
বাসস

রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ ও অভ্যন্তরীণ বিশাল ভোক্তাবাজারের কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী।
সরকারি এক হ্যান্ডআউটে জানানো হয়, বাংলাদেশ-জাপান দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আজ টোকিওস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের সঙ্গ এক মতবিনিময় সভায় এ আহ্বান জানানো হয়। এতে জাপানের ৩০ জন শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী নেতা অংশ নেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী।
রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সাম্প্রতিক জিডিপি প্রবৃদ্ধিসহ ঈর্ষণীয় অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা তুলে ধরে বলেন, বর্তমান নির্বাচিত সরকারের অধীনে বাংলাদেশে যে সুসংহত গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা সৃষ্টি হয়েছে, তা বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য এক অনন্য সুযোগ ও আস্থার পরিবেশ তৈরি করেছে।
রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন, প্রকৃতপক্ষে, বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য এখনই সুবর্ণ সময়।
বিনিয়োগকারীদের সুযোগ-সুবিধার বিষয়ে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত বিভিন্ন উদ্ভাবনী এবং কার্যকরী পদক্ষেপের কথা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। বিশেষত, ওয়ান-স্টপ সার্ভিস, ভিসা সহজীকরণ, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে শতভাগ বিদেশি মালিকানা, ৫-১০ বছর-মেয়াদী টেক্স হলিডে, মুনাফা প্রত্যাবাসন, অবকাঠামোগত সুবিধা, রপ্তানি বহুমুখীকরণে প্রণোদনা ইত্যাদি।
বাংলাদেশকে একটি তরুণ জনগোষ্ঠীর দেশ উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, জাপানের বিভিন্ন শিল্পে এই দক্ষ জনবলকে নিয়োগ করলে উভয় দেশ লাভবান হবে।
তিনি বলেন, ইতোমধ্যে কয়েকটি জাপানি কোম্পানি বাংলাদেশে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পরিচালনা করছে।
জাপানি ব্যবসায়ী নেতারা বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং বিনিয়োগ সুরক্ষার বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বিনিয়োগে আগ্রহ ব্যক্ত করেন। তাদের অনেকেই শিগগিরই বাংলাদেশ সফর করে সরেজমিনে অভিজ্ঞতা অর্জন করতে চান বলে জানান।
বর্তমানে ৩৩০টিরও বেশি জাপানি কোম্পানির বাংলাদেশে সফলভাবে ব্যবসা পরিচালনা এবং মেগা প্রজেক্টসমূহে লাভজনক বিনিয়োগ তাদের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করছে বলে ব্যবসায়ীরা অভিমত ব্যক্ত করেন।
সভায় অংশগ্রহণকারী ব্যবসায়ী ও পেশাজীবীদের মধ্যে রয়েছেন ইকুহিকো আকাবোরি, নানা শিমুরা, হিরোয়াকি ইশিকাওয়া, আতসুহিরো কাতসুমাতা ও মো. এমদাদুল ইসলাম প্রমুখ।

রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ ও অভ্যন্তরীণ বিশাল ভোক্তাবাজারের কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী।
সরকারি এক হ্যান্ডআউটে জানানো হয়, বাংলাদেশ-জাপান দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আজ টোকিওস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের সঙ্গ এক মতবিনিময় সভায় এ আহ্বান জানানো হয়। এতে জাপানের ৩০ জন শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী নেতা অংশ নেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী।
রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সাম্প্রতিক জিডিপি প্রবৃদ্ধিসহ ঈর্ষণীয় অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা তুলে ধরে বলেন, বর্তমান নির্বাচিত সরকারের অধীনে বাংলাদেশে যে সুসংহত গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা সৃষ্টি হয়েছে, তা বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য এক অনন্য সুযোগ ও আস্থার পরিবেশ তৈরি করেছে।
রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন, প্রকৃতপক্ষে, বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য এখনই সুবর্ণ সময়।
বিনিয়োগকারীদের সুযোগ-সুবিধার বিষয়ে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত বিভিন্ন উদ্ভাবনী এবং কার্যকরী পদক্ষেপের কথা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। বিশেষত, ওয়ান-স্টপ সার্ভিস, ভিসা সহজীকরণ, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে শতভাগ বিদেশি মালিকানা, ৫-১০ বছর-মেয়াদী টেক্স হলিডে, মুনাফা প্রত্যাবাসন, অবকাঠামোগত সুবিধা, রপ্তানি বহুমুখীকরণে প্রণোদনা ইত্যাদি।
বাংলাদেশকে একটি তরুণ জনগোষ্ঠীর দেশ উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, জাপানের বিভিন্ন শিল্পে এই দক্ষ জনবলকে নিয়োগ করলে উভয় দেশ লাভবান হবে।
তিনি বলেন, ইতোমধ্যে কয়েকটি জাপানি কোম্পানি বাংলাদেশে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পরিচালনা করছে।
জাপানি ব্যবসায়ী নেতারা বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং বিনিয়োগ সুরক্ষার বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বিনিয়োগে আগ্রহ ব্যক্ত করেন। তাদের অনেকেই শিগগিরই বাংলাদেশ সফর করে সরেজমিনে অভিজ্ঞতা অর্জন করতে চান বলে জানান।
বর্তমানে ৩৩০টিরও বেশি জাপানি কোম্পানির বাংলাদেশে সফলভাবে ব্যবসা পরিচালনা এবং মেগা প্রজেক্টসমূহে লাভজনক বিনিয়োগ তাদের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করছে বলে ব্যবসায়ীরা অভিমত ব্যক্ত করেন।
সভায় অংশগ্রহণকারী ব্যবসায়ী ও পেশাজীবীদের মধ্যে রয়েছেন ইকুহিকো আকাবোরি, নানা শিমুরা, হিরোয়াকি ইশিকাওয়া, আতসুহিরো কাতসুমাতা ও মো. এমদাদুল ইসলাম প্রমুখ।

অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে রাজস্ব আদায়ে ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে রেকর্ড ৯৮ হাজার কোটি টাকা বা ২৫ দশমিক ৩৯ শতাংশ। ৯ মাসের এ রাজস্ব আদায় আগের অর্থবছরের একই সময়ের দুই লাখ ৫৯ হাজার ৯৯৬ কোটি টাকার তুলনায় কম।
১ দিন আগে
হাই কমিশনার তাৎপর্য সহকারে উল্লেখ করেন, এই অঞ্চলের দুটি বৃহত্তম অর্থনীতি ও সংযুক্তি বিনির্মাণের ওপর গুরুত্বারোপকারী ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হিসেবে ভারত ও বাংলাদেশ আঞ্চলিক অর্থনৈতিক একীকরণে নেতৃত্ব প্রদান করা এবং স্থিতিশীল ও ভবিষ্যৎ-উপযোগী সরবরাহ শৃঙ্খল গড়ে তোলার ক্ষেত্রে অনন্য অবস্থানে রয়েছে।
৩ দিন আগে
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যে দেখা গেছে, এপ্রিলের ১৯ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ২ দশমিক ১২ বিলিয়ন (২১২ কোটি ৭০ লাখ) মার্কিন ডলার। বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে) যার পরিমাণ ২৫ হাজার ৯৪৯ কোটি ৪০ লাখ টাকা।
৩ দিন আগে
দেশের বাজারে আবারো এলপিজি গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছে। ভোক্তাপর্যায়ে প্রতি ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১৭২৮ টাকা থেকে ২১২ টাকা বাড়িয়ে ১৯৪০ টাকা নির্ধারণ করেছে।
৪ দিন আগে