চিনির দাম আর বাড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
ছবি: সংগৃহীত

রোজায় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে সবধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। তিনি বলেছেন, ডলার সংকটের কারণে আমদানিনির্ভর চিনির দাম কমছে না। তবে যে অবস্থায় রয়েছে এতে করে আর দাম বাড়বে না।

সোমবার দুপুরে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতীক বরাদ্দ পেয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি একথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘চিনি পুরোটাই আমদানিনির্ভর। ডলারের দাম কমলে চিনির দামও কমানো যায়। যেহেতু এখন ডলারের দাম স্থিতিশীল রয়েছে, তাই চিনির দাম আর বাড়বে না।’

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি না এলেও স্বতন্ত্রসহ অন্যান্য অনেক দল অংশ নিয়েছে। সবার অংশগ্রহণে একটি গ্রহণযোগ্য ও উৎসবমুখর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করি।’

নিজ নির্বাচনী এলাকার (কাউনিয়া-পীরগাছা) উন্নয়ন প্রসঙ্গে টিপু মুনশি বলেন, ‘আমার এলাকায় ৯০ শতাংশ রাস্তাঘাটের উন্নতি হয়েছে। স্কুল ও কলেজ সব এমপিওভুক্ত হয়েছে। ওখানে ইপিজেড হচ্ছে। আগামীতে সরকার ক্ষমতায় এলে সেখানে ইপিজেডের কার্যক্রম পুরোপুরি চালু করা হবে। এতে অন্তত এক লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে।’

এ সময় স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ad
ad

অর্থের রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

সোনার ভরিতে বাড়ল ২,২১৬ টাকা

বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ২২ ক্যারেট সোনার দাম ছিল ভরিপ্রতি ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। আজ নতুন দরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা, অর্থাৎ ভরিতে দাম বেড়েছে ২ হাজার ২১৬ টাকা।

৯ দিন আগে

স্মারক স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রার মূল্য পুনর্নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিশ্ববাজারের সাথে সমন্বয় করতেই এই মূল্যবৃদ্ধি।

৯ দিন আগে

এ সরকারের আমলে চট্টগ্রাম বন্দরের চুক্তি হচ্ছে না: বিডা চেয়ারম্যান

আশিক চৌধুরী বলেন, ‘এই সরকারের আমলে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারার চুক্তি হচ্ছে না। তারা আমাদের কাছে একটু সময় চেয়েছে। কিন্তু আমাদের হাতে মাত্র দুটি কার্যদিবস বাকি আছে। তাই এ সময়ের মধ্যে (চুক্তি) হচ্ছে না।’

৯ দিন আগে

পাকিস্তান থেকে রেল কোচ ও ওয়াগন আমদানির পথে বাংলাদেশ

পাকিস্তান রেলওয়ের পক্ষ থেকে কম খরচে মানসম্মত কোচ সরবরাহের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে এই সফর অনুষ্ঠিত হয়। মূলত দুই দেশের ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্ক এবং রেলওয়ে খাতের আধুনিকায়নে পারস্পরিক অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা সফল হলে বাংলাদেশের রেল যোগাযোগে নতুন গতির সঞ্চার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

১০ দিন আগে