
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জন্য ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা দেশের জিডিপির ১ দশমিক ০১ শতাংশ। গত অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে এ খাতে বরাদ্দ ছিল ৩৫ হাজার ৪৭৭ কোটি টাকা (জিডিপির ০ দশমিক ৫৮%)। এ হিসেবে আসন্ন অর্থবছরে এই খাতে বরাদ্দ ৩৩ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা বেড়েছে, অর্থাৎ প্রায় দ্বিগুণ।
একই সঙ্গে দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন ও শহরের প্রতিটি ওয়ার্ডে আধুনিক প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট স্থাপন, সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালু এবং স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে চিকিৎসাকেন্দ্রিক থেকে প্রতিরোধকেন্দ্রিক ব্যবস্থায় রূপান্তরের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় এসব পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী। বাজেট বক্তৃতায় তিনি বলেন, সর্বজনীন ও ন্যায়সংগত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা, গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া, মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা এবং স্বাস্থ্য প্রযুক্তি ও চিকিৎসা শিল্পের বিকাশ ঘটানো সরকারের প্রধান লক্ষ্য।
অর্থমন্ত্রী জানান, নির্বাচনি ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে এবং শহরের প্রতিটি ওয়ার্ডে এক বা একাধিক আধুনিক প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট স্থাপনের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। পাশাপাশি সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষার আওতায় প্রত্যেক নাগরিককে জাতীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত করে আধুনিক ‘ই-হেলথ কার্ড’ প্রদান করা হবে।
এ ছাড়া জটিল রোগের চিকিৎসা সহজলভ্য করতে প্রতিটি জেলা হাসপাতাল ও সংশ্লিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে সমন্বিতভাবে পূর্ণাঙ্গ ‘সেকেন্ডারি স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট’ হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু। তিনি বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি মা, নবজাতক, শিশু ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা এবং ফিজিওথেরাপি সুবিধা সম্প্রসারণ করা হবে। সার্জারিসহ বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা জেলা সদর হাসপাতালগুলোতে কেন্দ্রীভূত করা হবে। সেখানে করোনারি কেয়ার ইউনিট ও কিডনি ডায়ালাইসিস সুবিধাও থাকবে।
অর্থমন্ত্রী জানান, রোগী পরিবহনের দুর্ভোগ কমাতে দেশব্যাপী ‘জাতীয় অ্যাম্বুলেন্স পুল ও জরুরি সেবা নেটওয়ার্ক’ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের খর্বাকৃতি (স্টান্টিং) সমস্যা মোকাবিলায় বহুমুখী জাতীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। সরকার একটি বিজ্ঞানভিত্তিক ও আধুনিক জাতীয় পুষ্টি কর্মসূচি প্রণয়নেও কাজ করছে।
ওষুধ শিল্পের বিকাশে এপিআই (অ্যাকটিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রেডিয়েন্ট) শিল্পপার্কসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, গবেষণা ও বিনিয়োগে সহায়তা অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। এলডিসি থেকে উত্তরণের পর বৈশ্বিক বাজারে দেশের ওষুধ শিল্পের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে আর্থিক প্রণোদনা ও নীতিগত সহায়তা দেওয়া হবে। পাশাপাশি প্রত্যন্ত অঞ্চলেও প্রয়োজনীয় ওষুধ ও টিকা পৌঁছে দিতে আধুনিক সরবরাহ নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হবে।
বাজেট বক্তৃতায় হামের প্রাদুর্ভাবের বিষয়টিও তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, অতীতের অব্যবস্থাপনা ও পরিকল্পনার ঘাটতির কারণে দেশে হামের প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের প্রথম ১০০ দিনের মধ্যেই প্রায় শতভাগ শিশুকে হাম-রুবেলা টিকার আওতায় আনা হচ্ছে।
