টাকার মূল্য কমেছে ১২.৭২ শতাংশ

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২৪ সালে মার্কিন ডলারের বিনিময় হার ১২ টাকা বৃদ্ধির ফলে বছরজুড়ে স্থানীয় মুদ্রা টাকার মূল্য কমেছে ১২ দশমিক ৭২ শতাংশ।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে প্রতি ১ ডলারের বিনিময় হার ছিল ১১০ টাকা, যা একই বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে ১২২ টাকা নির্ধারণ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এতে ডলারের মূল্য ১২ টাকা বেড়েছে এবং টাকার মূল্যমান ১২ দশমিক ৭২ শতাংশ কমেছে।

বাংলাদেশ টানা তিন বছর ধরে ডলার সংকটে ভুগছে। এর ফলে দেশে ডলারের দাম বেড়েছে এবং টাকার মান আরো কমেছে।

এদিকে, ব্যাংকগুলোও ক্রয়-বিক্রয় উভয় ক্ষেত্রে ডলারের দাম ২ টাকা বাড়িয়েছে। পরে টাকার মান আরো দুই টাকা কমে যায়। ব্যাংকগুলো এখন থেকে আমদানি, ঋণ পরিশোধসহ অন্যান্য খাতে সর্বোচ্চ ১২২ টাকা দরে গ্রাহকদের কাছে ডলার বিক্রি করবে।

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সাবেক সভাপতি আশরাফ আহমেদ বলেন, ব্যাংকগুলোর ডলারের দাম বাড়ানোর পদক্ষেপের ফলে আমদানি ব্যয় বাড়বে। এতে আমদানি করা পণ্যের দামও বাড়বে, কারণ তাদের আমদানি ব্যয় মেটাতে আরো বেশি অর্থের প্রয়োজন হবে।

মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব তুলে ধরে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ড. তৌফিকুল ইসলাম খান বলেন, দুই টাকার অবমূল্যায়ন মানে জিনিসপত্রের দাম অনিবার্যভাবে বাড়বে। এর সঙ্গে আমদানি পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় মূল্যস্ফীতির ওপর আরো চাপ পড়বে।

ad
ad

অর্থের রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

সোনার ভরিতে বাড়ল ২,২১৬ টাকা

বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ২২ ক্যারেট সোনার দাম ছিল ভরিপ্রতি ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। আজ নতুন দরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা, অর্থাৎ ভরিতে দাম বেড়েছে ২ হাজার ২১৬ টাকা।

৬ দিন আগে

স্মারক স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রার মূল্য পুনর্নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিশ্ববাজারের সাথে সমন্বয় করতেই এই মূল্যবৃদ্ধি।

৬ দিন আগে

এ সরকারের আমলে চট্টগ্রাম বন্দরের চুক্তি হচ্ছে না: বিডা চেয়ারম্যান

আশিক চৌধুরী বলেন, ‘এই সরকারের আমলে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারার চুক্তি হচ্ছে না। তারা আমাদের কাছে একটু সময় চেয়েছে। কিন্তু আমাদের হাতে মাত্র দুটি কার্যদিবস বাকি আছে। তাই এ সময়ের মধ্যে (চুক্তি) হচ্ছে না।’

৬ দিন আগে

পাকিস্তান থেকে রেল কোচ ও ওয়াগন আমদানির পথে বাংলাদেশ

পাকিস্তান রেলওয়ের পক্ষ থেকে কম খরচে মানসম্মত কোচ সরবরাহের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে এই সফর অনুষ্ঠিত হয়। মূলত দুই দেশের ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্ক এবং রেলওয়ে খাতের আধুনিকায়নে পারস্পরিক অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা সফল হলে বাংলাদেশের রেল যোগাযোগে নতুন গতির সঞ্চার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

৭ দিন আগে