পদত্যাগ করলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক মুখপাত্র

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মো. মেজবাউল হক পদত্যাগ করেছেন। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে তিনি পদত্যাগ করেছেন। মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র মো. আরিফুর রহমান খান।

মেজবাউল হক সর্বশেষ বাংলাদেশ ব্যাংকের রাজশাহী অফিসে কর্মরত ছিলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর চাপের মুখে পড়েন এই সাবেক মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক। গণঅভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর, দুই ডেপুটি গভর্নর, বিএফআইইউ প্রধান ও নীতি উপদেষ্টা পদত্যাগে বাধ্য হন। তারা সবাই চুক্তিভিত্তিক কর্মরত ছিলেন। তবে ২০২৪ সালের আগস্টে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর এই প্রথম কোনো নিয়মিত কর্মকর্তা পদত্যাগ করলেন।

মেজবাউল হক ২০২২ সালের ডিসেম্বরে পরিচালক থেকে নির্বাহী পরিচালক হিসেবে পদোন্নতি পান। ওই দিনই তাকে মুখপাত্রের দায়িত্ব দেওয়া হয়। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ছিলেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেম বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিতি মেজবাউল। গণঅভ্যুত্থানের পর তাকে প্রধান কার্যালয় থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের রাজশাহী অফিসে বদলি করা হয়।

ad
ad

অর্থের রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

সোনার ভরিতে বাড়ল ২,২১৬ টাকা

বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ২২ ক্যারেট সোনার দাম ছিল ভরিপ্রতি ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। আজ নতুন দরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা, অর্থাৎ ভরিতে দাম বেড়েছে ২ হাজার ২১৬ টাকা।

৪ দিন আগে

স্মারক স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রার মূল্য পুনর্নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিশ্ববাজারের সাথে সমন্বয় করতেই এই মূল্যবৃদ্ধি।

৪ দিন আগে

এ সরকারের আমলে চট্টগ্রাম বন্দরের চুক্তি হচ্ছে না: বিডা চেয়ারম্যান

আশিক চৌধুরী বলেন, ‘এই সরকারের আমলে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারার চুক্তি হচ্ছে না। তারা আমাদের কাছে একটু সময় চেয়েছে। কিন্তু আমাদের হাতে মাত্র দুটি কার্যদিবস বাকি আছে। তাই এ সময়ের মধ্যে (চুক্তি) হচ্ছে না।’

৫ দিন আগে

পাকিস্তান থেকে রেল কোচ ও ওয়াগন আমদানির পথে বাংলাদেশ

পাকিস্তান রেলওয়ের পক্ষ থেকে কম খরচে মানসম্মত কোচ সরবরাহের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে এই সফর অনুষ্ঠিত হয়। মূলত দুই দেশের ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্ক এবং রেলওয়ে খাতের আধুনিকায়নে পারস্পরিক অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা সফল হলে বাংলাদেশের রেল যোগাযোগে নতুন গতির সঞ্চার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

৫ দিন আগে