
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশ থেকে যে অর্থপাচার হয়ে গেছে সেটা ফেরত আনতে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ। একই সঙ্গে এরকম অর্থ যেন জেনারেট না হয় সেদিকে নজর দেওয়া হবে। কালো টাকা যেন না হয়, কালো টাকা হলে লেভেল প্লেইং ফিল্ড থাকে না বলেও জানান তিনি।
বুধবার (১৪ আগস্ট) মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসের অর্থায়ন প্রতিরোধে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা এবং নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গঠিত জাতীয় সমন্বয় কমিটির ২৮তম সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, গত দুই বছর পর আমরা মিটিং করছি। আজকে মানি লন্ডারিং বিষয়সহ অন্যান্য বিষয়ে নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এটা দেশের স্বার্থে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর একটি বিষয়। আমরা যেটা করেছি এবিষয়ে অনেকগুলো সিদ্ধান্ত আছে ও আর সংশ্লিষ্ট অনেকগুলো মন্ত্রণালয়, বিভাগ আছে তারা সবাই এসেছেন। যার যা দায়িত্ব আমরা বলেছি। কেউ যদি স্লো হয়ে থাকে তাকে অ্যাক্টিভেট করতে বলেছি। একই সঙ্গে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
তিনি বলেন, কিছু গাইড লাইন লাগে, আইনের কিছু বিষয় থাকে সেটা আমরা করবো। এখন যে বিদ্যমান আইন আছে সেটা যথেষ্ট ভালো। আর আপনারা সব কিছু নির্ভয়ে করবেন ভয়ের কিছু নেই। আইন বিধিমালা ও দেশের স্বার্থে কাজ করবেন ভয়ের কিছু নেই।
অর্থ উপদেষ্টা বলেন, অনেক স্পর্শকাতর বিষয় আছে, সেসব বিষয়ে ব্যবস্থা নেবো। যারা ইতোমধ্যে (অর্থপাচার) করেছে, নাম শুনেছেন। তাদের বিষয়ে ইতোমধ্যে কিছু কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে, কিছু কিছু ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ হয়েছে। আমরা আমাদের দিক থেকে সব সময় চেষ্টা করবো। আমরা কিছু দিন পর আবার রিভিউ মিটিংয়ে বসবো কি কি করা হয়েছে এবং কি কি করা যেতে পারে।
যে অর্থ দেশের বাইরে গেছে সেটা ফেরত আনার জন্য কি পদক্ষেপ নেবেন জানতে চাইলে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, অবশ্যই ব্যবস্থা নেবো, এরকম অর্থ যেন জেনারেট না হয়। কালো টাকা যেন না হয়, কালো টাকা হলে লেভেল প্লেইং ফিল্ড থাকে না। বহু টাকা নিলে, সৎ ব্যবসায়ীরা তো ব্যবসা করতে পারবে না। এসব টাকা কোথায় গেছে কীভাবে গেছে, দেশের বাইরে গিয়ে থাকলে প্রসেসটা কি? যদি গিয়ে থাকে তাহলে নিশ্চয়ই আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ব্যাপার আছে, তাদের আইন আছে সেসব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
দেশ থেকে কি পরিমাণ অর্থপাচার হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এবিষয়ে বলতে হলে সে পরিমাণ তথ্য উপাত্ত প্রয়োজন হয়। একটু সময় লাগবে। আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছি।
এনবিআরের চেয়ারম্যান নতুন নিয়োগ দিলেন এতে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য পূরণে সমস্যা হবে কিনা জানতে চাইলে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, না, সেগুলো আমার মাথায় আছে। কোনো সমস্যা হবে না।

দেশ থেকে যে অর্থপাচার হয়ে গেছে সেটা ফেরত আনতে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ। একই সঙ্গে এরকম অর্থ যেন জেনারেট না হয় সেদিকে নজর দেওয়া হবে। কালো টাকা যেন না হয়, কালো টাকা হলে লেভেল প্লেইং ফিল্ড থাকে না বলেও জানান তিনি।
