
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আগস্টে প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম বেড়েছিল ২৮ টাকা ৫৩ পয়সা। সেপ্টেম্বরে এসে সে দাম বাড়ল প্রতি লিটারে আরও ৬ টাকা ১৩ পয়সা। এর ফলে উড়োজাহাজের এই জ্বালানির প্রতি লিটারের দাম ১৫৯ টাকা ৫২ পয়সা থেকে বেড়ে হয়েছে ১৬৫ টাকা ৬৫ পয়সা।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) জেট ফুয়েলের নতুন এই দাম ঘোষণা করেছে। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের জন্য প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ১ দশমিক ০৩৫৮ মার্কিন ডলার থেকে বাড়িয়ে ১ দশমিক ০৭৭০ ডলার করেছে বিইআরসি।
এক আদেশে বিইআরসি বলেছে, গত ৫ আগস্ট থেকে ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আন্তর্জাতিক বাজারে জেট এ-১-এর প্ল্যাটস রেটের গড় ও একই সময়ে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) এলসি সেটেলমেন্টে ডলারের বিনিময় হার বিবেচনায় নিয়ে শুনানি শেষে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে আগস্টে জেট ফুয়েলের দাম বাড়ে বড় পরিমাণে। ওই সময় অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের জন্য প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ১৩০ টাকা ৯৯ পয়সা থেকে বাড়িয়ে এক লাফে ১৫৯ টাকা ৫২ পয়সা করা হয়।
এর আগে টানা তিন মাসে কমানো হয়েছিল জেট ফুয়েলের দাম। এর মধ্যে ৬ মে পর্যন্ত প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ছিল ২২৭ টাকা ৮ পয়সা। ৭ মে প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম থেকে কমিয়ে করা হয় ২০৫ টাকা ৪৫ পয়সা। পরে ২৩ মে মধ্যবর্তী সমন্বয়ে প্রতি লিটারে এক লাফে প্রায় ৪০ টাকা কমিয়ে দাম নির্ধারণ করা হয় ১৬৫ টাকা ৮৮ পয়সা।
পরে জুন মাসে এর দাম প্রতি লিটারে কমানো হয় আরও প্রায় ১৫ টাকা। সে সময় প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ১৬৫ টাকা ৮৮ পয়সা থেকে কমিয়ে ১৫০ টাকা ২১ পয়সা করা হয়। পরে জুলাইয়ে প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম আরও ১৯ টাকা ২২ পয়সা কমিয়ে ১৩০ টাকা ৯৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়।
টানা তিন মাসে চার দফায় প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ৯৬ টাকা ৯ পয়সা কমানোর পর এবার দুই মাসে দাম বাড়ল ৩৪ টাকা ৬৬ পয়সা।

আগস্টে প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম বেড়েছিল ২৮ টাকা ৫৩ পয়সা। সেপ্টেম্বরে এসে সে দাম বাড়ল প্রতি লিটারে আরও ৬ টাকা ১৩ পয়সা। এর ফলে উড়োজাহাজের এই জ্বালানির প্রতি লিটারের দাম ১৫৯ টাকা ৫২ পয়সা থেকে বেড়ে হয়েছে ১৬৫ টাকা ৬৫ পয়সা।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) জেট ফুয়েলের নতুন এই দাম ঘোষণা করেছে। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের জন্য প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ১ দশমিক ০৩৫৮ মার্কিন ডলার থেকে বাড়িয়ে ১ দশমিক ০৭৭০ ডলার করেছে বিইআরসি।
এক আদেশে বিইআরসি বলেছে, গত ৫ আগস্ট থেকে ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আন্তর্জাতিক বাজারে জেট এ-১-এর প্ল্যাটস রেটের গড় ও একই সময়ে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) এলসি সেটেলমেন্টে ডলারের বিনিময় হার বিবেচনায় নিয়ে শুনানি শেষে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে আগস্টে জেট ফুয়েলের দাম বাড়ে বড় পরিমাণে। ওই সময় অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের জন্য প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ১৩০ টাকা ৯৯ পয়সা থেকে বাড়িয়ে এক লাফে ১৫৯ টাকা ৫২ পয়সা করা হয়।
এর আগে টানা তিন মাসে কমানো হয়েছিল জেট ফুয়েলের দাম। এর মধ্যে ৬ মে পর্যন্ত প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ছিল ২২৭ টাকা ৮ পয়সা। ৭ মে প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম থেকে কমিয়ে করা হয় ২০৫ টাকা ৪৫ পয়সা। পরে ২৩ মে মধ্যবর্তী সমন্বয়ে প্রতি লিটারে এক লাফে প্রায় ৪০ টাকা কমিয়ে দাম নির্ধারণ করা হয় ১৬৫ টাকা ৮৮ পয়সা।
পরে জুন মাসে এর দাম প্রতি লিটারে কমানো হয় আরও প্রায় ১৫ টাকা। সে সময় প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ১৬৫ টাকা ৮৮ পয়সা থেকে কমিয়ে ১৫০ টাকা ২১ পয়সা করা হয়। পরে জুলাইয়ে প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম আরও ১৯ টাকা ২২ পয়সা কমিয়ে ১৩০ টাকা ৯৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়।
টানা তিন মাসে চার দফায় প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ৯৬ টাকা ৯ পয়সা কমানোর পর এবার দুই মাসে দাম বাড়ল ৩৪ টাকা ৬৬ পয়সা।

সম্প্রতি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সিটি ব্যাংক ও আইটিএফসি নিজেদের মধ্যে ক্ষমতাশালী কৌশলগত অংশীদারিত্ব পুনর্ব্যক্ত করে। রপ্তানি অর্থায়ন, পরিবেশবান্ধব অর্থায়ন ও ওআইসি সদস্য দেশগুলোর মধ্যে আন্তঃওআইসি বাণিজ্য লেনদেন সম্প্রসারণের সুযোগসহ আরও সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলোও বিশেষ
২ দিন আগে
একটি নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রধান যখন বাজারে ভালো কোম্পানির সংখ্যা অত্যন্ত সীমিত বলে মন্তব্য করেন, তখন সেটি বিনিয়োগকারীদের মনস্তত্ত্বে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে এমন একটি বাজারে, যেখানে দীর্ঘদিন ধরেই বিনিয়োগকারীদের আস্থার সংকট রয়েছে।
৩ দিন আগে
বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশি নাগরিকদের বার্ষিক বৈদেশিক মুদ্রা খরচের সীমা ১২ হাজার ডলার থেকে বাড়িয়ে ১৮ হাজার ডলার করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সে হিসাবে খরচের এই সীমা আগের চেয়ে বেড়ে দেড়গুণ হয়েছে।
৩ দিন আগে
নেদারল্যান্ডসের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতে, লন্ডনের ব্যাংক অব ইংল্যান্ডে রাখা সোনা আধুনিক আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মানদণ্ড পূরণ করে। বিশ্ববাজারে কেনাবেচার জন্য এটি সবচেয়ে সহজলভ্য সোনাগুলোর একটি হওয়ায় সংকটের সময় ডিএনবি খুব দ্রুত তা কাজে লাগাতে পারবে।
৫ দিন আগে