
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সরকারের পরিবর্তনের পর রেমিট্যান্সের প্রবাহ বেড়েই চলেছে। চলতি আগস্ট মাসের প্রথম ২৪ দিনে দেশে বৈধ পথে ১৭১ কোটি ৮৩ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এর মধ্যে ৪ থেকে ১০ আগস্ট পর্যন্ত এসেছে ৩৮ কোটি ৭১ লাখ ২০ হাজার ডলার, ১১ থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত এসেছে ৬৫ কোটি ১৪ লাখ ডলার এবং ১৮ থেকে ২৪ আগস্ট পর্যন্ত এসেছে ৫৮ কোটি ৪১ লাখ ডলার।
রোববার (২৫ আগস্ট) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, আগস্ট মাসের ২৪ দিন পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্সের মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ২৭ কোটি ৬৯ লাখ ডলার, বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৬ কোটি ৪ লাখ ১০ হাজার ডলার, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১৩৭ কোটি ৭৭ লাখ ৯০ হাজার ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৩২ লাখ ৩০ হাজার ডলার।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৩০ শতাংশ বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের আগস্টে এই সময়ে ১৩২ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল।
২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে দেশে ১৯১ কোটি ৩৫ লাখ ৮০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা গত ১০ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। এর আগে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে ১৩৩ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল।
২০২৩-২৪ অর্থবছরে রেমিট্যান্সের পরিসংখ্যান: জুলাইয়ে ১৯৭ কোটি ৩১ লাখ, আগস্টে ১৫৯ কোটি ৯৪ লাখ, সেপ্টেম্বর ১৩৩ কোটি ৪৩ লাখ, অক্টোবর ১৯৭ কোটি ১৪ লাখ, নভেম্বর ১৯৩ কোটি, ডিসেম্বরে ১৯৯ কোটি ১২ লাখ, জানুয়ারিতে ২১১ কোটি ৩১ লাখ, ফেব্রুয়ারিতে ২১৬ কোটি ৪৫ লাখ, মার্চে ১৯৯ কোটি ৭০ লাখ, এপ্রিল ২০৪ কোটি ৪২ লাখ, মে মাসে ২২৫ কোটি ৩৮ লাখ এবং জুনে ২৫৪ কোটি ১৬ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।

সরকারের পরিবর্তনের পর রেমিট্যান্সের প্রবাহ বেড়েই চলেছে। চলতি আগস্ট মাসের প্রথম ২৪ দিনে দেশে বৈধ পথে ১৭১ কোটি ৮৩ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এর মধ্যে ৪ থেকে ১০ আগস্ট পর্যন্ত এসেছে ৩৮ কোটি ৭১ লাখ ২০ হাজার ডলার, ১১ থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত এসেছে ৬৫ কোটি ১৪ লাখ ডলার এবং ১৮ থেকে ২৪ আগস্ট পর্যন্ত এসেছে ৫৮ কোটি ৪১ লাখ ডলার।
রোববার (২৫ আগস্ট) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, আগস্ট মাসের ২৪ দিন পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্সের মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ২৭ কোটি ৬৯ লাখ ডলার, বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৬ কোটি ৪ লাখ ১০ হাজার ডলার, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১৩৭ কোটি ৭৭ লাখ ৯০ হাজার ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৩২ লাখ ৩০ হাজার ডলার।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৩০ শতাংশ বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের আগস্টে এই সময়ে ১৩২ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল।
২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে দেশে ১৯১ কোটি ৩৫ লাখ ৮০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা গত ১০ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। এর আগে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে ১৩৩ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল।
২০২৩-২৪ অর্থবছরে রেমিট্যান্সের পরিসংখ্যান: জুলাইয়ে ১৯৭ কোটি ৩১ লাখ, আগস্টে ১৫৯ কোটি ৯৪ লাখ, সেপ্টেম্বর ১৩৩ কোটি ৪৩ লাখ, অক্টোবর ১৯৭ কোটি ১৪ লাখ, নভেম্বর ১৯৩ কোটি, ডিসেম্বরে ১৯৯ কোটি ১২ লাখ, জানুয়ারিতে ২১১ কোটি ৩১ লাখ, ফেব্রুয়ারিতে ২১৬ কোটি ৪৫ লাখ, মার্চে ১৯৯ কোটি ৭০ লাখ, এপ্রিল ২০৪ কোটি ৪২ লাখ, মে মাসে ২২৫ কোটি ৩৮ লাখ এবং জুনে ২৫৪ কোটি ১৬ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, পুঁজিবাজার, বিনিয়োগ বাজার এবং সামগ্রিক আর্থিক খাতকে আরও শক্তিশালী করতে সরকার কাজ করছে। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশের বাজারে আগ্রহ দেখাচ্ছেন।
৬ দিন আগে
এ বছরের প্রথম প্রান্তিক তথা জানুয়ারি থেকে মার্চে প্রতিষ্ঠানটির মুনাফা দাঁড়িয়েছে ৩৩ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৬ শতাংশ বেশি। একই সময়ে রাজস্ব প্রায় ৭ শতাংশ বেড়ে ১১৫ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
৭ দিন আগে
অর্থমন্ত্রী বলেন, বিগত সময়ে দেশের অর্থনীতি সুনির্দিষ্ট কিছু অলিগার্ক বা ধনাঢ্য শ্রেণির কবজায় ছিল। বর্তমান সরকার সেই বৃত্ত ভেঙে মূলধারার অর্থনীতির বাইরে থাকা সাধারণ মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে অর্থনীতির ‘গণতন্ত্রীকরণে’ গুরুত্ব দিচ্ছে।
৮ দিন আগে
দীর্ঘ সময়ের চাপ ও অনিশ্চয়তার পর দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবারও শক্ত অবস্থানে পৌঁছাতে শুরু করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রায় ৩১ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
১০ দিন আগে