
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

পবিত্র রমজান ও ঈদ উপলক্ষে বিশাল অফার নিয়ে এসেছে মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান নগদ। প্রতিষ্ঠানটির ইসলামিক অ্যাপ বা *১৬৭# ডায়াল করে মোবাইল রিচার্জ, পেমেন্ট, ব্যাংক বা কার্ড থেকে অ্যাড মানিসহ যেকোনো লেনদেন করে গ্রাহকরা পেতে পারেন মক্কা ও মদিনা সফরের সুযোগ।
নগদ অ্যাপ বা *১৬৭# ডায়াল করে যেকোনো পরিমাণ টাকা লেনদেন করলেই নির্বাচিত হতে পারেন মক্কা ও মদিনা সফরের জন্য। এ জন্য লেনদেনের কোনো সর্বনিম্ন সীমা নেই। যেকোনো পরিমাণ লেনদেন করলেই এ সুযোগ পাওয়া যেতে পারে।
এক্ষেত্রে মোবাইল রিচার্জ, পেমেন্ট, ব্যাংক বা কার্ড থেকে অ্যাড মানিসহ যেকোনো লেনদেনই বিবেচ্য হবে। কেবল শর্ত হচ্ছে, নগদ ইসলামিকের ব্যবহারকারী হতে হবে এবং পরিপূর্ণ সক্রিয় একটি নগদ ইসলামিক অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে।
যদি কোনো নগদ ইসলামিক গ্রাহক মক্কা-মদিনা সফরের জন্য মনোনীত হন, তাহলে পরবর্তী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে তাকে নগদ ইসলামিক-এর গ্রাহক সেবা থেকে এসএমএস অথবা কলের মাধ্যমে জানানো হবে এবং উপহার গ্রহণের জন্য নির্দিষ্ট তারিখ ও স্থানে নির্ধারিত তারিখ ও সময়ে উপস্থিত হতে হবে। সেক্ষেত্রে কেউ যদি কল রিসিভ করতে ব্যর্থ হন বা কোনো কারণে নির্ধারিত তারিখ ও স্থানে উপস্থিত হতে ব্যর্থ হন, তাহলে তিনি আর উপহারটি গ্রহণের যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন না।
একজন মনোনীত নগদ ইসলামিক গ্রাহক উপহারটি শুধু একবারই এই উপহার উপভোগ করার সুযোগ পাবেন। নির্ধারিত ট্রাভেল এজেন্সি ‘মক্কা-মদিনা সফর’ উপহারটি ও সফর সংক্রান্ত সব সেবার জন্য দায়বদ্ধ থাকবে। নগদ ইসলামিক শুধু বিজয়ী নির্বাচন, ঘোষণা এবং পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার হিসেবে দায়বদ্ধ থাকবে।
এ বিষয়ে নগদের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও শরিয়াহ সুপারভাইজরি কমিটির সদস্য মোহাম্মদ আমিনুল হক বলেন, এমএফএস হিসেবে নগদই প্রথম ইসলামিক এমএফএস সেবা চালু করেছে। আমরা চাই ধর্মীয় বিধিবিধান মেনে চলা মুসলমান গ্রাহকরা তাদের পছন্দমতো লেনদেন যেন, নগদ ইসলামিকের মাধ্যমে করতে পারেন। অনেকের মক্কা-মদিনা ভ্রমণের ইচ্ছাপূরণ করার জন্য আমরা নতুন ক্যাম্পেইন নিয়ে এসেছি।

