
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ড. মোশতাক চৌধুরী ডিবিএইচ ফাইন্যান্স পিএলসি’র পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের ১৪৯তম সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ড. চৌধুরী বিশ্বের বৃহত্তম বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি নিউইয়র্কের কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইলম্যান স্কুল অফ পাবলিক হেলথের জনসংখ্যা এবং পারিবারিক স্বাস্থ্যের অধ্যাপক। ২০০৯-১২ সাল পর্যন্ত তিনি রকফেলার ফাউন্ডেশনের সিনিয়র উপদেষ্টা এবং ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসাবে কর্মরত ছিলেন। তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ম্যাকআর্থার ফেলো হিসেবেও কর্মরত ছিলেন। সাম্প্রতিক সময়ে, তিনি ভিজিটিং স্কলার হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানার নটরডেম বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের জেমস পি গ্রান্ট স্কুল অফ পাবলিক হেলথের প্রতিষ্ঠাতা ডিন ছিলেন। ড. চৌধুরী লন্ডন স্কুল অফ হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিন থেকে পিএইচডি, লন্ডন স্কুল অফ ইকোনমিক্স থেকে এমএসসি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ (অনার্স) ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
ড. চৌধুরী জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত শিশু স্বাস্থ্য ও মাতৃস্বাস্থ্য বিষয়ক ‘জাতিসংঘ মিলেনিয়াম টাস্ক ফোর্সের’ সমন্বয়কারী ছিলেন। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্রিগহাম ইয়ং ইউনিভার্সিটির ম্যারিয়ট বিজনেস স্কুল থেকে ‘ইনোভেটর অফ দ্য ইয়ার ২০০৬’ পুরস্কারের সহ-প্রাপক এবং ২০১৭ সালে, তিনি শিকাগো-ভিত্তিক রোনাল্ড ম্যাকডোনাল্ড হাউস চ্যারিটি থেকে ‘মেডিকেল এক্সিলেন্স’ পুরস্কার পেয়েছেন। ড. চৌধুরী পিয়ার-রিভিউ করা আন্তর্জাতিক জার্নালে ১৫০ টিরও বেশি নিবন্ধ প্রকাশ করেছেন এবং ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড প্রদত্ত ‘বেস্ট ইমপ্যাক্টফুল বুক’ পুরস্কার অর্জন করেছেন। সম্প্রতি প্রথমা থেকে তাঁর জীবনী ‘আমার ব্র্যাক জীবন’ প্রকাশিত হয়েছে।
ড. চৌধুরী শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের উপর সুশীল সমাজের দুটি নজরদারি সংস্থা ‘বাংলাদেশ এডুকেশন ওয়াচ’ এবং ‘বাংলাদেশ হেলথ ওয়াচের’ একজন প্রতিষ্ঠাতা। তিনি ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (বিআইডিএস), সোশ্যাল মার্কেটিং কোম্পানি, লন্ডন স্কুল অফ ইকোনমিক্স এবং ম্যানেজমেন্ট সায়েন্সেস ফর হেলথ (এমএসএইচ) সহ বিভিন্ন সংস্থা এবং উদ্যোগের বোর্ড এবং কমিটিতে যুক্ত রয়েছেন।
তিনি ফেব্রুয়ারি ২০১৫ থেকে ডিবিএইচ এর একজন ব্র্যাক মনোনীত পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

ড. মোশতাক চৌধুরী ডিবিএইচ ফাইন্যান্স পিএলসি’র পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের ১৪৯তম সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ড. চৌধুরী বিশ্বের বৃহত্তম বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি নিউইয়র্কের কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইলম্যান স্কুল অফ পাবলিক হেলথের জনসংখ্যা এবং পারিবারিক স্বাস্থ্যের অধ্যাপক। ২০০৯-১২ সাল পর্যন্ত তিনি রকফেলার ফাউন্ডেশনের সিনিয়র উপদেষ্টা এবং ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসাবে কর্মরত ছিলেন। তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ম্যাকআর্থার ফেলো হিসেবেও কর্মরত ছিলেন। সাম্প্রতিক সময়ে, তিনি ভিজিটিং স্কলার হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানার নটরডেম বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের জেমস পি গ্রান্ট স্কুল অফ পাবলিক হেলথের প্রতিষ্ঠাতা ডিন ছিলেন। ড. চৌধুরী লন্ডন স্কুল অফ হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিন থেকে পিএইচডি, লন্ডন স্কুল অফ ইকোনমিক্স থেকে এমএসসি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ (অনার্স) ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
ড. চৌধুরী জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত শিশু স্বাস্থ্য ও মাতৃস্বাস্থ্য বিষয়ক ‘জাতিসংঘ মিলেনিয়াম টাস্ক ফোর্সের’ সমন্বয়কারী ছিলেন। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্রিগহাম ইয়ং ইউনিভার্সিটির ম্যারিয়ট বিজনেস স্কুল থেকে ‘ইনোভেটর অফ দ্য ইয়ার ২০০৬’ পুরস্কারের সহ-প্রাপক এবং ২০১৭ সালে, তিনি শিকাগো-ভিত্তিক রোনাল্ড ম্যাকডোনাল্ড হাউস চ্যারিটি থেকে ‘মেডিকেল এক্সিলেন্স’ পুরস্কার পেয়েছেন। ড. চৌধুরী পিয়ার-রিভিউ করা আন্তর্জাতিক জার্নালে ১৫০ টিরও বেশি নিবন্ধ প্রকাশ করেছেন এবং ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড প্রদত্ত ‘বেস্ট ইমপ্যাক্টফুল বুক’ পুরস্কার অর্জন করেছেন। সম্প্রতি প্রথমা থেকে তাঁর জীবনী ‘আমার ব্র্যাক জীবন’ প্রকাশিত হয়েছে।
ড. চৌধুরী শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের উপর সুশীল সমাজের দুটি নজরদারি সংস্থা ‘বাংলাদেশ এডুকেশন ওয়াচ’ এবং ‘বাংলাদেশ হেলথ ওয়াচের’ একজন প্রতিষ্ঠাতা। তিনি ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (বিআইডিএস), সোশ্যাল মার্কেটিং কোম্পানি, লন্ডন স্কুল অফ ইকোনমিক্স এবং ম্যানেজমেন্ট সায়েন্সেস ফর হেলথ (এমএসএইচ) সহ বিভিন্ন সংস্থা এবং উদ্যোগের বোর্ড এবং কমিটিতে যুক্ত রয়েছেন।
তিনি ফেব্রুয়ারি ২০১৫ থেকে ডিবিএইচ এর একজন ব্র্যাক মনোনীত পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের ভিত্তিতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। গত বছর বিএসইসির তৎকালীন চেয়ারম্যানকে অবরুদ্ধ করার ঘটনায় ২৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছিল মন্ত্রণালয়। তাদের মধ্যে ২২ জনের বিষয়ে মঙ্গলবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
২ দিন আগে
সংশোধিত বিধানে কোনো মার্জিন অর্থায়নকারী গ্রাহকের ইক্যুইটির চেয়ে বেশি মার্জিন অর্থায়ন করতে পারবে না। অর্থাৎ গ্রাহকের ইক্যুইটি ও মার্জিন অর্থায়নের অনুপাত সর্বোচ্চ ১:১ থাকবে। পাশাপাশি কোনো মার্জিন অর্থায়নকারী তার প্রকৃত মূলধন বা নিট সম্পদের চারগুণের বেশি মার্জিন অর্থায়ন করতে পারবে না।
২ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে রাজস্ব সম্মেলন-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
২ দিন আগে