
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিগত ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ৩ লাখ ৮২ হাজার ৫৬২ কোটি টাকার রাজস্ব আয় করেছে, যা এর আগের অর্থবছরের তুলনায় ১৫ দশমিক ৪০ শতাংশ বেশি।
আজ সোমবার এনবিআর প্রকাশিত হালনাগাদ পরিসংখ্যান থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। তবে রাজস্ব আহরণে সন্তোষজনক প্রবৃদ্ধি এলেও গত অর্থবছর রাজস্ব আয়ের যে লক্ষ্যমাত্রা ছিলো, তা অর্জিত হয়নি। বিগত অর্থবছরে রাজস্ব আয়ের সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ৪ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা। অন্যদিকে ২০২২-২৩ অর্থবছরের এনবিআরের রাজস্ব আয়ের পরিমাণ ছিলো ৩ লাখ ৩১ হাজার ৫০২ কোটি টাকা।
এনবিআরের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বাসসকে বলেন, ‘বেশ কিছু পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ থাকা সত্ত্বেও যে পরিমাণ রাজস্ব অর্জিত হয়েছে তা সন্তোষজনক।’ কর ফাঁকি রোধ করার কারণে এই রাজস্ব আয় অর্জন করা সম্ভব হয়েছে।
এনবিআরের খাত ভিত্তিক রাজস্ব আয়ের হিসাব হলো-২০২৩-২৪ অর্থবছরে আমদানি-রপ্তানি শুল্ক খাত থেকে আয় হয়েছে ১ লাখ ৮১৯ কোটি টাকা যা এর আগের অর্থবছরের চেয়ে ৮ দশমিক ৭২ শতাংশ বেশি, স্থানীয় পর্যায়ে মূল্য সংযোজন কর (মূসক) থেকে আয় হয়েছে ১ লাখ ৫০ হাজার ৭১৭ কোটি টাকা, প্রবৃদ্ধি ২০ দশমিক ১৭ শতাংশ এবং আয়কর ও ভ্রমণ কর খাতে রাজস্ব আয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩১ হাজার ২৫ কোটি টাকা এবং এক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৫ দশমিক ৬০ শতাংশ।

বিগত ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ৩ লাখ ৮২ হাজার ৫৬২ কোটি টাকার রাজস্ব আয় করেছে, যা এর আগের অর্থবছরের তুলনায় ১৫ দশমিক ৪০ শতাংশ বেশি।
আজ সোমবার এনবিআর প্রকাশিত হালনাগাদ পরিসংখ্যান থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। তবে রাজস্ব আহরণে সন্তোষজনক প্রবৃদ্ধি এলেও গত অর্থবছর রাজস্ব আয়ের যে লক্ষ্যমাত্রা ছিলো, তা অর্জিত হয়নি। বিগত অর্থবছরে রাজস্ব আয়ের সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ৪ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা। অন্যদিকে ২০২২-২৩ অর্থবছরের এনবিআরের রাজস্ব আয়ের পরিমাণ ছিলো ৩ লাখ ৩১ হাজার ৫০২ কোটি টাকা।
এনবিআরের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বাসসকে বলেন, ‘বেশ কিছু পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ থাকা সত্ত্বেও যে পরিমাণ রাজস্ব অর্জিত হয়েছে তা সন্তোষজনক।’ কর ফাঁকি রোধ করার কারণে এই রাজস্ব আয় অর্জন করা সম্ভব হয়েছে।
এনবিআরের খাত ভিত্তিক রাজস্ব আয়ের হিসাব হলো-২০২৩-২৪ অর্থবছরে আমদানি-রপ্তানি শুল্ক খাত থেকে আয় হয়েছে ১ লাখ ৮১৯ কোটি টাকা যা এর আগের অর্থবছরের চেয়ে ৮ দশমিক ৭২ শতাংশ বেশি, স্থানীয় পর্যায়ে মূল্য সংযোজন কর (মূসক) থেকে আয় হয়েছে ১ লাখ ৫০ হাজার ৭১৭ কোটি টাকা, প্রবৃদ্ধি ২০ দশমিক ১৭ শতাংশ এবং আয়কর ও ভ্রমণ কর খাতে রাজস্ব আয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩১ হাজার ২৫ কোটি টাকা এবং এক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৫ দশমিক ৬০ শতাংশ।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের ভিত্তিতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। গত বছর বিএসইসির তৎকালীন চেয়ারম্যানকে অবরুদ্ধ করার ঘটনায় ২৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছিল মন্ত্রণালয়। তাদের মধ্যে ২২ জনের বিষয়ে মঙ্গলবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
১ দিন আগে
সংশোধিত বিধানে কোনো মার্জিন অর্থায়নকারী গ্রাহকের ইক্যুইটির চেয়ে বেশি মার্জিন অর্থায়ন করতে পারবে না। অর্থাৎ গ্রাহকের ইক্যুইটি ও মার্জিন অর্থায়নের অনুপাত সর্বোচ্চ ১:১ থাকবে। পাশাপাশি কোনো মার্জিন অর্থায়নকারী তার প্রকৃত মূলধন বা নিট সম্পদের চারগুণের বেশি মার্জিন অর্থায়ন করতে পারবে না।
২ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে রাজস্ব সম্মেলন-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
২ দিন আগে