পবিত্র রমজান ও ঈদ উপলক্ষে বিশাল অফার নিয়ে এসেছে মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান নগদ। প্রতিষ্ঠানটির ইসলামিক অ্যাপ বা *১৬৭# ডায়াল করে মোবাইল রিচার্জ, পেমেন্ট, ব্যাংক বা কার্ড থেকে অ্যাড মানিসহ যেকোনো লেনদেন করে গ্রাহকরা পেতে পারেন মক্কা ও মদিনা সফরের সুযোগ।
নগদ অ্যাপ বা *১৬৭# ডায়াল করে যেকোনো পরিমাণ টাকা লেনদেন করলেই নির্বাচিত হতে পারেন মক্কা ও মদিনা সফরের জন্য। এ জন্য লেনদেনের কোনো সর্বনিম্ন সীমা নেই। যেকোনো পরিমাণ লেনদেন করলেই এ সুযোগ পাওয়া যেতে পারে।
এক্ষেত্রে মোবাইল রিচার্জ, পেমেন্ট, ব্যাংক বা কার্ড থেকে অ্যাড মানিসহ যেকোনো লেনদেনই বিবেচ্য হবে। কেবল শর্ত হচ্ছে, নগদ ইসলামিকের ব্যবহারকারী হতে হবে এবং পরিপূর্ণ সক্রিয় একটি নগদ ইসলামিক অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে।
যদি কোনো নগদ ইসলামিক গ্রাহক মক্কা-মদিনা সফরের জন্য মনোনীত হন, তাহলে পরবর্তী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে তাকে নগদ ইসলামিক-এর গ্রাহক সেবা থেকে এসএমএস অথবা কলের মাধ্যমে জানানো হবে এবং উপহার গ্রহণের জন্য নির্দিষ্ট তারিখ ও স্থানে নির্ধারিত তারিখ ও সময়ে উপস্থিত হতে হবে। সেক্ষেত্রে কেউ যদি কল রিসিভ করতে ব্যর্থ হন বা কোনো কারণে নির্ধারিত তারিখ ও স্থানে উপস্থিত হতে ব্যর্থ হন, তাহলে তিনি আর উপহারটি গ্রহণের যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন না।
একজন মনোনীত নগদ ইসলামিক গ্রাহক উপহারটি শুধু একবারই এই উপহার উপভোগ করার সুযোগ পাবেন। নির্ধারিত ট্রাভেল এজেন্সি ‘মক্কা-মদিনা সফর’ উপহারটি ও সফর সংক্রান্ত সব সেবার জন্য দায়বদ্ধ থাকবে। নগদ ইসলামিক শুধু বিজয়ী নির্বাচন, ঘোষণা এবং পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার হিসেবে দায়বদ্ধ থাকবে।
এ বিষয়ে নগদের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও শরিয়াহ সুপারভাইজরি কমিটির সদস্য মোহাম্মদ আমিনুল হক বলেন, এমএফএস হিসেবে নগদই প্রথম ইসলামিক এমএফএস সেবা চালু করেছে। আমরা চাই ধর্মীয় বিধিবিধান মেনে চলা মুসলমান গ্রাহকরা তাদের পছন্দমতো লেনদেন যেন, নগদ ইসলামিকের মাধ্যমে করতে পারেন। অনেকের মক্কা-মদিনা ভ্রমণের ইচ্ছাপূরণ করার জন্য আমরা নতুন ক্যাম্পেইন নিয়ে এসেছি।

বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ২২ ক্যারেট সোনার দাম ছিল ভরিপ্রতি ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। আজ নতুন দরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা, অর্থাৎ ভরিতে দাম বেড়েছে ২ হাজার ২১৬ টাকা।
৮ দিন আগে
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিশ্ববাজারের সাথে সমন্বয় করতেই এই মূল্যবৃদ্ধি।
৮ দিন আগে
আশিক চৌধুরী বলেন, ‘এই সরকারের আমলে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারার চুক্তি হচ্ছে না। তারা আমাদের কাছে একটু সময় চেয়েছে। কিন্তু আমাদের হাতে মাত্র দুটি কার্যদিবস বাকি আছে। তাই এ সময়ের মধ্যে (চুক্তি) হচ্ছে না।’
৯ দিন আগে
পাকিস্তান রেলওয়ের পক্ষ থেকে কম খরচে মানসম্মত কোচ সরবরাহের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে এই সফর অনুষ্ঠিত হয়। মূলত দুই দেশের ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্ক এবং রেলওয়ে খাতের আধুনিকায়নে পারস্পরিক অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা সফল হলে বাংলাদেশের রেল যোগাযোগে নতুন গতির সঞ্চার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
৯ দিন আগে