্ট মাসে প্রবাসী আয়ের প্রবাহ আবারও ইতিবাচক ধারায় ফিরেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আগস্টে ২৪২ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স দেশে এসেছে। টাকায় এর পরিমাণ প্রায় ২৯ হাজার ৫৪৮ কোটি ৪০ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে)। এ আয়ের মাধ্যমে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে স্বস্তি এসেছে বলে জানিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরেক হোসেন খান বলেন, আগস্ট মাসের পুরো সময়ে ২৪২ কোটি ২০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স দেশে এসেছে। গত বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ২২২ কোটি ৪০ লাখ ডলার। সে হিসাবে চলতি আগস্টে প্রবাসী আয়ের পরিমাণ বেড়েছে ১৯ কোটি ৮০ লাখ ডলার বা ৮ দশমিক ৯ শতাংশ।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই ও আগস্টে) মোট ৪৯০ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স দেশে এসেছে। এর টাকার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৫৯ হাজার ৭৮০ কোটি টাকা। অন্যদিকে, গত অর্থবছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ৪১৩ কোটি ৮০ লাখ ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে রেমিট্যান্স বেড়েছে ৭৬ কোটি ২০ লাখ ডলার, যা প্রবৃদ্ধি হিসেবে দাঁড়ায় ১৮ দশমিক ৪ শতাংশ।
চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়েই দেশে আসে ২৪৭ কোটি ৭৯ লাখ ১০ হাজার ডলার সমপরিমাণ রেমিট্যান্স। টাকায় এর পরিমাণ প্রায় ৩০ হাজার ২৩৯ কোটি টাকা। যদিও ওই মাসে ৮টি ব্যাংকের মাধ্যমে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি। তবুও সামগ্রিক প্রবাহ ইতিবাচক ছিল।
বাংলাদেশে প্রবাসী আয়ের ধারাবাহিকতা বিগত কয়েক মাস ধরে উত্থান-পতনের মধ্য দিয়েই যাচ্ছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মার্চ মাসে সর্বোচ্চ রেকর্ড পরিমাণ ৩২৯ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স দেশে এসেছিল। এটি ছিল মাসভিত্তিক হিসাবে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্সপ্রবাহ। পুরো অর্থবছরে প্রবাসী আয় হয়েছিল ৩০ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ২৬ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি। এর আগের ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৩ দশমিক ৯১ বিলিয়ন ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নথি ঘেঁটে দেখা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মাসভিত্তিক রেমিট্যান্স প্রবাহ জুলাইয়ে ১৯১ কোটি ৩৭ লাখ ডলার, আগস্টে ২২২ কোটি ১৩ লাখ ডলার, সেপ্টেম্বরে ২৪০ কোটি ৪১ লাখ ডলার, অক্টোবরে ২৩৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার, নভেম্বরে ২২০ কোটি ডলার, ডিসেম্বরে ২৬৪ কোটি ডলার, জানুয়ারিতে ২১৯ কোটি ডলার, ফেব্রুয়ারিতে ২৫৩ কোটি ডলার, মার্চে ৩২৯ কোটি ডলার, এপ্রিলে ২৭৫ কোটি ডলার, মে মাসে ২৯৭ কোটি ডলার এবং জুনে ২৮২ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, সরকার ঘোষিত প্রণোদনা ও রেমিট্যান্স প্রেরণের প্রক্রিয়া সহজ করার কারণে প্রবাসী আয়ের প্রবাহ বাড়ছে। ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে টাকা পাঠানো সহজ হওয়ায় হুন্ডির প্রতি নির্ভরশীলতা কমছে। এতে বৈধ চ্যানেলে ডলারের প্রবাহ বেড়ে দেশের রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

চলতি বছরের আগস্ট মাসে প্রবাসী আয়ের প্রবাহ আবারও ইতিবাচক ধারায় ফিরেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আগস্টে ২৪২ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স দেশে এসেছে। টাকায় এর পরিমাণ প্রায় ২৯ হাজার ৫৪৮ কোটি ৪০ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে)। এ আয়ের মাধ্যমে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে স্বস্তি এসেছে বলে জানিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরেক হোসেন খান বলেন, আগস্ট মাসের পুরো সময়ে ২৪২ কোটি ২০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স দেশে এসেছে। গত বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ২২২ কোটি ৪০ লাখ ডলার। সে হিসাবে চলতি আগস্টে প্রবাসী আয়ের পরিমাণ বেড়েছে ১৯ কোটি ৮০ লাখ ডলার বা ৮ দশমিক ৯ শতাংশ।