
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপি সরকার গঠনের পর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। কার্যতালিকায় ১৯টি প্রকল্প থাকলেও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে মাত্র আটটি প্রকল্প নিয়ে। এর মধ্যে অনুমোদন পেয়েছে মাত্র পাঁচটি প্রকল্প।
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অনুমোদন দেওয়া পাঁচটি প্রকল্পের মধ্যে কোনোটিই নতুন নয়, সবগুলোই চলমান প্রকল্পের সংশোধনী। এর মধ্যে দুটির ব্যয় বাড়ানো হয়েছে, ব্যয় সামান্য কমানো হয়েছে একটি প্রকল্পের। বাকি দুটি প্রকল্পের ব্যয় বাড়ানো না হলেও মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।
সব মিলিয়ে পাঁচটি প্রকল্পের জন্য ব্যয় বাড়ছে ৪৮৩ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারিভাবে জোগান দেওয়া হবে ৩৯০ কোটি ৮৪ লাখ টাকা, বাকি ৯২ কোটি ৫৯ লাখ টাকা প্রকল্প ঋণ বা অনুদান থেকে আসবে।
সোমবার (৬ মার্চ) নতুন সরকারের প্রথম একনেক সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী ও একনেক সভাপতি তারেক রহমান এতে সভাপতিত্ব করেন। সাধারণত একনেক সভা পরিকল্পনা কমিশনে হলেও প্রথম এ সভাটি হয়েছে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে।
পরিকল্পনা কমিশন সূত্র জানিয়েছে, একনেকের কার্যতালিকায় ১৯টি প্রকল্প থাকলেও তালিকার অষ্টম প্রকল্প নিয়ে আলোচনার সময়ই সভা মুলতবি করা হয়। এ সময় জানানো হয়, অষ্টম প্রকল্পসহ বাকি প্রকল্পগুলো নিয়ে পরবর্তী একনেকে আলোচনা হবে।
একনেক সভা সূত্রে জানা গেছে, আলোচিত প্রথম সাতটি প্রকল্পের মধ্যে তিনটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তালিকার শুরুতেই থাকা করতোয়া নদীর সিস্টেম উন্নয়ন প্রকল্প এবং চতুর্থ স্থানে থাকা অংশীদারিত্বমূলক পল্লী উন্নয়ন চতুর্থ পর্যায় (পিআরডিবি-৪) প্রকল্প দুটি অনুমোদন না দিয়ে ফেরত দেওয়া হয়েছে।
যে পাঁচটি প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে তার মধ্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প দুটি। আরও দুটি প্রকল্প রয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের, বাকি একটি ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের। প্রকল্পগুলো হলো—
একনেক বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, ‘এজেন্ডায় থাকা ১৯টি প্রকল্পের বেশির ভাগই আগের সরকারের নেওয়া। পর্যালোচনায় নানা সমস্যা ও অপ্রয়োজনীয়তার প্রশ্ন উঠে আসায় মাত্র সাতটি প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়, যার মধ্যে পাঁচটি অনুমোদন পেয়েছে।’
জনগণের টাকার কথা মাথায় রেখে অত্যন্ত সতর্কভাবে প্রকল্প বাছাই করা হচ্ছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, সব প্রকল্প মূল্যায়নে একটি কমিটি কাজ করছে। যেগুলোর প্রয়োজন নেই, সেগুলো বাদ দেওয়া হবে। পুরনো প্রকল্প শেষ করে নির্বাচনি ইশতেহারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নতুন প্রকল্প নেওয়া হবে।
একনেকের কার্যতালিকায় থাকলেও আলোচনা হয়নি— এমন প্রকল্পের সংখ্যা ১১টি। এগুলো হলো— গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ সচিবালয়ে ২১ তলা নতুন অফিস ভবন নির্মাণ; স্থানীয় সরকার বিভাগের ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়ন; চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের আবাসিক নিবাস নির্মাণ; ঢাকা শহরের জরুরি পানি সরবরাহ; প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাভার সোনানিবাসে সৈনিকদের আবাসন সংকট নিরসনে ব্যারাক কমপ্লেক্স নির্মাণ; সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের বৈরাগীপুর (বরিশাল)-টুমচর-বাউফল (পটুয়াখালী) জেলা মহাসড়ক যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ প্রকল্প; বরিশাল-ভোলা-লক্ষ্মীপুর জাতীয় মহাসড়কের বরিশাল (চরকাউয়া) হতে ভোলা (ইলিশা ফেরীঘাট) হয়ে লক্ষ্মীপুর পর্যন্ত সড়ক যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ প্রকল্প; বরিশাল (দিনারেরপুল)-লক্ষ্মীপাশা-দুমকী জেলা মহাসড়কের ১৪তম কিলোমিটারে রাঙ্গামাটি নদীর ওপর গোমা সেতু নির্মাণ প্রকল্প; সীমান্ত সড়ক (রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা) নির্মাণ প্রকল্প-২য় পর্যায়; এবং ‘ময়মনসিংহ বিভাগে পাঁচটি জলবায়ু সহনশীল সেতু নির্মাণ প্রকল্প’।
