অক্টোবরে রপ্তানি আয় বেড়েছে ৫.৪১ শতাংশ

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

চলতি বছরের অক্টোবর মাসে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৩,৮২৩.৮৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা সেপ্টেম্বর মাসের তুলনায় ৫.৪১ শতাংশ বেশি।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) মোট রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ১৬,১৩৭.০৩ মিলিয়ন ডলার। যা গত অর্থবছরের একই সময়ের ১৫,৭৮৬.৩২ মিলিয়ন ডলারের তুলনায় ২.২২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নির্দেশ করে।

রপ্তানিতে তৈরি পোশাক খাত তার শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে, যা অক্টোবর ২০২৫-এ ৩,০১৯.৯৪ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে। এই খাতে নিটওয়্যার এবং ওভেন পোশাক এখনো প্রধান রপ্তানি আয়কারী পণ্য হিসেবে রয়েছে।

এ ছাড়া চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, কৃষিপণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, ওষুধ, জাহাজ, চিংড়ি এবং হালকা প্রকৌশল পণ্যসহ অন্যান্য খাতও বাংলাদেশের রপ্তানি সাফল্যকে আরও শক্তিশালী করেছে।

বাংলাদেশি পণ্যের প্রধান রপ্তানি গন্তব্য হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য তাদের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। এই দুই বাজারে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি হয়েছে যথাক্রমে ৬.৮৯ শতাংশ এবং ২.৮২ শতাংশ।

একই সময়ে চীন, সৌদি আরব, কানাডা এবং স্পেনে বাংলাদেশের রপ্তানি যথাক্রমে ২৫ শতাংশ, ১৫.৩৭ শতাংশ, ১২.৩৬ শতাংশ এবং ১২.৬৪ শতাংশ বেড়েছে।

বছরওয়ারি রপ্তানি আয় কিছুটা কমলেও মাসওয়ারি ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি এবং প্রধান খাতগুলোর ইতিবাচক পারফরম্যান্স বাংলাদেশের রপ্তানি শিল্পের স্থিতিশীলতা ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা প্রমাণ করে।

ad
ad

অর্থের রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

সোনার ভরিতে বাড়ল ২,২১৬ টাকা

বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ২২ ক্যারেট সোনার দাম ছিল ভরিপ্রতি ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। আজ নতুন দরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা, অর্থাৎ ভরিতে দাম বেড়েছে ২ হাজার ২১৬ টাকা।

৪ দিন আগে

স্মারক স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রার মূল্য পুনর্নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিশ্ববাজারের সাথে সমন্বয় করতেই এই মূল্যবৃদ্ধি।

৪ দিন আগে

এ সরকারের আমলে চট্টগ্রাম বন্দরের চুক্তি হচ্ছে না: বিডা চেয়ারম্যান

আশিক চৌধুরী বলেন, ‘এই সরকারের আমলে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারার চুক্তি হচ্ছে না। তারা আমাদের কাছে একটু সময় চেয়েছে। কিন্তু আমাদের হাতে মাত্র দুটি কার্যদিবস বাকি আছে। তাই এ সময়ের মধ্যে (চুক্তি) হচ্ছে না।’

৪ দিন আগে

পাকিস্তান থেকে রেল কোচ ও ওয়াগন আমদানির পথে বাংলাদেশ

পাকিস্তান রেলওয়ের পক্ষ থেকে কম খরচে মানসম্মত কোচ সরবরাহের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে এই সফর অনুষ্ঠিত হয়। মূলত দুই দেশের ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্ক এবং রেলওয়ে খাতের আধুনিকায়নে পারস্পরিক অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা সফল হলে বাংলাদেশের রেল যোগাযোগে নতুন গতির সঞ্চার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

৫ দিন আগে