
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারতে ২ হাজার ৪২০ মেট্রিক টন ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন দেওয়া হলেও ১৭ দিনে রপ্তানি হয়েছে মাত্র ৫৩২ মেট্রিক টন ইলিশ।
অন্তর্বর্তী সরকার ৪৯টি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানকে ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন দিলেও ভারতে রপ্তানি করেছে ২২টি প্রতিষ্ঠান। যে কারণে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ইলিশ রপ্তানি হয়নি।
এ বিষয়ে বেনাপোল মৎস্য পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ অফিসের পরিদর্শক আসওয়াদুল ইসলাম জানান, সরকার গত মাসের ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ১২ অক্টোবর পর্যন্ত ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন দিয়েছিল। এতে করে গেলে ১৭ দিনে ৫৩২ মেট্রিক টন ইলিশ ভারতে রপ্তানি করেছেন ব্যবসায়ীরা।
দেশে ইলিশ সংকট আর দাম বৃদ্ধির কারণে এবার চাহিদা অনুযায়ী ইলিশ রপ্তানি করতে পারেনি বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
ইলিশ রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান সততা ফিসের স্বত্বাধিকারী সাহাদুর রহমান খোকন জানান, সরকার তার প্রতিষ্ঠানকে ৫০ মেট্রিক টন ইলিশ ভারতে রপ্তানির জন্য অনুমোদন দেয়। এতে করে তিনি নিদিষ্ট সময়ে মধ্যে ২৭ মেট্রিক টন ইলিশ ভারতে রপ্তানি করেছেন। এছাড়া ইলিশের দাম বৃদ্ধি ও সময় স্বল্পতার কারণে লক্ষ্য পূরণ হয়নি তার।
তবে সরকার যদি ইলিশ রপ্তানির সময় বাড়ায় তাহলে পুরো ৫০ মেট্রিক টন ইলিশ রপ্তানি করতে পারবে বলে তিনি জানান।
জানা যায়, ২০১২ সালে নদীতে ইলিশ সংকটের কারণে মাছটি রপ্তানি বন্ধ করে দেয় তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার। তবে ২০১৯ সাল থেকে বিশেষ বিবেচনায় শুধু দূর্গাপুজার সময় ইলিশ রপ্তানির সুযোগ রাখা হয়। এ বছর অন্তর্বর্তী সরকার ভারতে ইলিশ রপ্তানি করবে না বলে প্রথমে বললেও পরে সিদ্ধান্তে বদল আনে। দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২ হাজার ৪২০ মেট্রিক টন ইলিশ ভারতে রপ্তানির অনুমোদন দেয় সরকার।
তবে দাম বৃদ্ধি ও সংকটের কারণে তাদের অনুমোদিত ইলিশ ভারতে পাঠাতে পারেননি ব্যবসায়ীরা। এর মধ্যে শেষ হয়ে গেছে ইলিশ রপ্তানি নিদিষ্ট সময়ও।

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারতে ২ হাজার ৪২০ মেট্রিক টন ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন দেওয়া হলেও ১৭ দিনে রপ্তানি হয়েছে মাত্র ৫৩২ মেট্রিক টন ইলিশ।
অন্তর্বর্তী সরকার ৪৯টি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানকে ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন দিলেও ভারতে রপ্তানি করেছে ২২টি প্রতিষ্ঠান। যে কারণে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ইলিশ রপ্তানি হয়নি।
এ বিষয়ে বেনাপোল মৎস্য পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ অফিসের পরিদর্শক আসওয়াদুল ইসলাম জানান, সরকার গত মাসের ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ১২ অক্টোবর পর্যন্ত ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন দিয়েছিল। এতে করে গেলে ১৭ দিনে ৫৩২ মেট্রিক টন ইলিশ ভারতে রপ্তানি করেছেন ব্যবসায়ীরা।
দেশে ইলিশ সংকট আর দাম বৃদ্ধির কারণে এবার চাহিদা অনুযায়ী ইলিশ রপ্তানি করতে পারেনি বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
ইলিশ রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান সততা ফিসের স্বত্বাধিকারী সাহাদুর রহমান খোকন জানান, সরকার তার প্রতিষ্ঠানকে ৫০ মেট্রিক টন ইলিশ ভারতে রপ্তানির জন্য অনুমোদন দেয়। এতে করে তিনি নিদিষ্ট সময়ে মধ্যে ২৭ মেট্রিক টন ইলিশ ভারতে রপ্তানি করেছেন। এছাড়া ইলিশের দাম বৃদ্ধি ও সময় স্বল্পতার কারণে লক্ষ্য পূরণ হয়নি তার।
তবে সরকার যদি ইলিশ রপ্তানির সময় বাড়ায় তাহলে পুরো ৫০ মেট্রিক টন ইলিশ রপ্তানি করতে পারবে বলে তিনি জানান।
জানা যায়, ২০১২ সালে নদীতে ইলিশ সংকটের কারণে মাছটি রপ্তানি বন্ধ করে দেয় তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার। তবে ২০১৯ সাল থেকে বিশেষ বিবেচনায় শুধু দূর্গাপুজার সময় ইলিশ রপ্তানির সুযোগ রাখা হয়। এ বছর অন্তর্বর্তী সরকার ভারতে ইলিশ রপ্তানি করবে না বলে প্রথমে বললেও পরে সিদ্ধান্তে বদল আনে। দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২ হাজার ৪২০ মেট্রিক টন ইলিশ ভারতে রপ্তানির অনুমোদন দেয় সরকার।
তবে দাম বৃদ্ধি ও সংকটের কারণে তাদের অনুমোদিত ইলিশ ভারতে পাঠাতে পারেননি ব্যবসায়ীরা। এর মধ্যে শেষ হয়ে গেছে ইলিশ রপ্তানি নিদিষ্ট সময়ও।

বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ২২ ক্যারেট সোনার দাম ছিল ভরিপ্রতি ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। আজ নতুন দরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা, অর্থাৎ ভরিতে দাম বেড়েছে ২ হাজার ২১৬ টাকা।
৭ দিন আগে
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিশ্ববাজারের সাথে সমন্বয় করতেই এই মূল্যবৃদ্ধি।
৭ দিন আগে
আশিক চৌধুরী বলেন, ‘এই সরকারের আমলে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারার চুক্তি হচ্ছে না। তারা আমাদের কাছে একটু সময় চেয়েছে। কিন্তু আমাদের হাতে মাত্র দুটি কার্যদিবস বাকি আছে। তাই এ সময়ের মধ্যে (চুক্তি) হচ্ছে না।’
৭ দিন আগে
পাকিস্তান রেলওয়ের পক্ষ থেকে কম খরচে মানসম্মত কোচ সরবরাহের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে এই সফর অনুষ্ঠিত হয়। মূলত দুই দেশের ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্ক এবং রেলওয়ে খাতের আধুনিকায়নে পারস্পরিক অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা সফল হলে বাংলাদেশের রেল যোগাযোগে নতুন গতির সঞ্চার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
৮ দিন আগে