
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশে ডিসেম্বর মাসে গড় মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ১০ দশমিক ৮৯ শতাংশে। একই সময়ে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ১২ দশমিক ৯২ শতাংশ হয়েছে।
সোমবার (৬ জানুয়ারি) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো প্রকাশিত ভোক্তামূল্য সূচক বা সিপিআইয়ে এ তথ্য উঠে এসেছে।
বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, ডিসেম্বরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ১২ দশমিক ৯২ শতাংশে, যা নভেম্বরে ছিল ১৩ দশমিক ৮০ শতাংশ। খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ২৬ শতাংশে, যা আগের মাসে ছিল ৯ দশমিক ৩৯ শতাংশ।
বিবিএসের তথ্য অনুসারে, ডিসেম্বরে গ্রামাঞ্চলে মূল্যস্ফীতি ছিল ১১ দশমিক ০৯ শতাংশ, যা নভেম্বরে ১১ দশমিক ৫৩ শতাংশ ছিল।
অন্যদিকে, শহরাঞ্চলে মূল্যস্ফীতি ডিসেম্বরে ছিল ১০ দশমিক ৮৪ শতাংশ, যা নভেম্বরে ছিল ১১ দশমিক ৩৭ শতাংশ।

বাংলাদেশে ডিসেম্বর মাসে গড় মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ১০ দশমিক ৮৯ শতাংশে। একই সময়ে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ১২ দশমিক ৯২ শতাংশ হয়েছে।
সোমবার (৬ জানুয়ারি) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো প্রকাশিত ভোক্তামূল্য সূচক বা সিপিআইয়ে এ তথ্য উঠে এসেছে।
বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, ডিসেম্বরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ১২ দশমিক ৯২ শতাংশে, যা নভেম্বরে ছিল ১৩ দশমিক ৮০ শতাংশ। খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ২৬ শতাংশে, যা আগের মাসে ছিল ৯ দশমিক ৩৯ শতাংশ।
বিবিএসের তথ্য অনুসারে, ডিসেম্বরে গ্রামাঞ্চলে মূল্যস্ফীতি ছিল ১১ দশমিক ০৯ শতাংশ, যা নভেম্বরে ১১ দশমিক ৫৩ শতাংশ ছিল।
অন্যদিকে, শহরাঞ্চলে মূল্যস্ফীতি ডিসেম্বরে ছিল ১০ দশমিক ৮৪ শতাংশ, যা নভেম্বরে ছিল ১১ দশমিক ৩৭ শতাংশ।

বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ২২ ক্যারেট সোনার দাম ছিল ভরিপ্রতি ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। আজ নতুন দরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা, অর্থাৎ ভরিতে দাম বেড়েছে ২ হাজার ২১৬ টাকা।
৬ দিন আগে
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিশ্ববাজারের সাথে সমন্বয় করতেই এই মূল্যবৃদ্ধি।
৬ দিন আগে
আশিক চৌধুরী বলেন, ‘এই সরকারের আমলে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারার চুক্তি হচ্ছে না। তারা আমাদের কাছে একটু সময় চেয়েছে। কিন্তু আমাদের হাতে মাত্র দুটি কার্যদিবস বাকি আছে। তাই এ সময়ের মধ্যে (চুক্তি) হচ্ছে না।’
৬ দিন আগে
পাকিস্তান রেলওয়ের পক্ষ থেকে কম খরচে মানসম্মত কোচ সরবরাহের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে এই সফর অনুষ্ঠিত হয়। মূলত দুই দেশের ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্ক এবং রেলওয়ে খাতের আধুনিকায়নে পারস্পরিক অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা সফল হলে বাংলাদেশের রেল যোগাযোগে নতুন গতির সঞ্চার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
৭ দিন আগে