তালিকার বাইরেও স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে নেওয়া ‘নগরবাসীর জন্য সমন্বিত স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ সম্প্রসারণ’ শীর্ষক প্রকল্প এবং এক হাজার ১৫৭ কোটি ছয় লাখ টাকা ব্যয়ে ঢাকা উত্তর-দক্ষিণ এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে ১৭০টি নগর স্বাস্থ্য নীড় স্থাপন প্রকল্প উত্থাপনের কথা ছিল।
এ ছাড়া এনবিআরের ‘কাস্টমস আধুনিকায়ন ও অবকাঠামো উন্নয়ন (প্রস্তাবতি প্রথম সংশোধন)’ শীর্ষক একটি প্রকল্পের সংশোধিত প্রস্তাব এবং একনেক সভাকে অবহিতের জন্য পরিকল্পনামন্ত্রী অনুমোদিত ৩৩টি প্রকল্প উপস্থাপন করার কথা ছিল।

বিএনপি সরকার গঠনের পর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। কার্যতালিকায় ১৯টি প্রকল্প থাকলেও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে মাত্র আটটি প্রকল্প নিয়ে। এর মধ্যে অনুমোদন পেয়েছে মাত্র পাঁচটি প্রকল্প।
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অনুমোদন দেওয়া পাঁচটি প্রকল্পের মধ্যে কোনোটিই নতুন নয়, সবগুলোই চলমান প্রকল্পের সংশোধনী। এর মধ্যে দুটির ব্যয় বাড়ানো হয়েছে, ব্যয় সামান্য কমানো হয়েছে একটি প্রকল্পের। বাকি দুটি প্রকল্পের ব্যয় বাড়ানো না হলেও মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।
সব মিলিয়ে পাঁচটি প্রকল্পের জন্য ব্যয় বাড়ছে ৪৮৩ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারিভাবে জোগান দেওয়া হবে ৩৯০ কোটি ৮৪ লাখ টাকা, বাকি ৯২ কোটি ৫৯ লাখ টাকা প্রকল্প ঋণ বা অনুদান থেকে আসবে।
সোমবার (৬ মার্চ) নতুন সরকারের প্রথম একনেক সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী ও একনেক সভাপতি তারেক রহমান এতে সভাপতিত্ব করেন। সাধারণত একনেক সভা পরিকল্পনা কমিশনে হলেও প্রথম এ সভাটি হয়েছে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে।
পরিকল্পনা কমিশন সূত্র জানিয়েছে, একনেকের কার্যতালিকায় ১৯টি প্রকল্প থাকলেও তালিকার অষ্টম প্রকল্প নিয়ে আলোচনার সময়ই সভা মুলতবি করা হয়। এ সময় জানানো হয়, অষ্টম প্রকল্পসহ বাকি প্রকল্পগুলো নিয়ে পরবর্তী একনেকে আলোচনা হবে।
একনেক সভা সূত্রে জানা গেছে, আলোচিত প্রথম সাতটি প্রকল্পের মধ্যে তিনটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তালিকার শুরুতেই থাকা করতোয়া নদীর সিস্টেম উন্নয়ন প্রকল্প এবং চতুর্থ স্থানে থাকা অংশীদারিত্বমূলক পল্লী উন্নয়ন চতুর্থ পর্যায় (পিআরডিবি-৪) প্রকল্প দুটি অনুমোদন না দিয়ে ফেরত দেওয়া হয়েছে।
যে পাঁচটি প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে তার মধ্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প দুটি। আরও দুটি প্রকল্প রয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের, বাকি একটি ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের। প্রকল্পগুলো হলো—
একনেক বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, ‘এজেন্ডায় থাকা ১৯টি প্রকল্পের বেশির ভাগই আগের সরকারের নেওয়া। পর্যালোচনায় নানা সমস্যা ও অপ্রয়োজনীয়তার প্রশ্ন উঠে আসায় মাত্র সাতটি প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়, যার মধ্যে পাঁচটি অনুমোদন পেয়েছে।’
জনগণের টাকার কথা মাথায় রেখে অত্যন্ত সতর্কভাবে প্রকল্প বাছাই করা হচ্ছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, সব প্রকল্প মূল্যায়নে একটি কমিটি কাজ করছে। যেগুলোর প্রয়োজন নেই, সেগুলো বাদ দেওয়া হবে। পুরনো প্রকল্প শেষ করে নির্বাচনি ইশতেহারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নতুন প্রকল্প নেওয়া হবে।