চিকিৎসা শিক্ষার আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি, আধুনিক ক্লিনিক্যাল শিক্ষা এবং ইন্টিগ্রেটেড মডিউলার পদ্ধতি অন্তর্ভুক্ত করে নতুন এমবিবিএস কারিকুলাম চালুর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া দীর্ঘদিনের শূন্যপদ পূরণে ৫ হাজার এমবিবিএস চিকিৎসক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নার্সিং ও মিডওয়াইফারি শিক্ষায় উচ্চশিক্ষা ও পেশাগত উন্নয়নের সুযোগও সম্প্রসারণ করা হবে।
অর্থমন্ত্রী জানান, মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে দেশব্যাপী নতুন করে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হয়েছে, যার ৮০ শতাংশ হবেন নারী। পাশাপাশি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদা পূরণে শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য চার মাস মেয়াদি ‘জেনারেল কেয়ারগিভার’ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করা হয়েছে।
সরকার চিকিৎসা সরঞ্জাম ও মেডিকেল ডিভাইস শিল্পকে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাত হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে বলেও জানান অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, সীমিত আয়ের মানুষের চিকিৎসা ব্যয়ের চাপ কমানো, মানসম্মত ওষুধের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা এবং সার্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা প্রতিষ্ঠাই সরকারের লক্ষ্য।

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জন্য ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা দেশের জিডিপির ১ দশমিক ০১ শতাংশ। গত অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে এ খাতে বরাদ্দ ছিল ৩৫ হাজার ৪৭৭ কোটি টাকা (জিডিপির ০ দশমিক ৫৮%)। এ হিসেবে আসন্ন অর্থবছরে এই খাতে বরাদ্দ ৩৩ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা বেড়েছে, অর্থাৎ প্রায় দ্বিগুণ।
একই সঙ্গে দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন ও শহরের প্রতিটি ওয়ার্ডে আধুনিক প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট স্থাপন, সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালু এবং স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে চিকিৎসাকেন্দ্রিক থেকে প্রতিরোধকেন্দ্রিক ব্যবস্থায় রূপান্তরের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় এসব পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী। বাজেট বক্তৃতায় তিনি বলেন, সর্বজনীন ও ন্যায়সংগত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা, গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া, মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা এবং স্বাস্থ্য প্রযুক্তি ও চিকিৎসা শিল্পের বিকাশ ঘটানো সরকারের প্রধান লক্ষ্য।
অর্থমন্ত্রী জানান, নির্বাচনি ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে এবং শহরের প্রতিটি ওয়ার্ডে এক বা একাধিক আধুনিক প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট স্থাপনের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। পাশাপাশি সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষার আওতায় প্রত্যেক নাগরিককে জাতীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত করে আধুনিক ‘ই-হেলথ কার্ড’ প্রদান করা হবে।
এ ছাড়া জটিল রোগের চিকিৎসা সহজলভ্য করতে প্রতিটি জেলা হাসপাতাল ও সংশ্লিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে সমন্বিতভাবে পূর্ণাঙ্গ ‘সেকেন্ডারি স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট’ হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু। তিনি বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি মা, নবজাতক, শিশু ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা এবং ফিজিওথেরাপি সুবিধা সম্প্রসারণ করা হবে। সার্জারিসহ বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা জেলা সদর হাসপাতালগুলোতে কেন্দ্রীভূত করা হবে। সেখানে করোনারি কেয়ার ইউনিট ও কিডনি ডায়ালাইসিস সুবিধাও থাকবে।