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই ও আগস্টে) মোট ৪৯০ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স দেশে এসেছে। এর টাকার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৫৯ হাজার ৭৮০ কোটি টাকা। অন্যদিকে, গত অর্থবছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ৪১৩ কোটি ৮০ লাখ ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে রেমিট্যান্স বেড়েছে ৭৬ কোটি ২০ লাখ ডলার, যা প্রবৃদ্ধি হিসেবে দাঁড়ায় ১৮ দশমিক ৪ শতাংশ।
চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়েই দেশে আসে ২৪৭ কোটি ৭৯ লাখ ১০ হাজার ডলার সমপরিমাণ রেমিট্যান্স। টাকায় এর পরিমাণ প্রায় ৩০ হাজার ২৩৯ কোটি টাকা। যদিও ওই মাসে ৮টি ব্যাংকের মাধ্যমে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি। তবুও সামগ্রিক প্রবাহ ইতিবাচক ছিল।
বাংলাদেশে প্রবাসী আয়ের ধারাবাহিকতা বিগত কয়েক মাস ধরে উত্থান-পতনের মধ্য দিয়েই যাচ্ছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মার্চ মাসে সর্বোচ্চ রেকর্ড পরিমাণ ৩২৯ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স দেশে এসেছিল। এটি ছিল মাসভিত্তিক হিসাবে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্সপ্রবাহ। পুরো অর্থবছরে প্রবাসী আয় হয়েছিল ৩০ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ২৬ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি। এর আগের ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৩ দশমিক ৯১ বিলিয়ন ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নথি ঘেঁটে দেখা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মাসভিত্তিক রেমিট্যান্স প্রবাহ জুলাইয়ে ১৯১ কোটি ৩৭ লাখ ডলার, আগস্টে ২২২ কোটি ১৩ লাখ ডলার, সেপ্টেম্বরে ২৪০ কোটি ৪১ লাখ ডলার, অক্টোবরে ২৩৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার, নভেম্বরে ২২০ কোটি ডলার, ডিসেম্বরে ২৬৪ কোটি ডলার, জানুয়ারিতে ২১৯ কোটি ডলার, ফেব্রুয়ারিতে ২৫৩ কোটি ডলার, মার্চে ৩২৯ কোটি ডলার, এপ্রিলে ২৭৫ কোটি ডলার, মে মাসে ২৯৭ কোটি ডলার এবং জুনে ২৮২ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, সরকার ঘোষিত প্রণোদনা ও রেমিট্যান্স প্রেরণের প্রক্রিয়া সহজ করার কারণে প্রবাসী আয়ের প্রবাহ বাড়ছে। ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে টাকা পাঠানো সহজ হওয়ায় হুন্ডির প্রতি নির্ভরশীলতা কমছে। এতে বৈধ চ্যানেলে ডলারের প্রবাহ বেড়ে দেশের রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

নতুন অর্থবছরে সরকারের ব্যয় নির্বাহের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট জাতীয় সংসদের অনুমোদন পেয়েছে। আজ মঙ্গলবার সংসদ অধিবেশনে নির্দিষ্টকরণ বিল, ২০২৬ পাসের মধ্য দিয়ে এই বাজেট অনুমোদন পায়। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরুর দিন ১ জুলাই থেকে এই বাজেট কার্যকর হবে।
৩ দিন আগে
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, আগের মুদ্রানীতিতে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ছিল ৮ দশমিক ৫০ শতাংশ। তবে মে মাস পর্যন্ত অর্জিত হয়েছে মাত্র ৪ দশমিক ৯৮ শতাংশ। এ বাস্তবতায় নতুন করে ডিসেম্বর পর্যন্ত ঋণ প্রবৃদ্ধির প্রাক্কলন কমিয়ে ৬ দশমিক ৮০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
৩ দিন আগে
নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণালঙ্কারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২১ হাজার ৯৬৬ টাকা। গতকাল সোমবারও এই মানের সোনার ভরি ছিল ২ লাখ ২৫ হাজার ২৯০ টাকা।
৩ দিন আগে
আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের আগস্ট মাসের ফিউচার চুক্তি ১ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ বা ৭৫ সেন্ট কমে ব্যারেলপ্রতি ৭২ দশমিক ৪০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া অধিক সক্রিয় সেপ্টেম্বর মাসের কন্ট্রাক্ট শূন্য দশমিক ৫৪ শতাংশ বা ৪০ সেন্ট কমে লেনদেন হয়েছে ৭৩ দশমিক ৫১ ডলারে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্স
৩ দিন আগে