একনেকের কার্যতালিকায় থাকলেও আলোচনা হয়নি— এমন প্রকল্পের সংখ্যা ১১টি। এগুলো হলো— গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ সচিবালয়ে ২১ তলা নতুন অফিস ভবন নির্মাণ; স্থানীয় সরকার বিভাগের ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়ন; চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের আবাসিক নিবাস নির্মাণ; ঢাকা শহরের জরুরি পানি সরবরাহ; প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাভার সোনানিবাসে সৈনিকদের আবাসন সংকট নিরসনে ব্যারাক কমপ্লেক্স নির্মাণ; সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের বৈরাগীপুর (বরিশাল)-টুমচর-বাউফল (পটুয়াখালী) জেলা মহাসড়ক যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ প্রকল্প; বরিশাল-ভোলা-লক্ষ্মীপুর জাতীয় মহাসড়কের বরিশাল (চরকাউয়া) হতে ভোলা (ইলিশা ফেরীঘাট) হয়ে লক্ষ্মীপুর পর্যন্ত সড়ক যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ প্রকল্প; বরিশাল (দিনারেরপুল)-লক্ষ্মীপাশা-দুমকী জেলা মহাসড়কের ১৪তম কিলোমিটারে রাঙ্গামাটি নদীর ওপর গোমা সেতু নির্মাণ প্রকল্প; সীমান্ত সড়ক (রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা) নির্মাণ প্রকল্প-২য় পর্যায়; এবং ‘ময়মনসিংহ বিভাগে পাঁচটি জলবায়ু সহনশীল সেতু নির্মাণ প্রকল্প’।
তালিকার বাইরেও স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে নেওয়া ‘নগরবাসীর জন্য সমন্বিত স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ সম্প্রসারণ’ শীর্ষক প্রকল্প এবং এক হাজার ১৫৭ কোটি ছয় লাখ টাকা ব্যয়ে ঢাকা উত্তর-দক্ষিণ এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে ১৭০টি নগর স্বাস্থ্য নীড় স্থাপন প্রকল্প উত্থাপনের কথা ছিল।
এ ছাড়া এনবিআরের ‘কাস্টমস আধুনিকায়ন ও অবকাঠামো উন্নয়ন (প্রস্তাবতি প্রথম সংশোধন)’ শীর্ষক একটি প্রকল্পের সংশোধিত প্রস্তাব এবং একনেক সভাকে অবহিতের জন্য পরিকল্পনামন্ত্রী অনুমোদিত ৩৩টি প্রকল্প উপস্থাপন করার কথা ছিল।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সমিতির স্ট্যান্ডিং কমিটির এক জরুরি ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ৭০ লাখ দোকান ব্যবসায়ী ও আড়াই কোটি কর্মচারীর কথা বিবেচনা করে ঢাকাসহ সারা দেশের দোকান ও শপিং মল খোলার সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে বেলা ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখতে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ জানানোর সিদ্ধান্ত হ
৩ দিন আগে
স্থানীয় শিপিং এজেন্ট প্রাইড শিপিং লাইনসের দেওয়া তথ্যমতে, মালয়েশিয়া থেকে আসা জাহাজটি আজ শনিবার বার্থিং করার কথা রয়েছে। এই বিপুল পরিমাণ ডিজেল আসায় দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ও পরিবহন খাতে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা আরও সচল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
৩ দিন আগে
জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থা ইউএনসিটিএডি সতর্ক করে বলেছে, এর প্রভাবে ২০২৬ সালে বৈশ্বিক পণ্য বাণিজ্যের প্রবৃদ্ধিতে ধস নামতে পারে। ২০২৫ সালে এ প্রবৃদ্ধি ছিল ৪ দশমিক ৭ শতাংশ, যা এক বছরের ব্যবধানে কমে ২ দশমিক ৫ শতাংশ, এবং এমনকি ১ দশমিক ৫ শতাংশেও নেমে আসতে পারে।
৩ দিন আগে
তিনি বলেন, জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলে কৃষি ও শিল্প খাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। উচ্চমূল্যে জ্বালানি আমদানির ফলে সরকারি তহবিলে চাপ তৈরি হওয়ায় ইতোমধ্যে সাশ্রয়ী নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে মন্ত্রী ও সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য জ্বালানি ব্যবহারে ৩০ শতাংশ রেশনিং চালু করা হয়েছে।
৩ দিন আগে