বুধবার (১৪ আগস্ট) মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসের অর্থায়ন প্রতিরোধে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা এবং নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গঠিত জাতীয় সমন্বয় কমিটির ২৮তম সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, গত দুই বছর পর আমরা মিটিং করছি। আজকে মানি লন্ডারিং বিষয়সহ অন্যান্য বিষয়ে নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এটা দেশের স্বার্থে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর একটি বিষয়। আমরা যেটা করেছি এবিষয়ে অনেকগুলো সিদ্ধান্ত আছে ও আর সংশ্লিষ্ট অনেকগুলো মন্ত্রণালয়, বিভাগ আছে তারা সবাই এসেছেন। যার যা দায়িত্ব আমরা বলেছি। কেউ যদি স্লো হয়ে থাকে তাকে অ্যাক্টিভেট করতে বলেছি। একই সঙ্গে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
তিনি বলেন, কিছু গাইড লাইন লাগে, আইনের কিছু বিষয় থাকে সেটা আমরা করবো। এখন যে বিদ্যমান আইন আছে সেটা যথেষ্ট ভালো। আর আপনারা সব কিছু নির্ভয়ে করবেন ভয়ের কিছু নেই। আইন বিধিমালা ও দেশের স্বার্থে কাজ করবেন ভয়ের কিছু নেই।
অর্থ উপদেষ্টা বলেন, অনেক স্পর্শকাতর বিষয় আছে, সেসব বিষয়ে ব্যবস্থা নেবো। যারা ইতোমধ্যে (অর্থপাচার) করেছে, নাম শুনেছেন। তাদের বিষয়ে ইতোমধ্যে কিছু কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে, কিছু কিছু ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ হয়েছে। আমরা আমাদের দিক থেকে সব সময় চেষ্টা করবো। আমরা কিছু দিন পর আবার রিভিউ মিটিংয়ে বসবো কি কি করা হয়েছে এবং কি কি করা যেতে পারে।
যে অর্থ দেশের বাইরে গেছে সেটা ফেরত আনার জন্য কি পদক্ষেপ নেবেন জানতে চাইলে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, অবশ্যই ব্যবস্থা নেবো, এরকম অর্থ যেন জেনারেট না হয়। কালো টাকা যেন না হয়, কালো টাকা হলে লেভেল প্লেইং ফিল্ড থাকে না। বহু টাকা নিলে, সৎ ব্যবসায়ীরা তো ব্যবসা করতে পারবে না। এসব টাকা কোথায় গেছে কীভাবে গেছে, দেশের বাইরে গিয়ে থাকলে প্রসেসটা কি? যদি গিয়ে থাকে তাহলে নিশ্চয়ই আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ব্যাপার আছে, তাদের আইন আছে সেসব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
দেশ থেকে কি পরিমাণ অর্থপাচার হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এবিষয়ে বলতে হলে সে পরিমাণ তথ্য উপাত্ত প্রয়োজন হয়। একটু সময় লাগবে। আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছি।
এনবিআরের চেয়ারম্যান নতুন নিয়োগ দিলেন এতে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য পূরণে সমস্যা হবে কিনা জানতে চাইলে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, না, সেগুলো আমার মাথায় আছে। কোনো সমস্যা হবে না।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের ভিত্তিতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। গত বছর বিএসইসির তৎকালীন চেয়ারম্যানকে অবরুদ্ধ করার ঘটনায় ২৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছিল মন্ত্রণালয়। তাদের মধ্যে ২২ জনের বিষয়ে মঙ্গলবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
১ দিন আগে
সংশোধিত বিধানে কোনো মার্জিন অর্থায়নকারী গ্রাহকের ইক্যুইটির চেয়ে বেশি মার্জিন অর্থায়ন করতে পারবে না। অর্থাৎ গ্রাহকের ইক্যুইটি ও মার্জিন অর্থায়নের অনুপাত সর্বোচ্চ ১:১ থাকবে। পাশাপাশি কোনো মার্জিন অর্থায়নকারী তার প্রকৃত মূলধন বা নিট সম্পদের চারগুণের বেশি মার্জিন অর্থায়ন করতে পারবে না।
২ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে রাজস্ব সম্মেলন-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
২ দিন আগে