অর্থমন্ত্রী জানান, রোগী পরিবহনের দুর্ভোগ কমাতে দেশব্যাপী ‘জাতীয় অ্যাম্বুলেন্স পুল ও জরুরি সেবা নেটওয়ার্ক’ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের খর্বাকৃতি (স্টান্টিং) সমস্যা মোকাবিলায় বহুমুখী জাতীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। সরকার একটি বিজ্ঞানভিত্তিক ও আধুনিক জাতীয় পুষ্টি কর্মসূচি প্রণয়নেও কাজ করছে।
ওষুধ শিল্পের বিকাশে এপিআই (অ্যাকটিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রেডিয়েন্ট) শিল্পপার্কসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, গবেষণা ও বিনিয়োগে সহায়তা অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। এলডিসি থেকে উত্তরণের পর বৈশ্বিক বাজারে দেশের ওষুধ শিল্পের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে আর্থিক প্রণোদনা ও নীতিগত সহায়তা দেওয়া হবে। পাশাপাশি প্রত্যন্ত অঞ্চলেও প্রয়োজনীয় ওষুধ ও টিকা পৌঁছে দিতে আধুনিক সরবরাহ নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হবে।
বাজেট বক্তৃতায় হামের প্রাদুর্ভাবের বিষয়টিও তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, অতীতের অব্যবস্থাপনা ও পরিকল্পনার ঘাটতির কারণে দেশে হামের প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের প্রথম ১০০ দিনের মধ্যেই প্রায় শতভাগ শিশুকে হাম-রুবেলা টিকার আওতায় আনা হচ্ছে।
চিকিৎসা শিক্ষার আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি, আধুনিক ক্লিনিক্যাল শিক্ষা এবং ইন্টিগ্রেটেড মডিউলার পদ্ধতি অন্তর্ভুক্ত করে নতুন এমবিবিএস কারিকুলাম চালুর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া দীর্ঘদিনের শূন্যপদ পূরণে ৫ হাজার এমবিবিএস চিকিৎসক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নার্সিং ও মিডওয়াইফারি শিক্ষায় উচ্চশিক্ষা ও পেশাগত উন্নয়নের সুযোগও সম্প্রসারণ করা হবে।
অর্থমন্ত্রী জানান, মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে দেশব্যাপী নতুন করে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হয়েছে, যার ৮০ শতাংশ হবেন নারী। পাশাপাশি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদা পূরণে শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য চার মাস মেয়াদি ‘জেনারেল কেয়ারগিভার’ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করা হয়েছে।
সরকার চিকিৎসা সরঞ্জাম ও মেডিকেল ডিভাইস শিল্পকে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাত হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে বলেও জানান অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, সীমিত আয়ের মানুষের চিকিৎসা ব্যয়ের চাপ কমানো, মানসম্মত ওষুধের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা এবং সার্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা প্রতিষ্ঠাই সরকারের লক্ষ্য।

বিধান অনুযায়ী, কোনো করদাতা জমি, ভবন বা অ্যাপার্টমেন্ট ক্রয়ের ক্ষেত্রে প্রকৃত মূল্য দলিলমূল্যের চেয়ে বেশি হলে সেই অতিরিক্ত অপ্রদর্শিত অর্থের ওপর ব্যক্তিশ্রেণির জন্য প্রযোজ্য নিয়মিত হারে আয়কর পরিশোধ করে তা বৈধ করতে পারবেন।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান কেরু অ্যান্ড কোম্পানির উৎপাদিত মদের ওপর নতুন করে মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে সরকার। নতুন এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে কেরুর উৎপাদিত দেশি ও বিদেশি উভয় ব্র্যান্ডের মদের দাম প্রতি লিটারে ৫০০ টাকা কর বসবে।
৩ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদদের পরিবারকে ২০ হাজার টাকা করে মাসিক ভাতা দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া এ, বি ও সি ক্যাটাগরিতে আহতরা যথাক্রমে ২০, ১৫ ও ১০ হাজার টাকা মাসিক ভাতা পাচ্ছেন। আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে এই ভাতার পরিমাণ অব্যাহত রাখার প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে প্রতিরক্ষা খাতের জন্য ৪২ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ ছিল ৪০ হাজার ৬৬১ কোটি টাকা। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে প্রতিরক্ষা বাজেট প্রায় এক হাজার ৮৩৬ কোটি টাকা বেড়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে