
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

চলতি বছরের প্রথম চার দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২২ কোটি ৬৭ লাখ মার্কিন ডলার। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৫ কোটি ৬৬ লাখ ডলার।
সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
হালনাগাদে বলা হয়, জানুয়ারির প্রথম চার দিনে দেশে এসেছে ২২ কোটি ৬৭ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।
রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৭ কোটি ২২ লাখ ডলার। এছাড়া বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে ১ কোটি ১ লাখ ১০ হাজার ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ১৪ কোটি ৩৯ লাখ ৯০ হাজার ডলার ও বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৪ লাখ ৪০ হাজার ডলার।
এদিকে, সদ্যবিদায়ী ডিসেম্বর মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৬৩ কোটি ৮৭ লাখ মার্কিন ডলার, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। একক মাস হিসাবে আগে কখনোই এত পরিমাণ রেমিট্যান্স আসেনি।

চলতি বছরের প্রথম চার দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২২ কোটি ৬৭ লাখ মার্কিন ডলার। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৫ কোটি ৬৬ লাখ ডলার।
সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
হালনাগাদে বলা হয়, জানুয়ারির প্রথম চার দিনে দেশে এসেছে ২২ কোটি ৬৭ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।
রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৭ কোটি ২২ লাখ ডলার। এছাড়া বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে ১ কোটি ১ লাখ ১০ হাজার ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ১৪ কোটি ৩৯ লাখ ৯০ হাজার ডলার ও বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৪ লাখ ৪০ হাজার ডলার।
এদিকে, সদ্যবিদায়ী ডিসেম্বর মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৬৩ কোটি ৮৭ লাখ মার্কিন ডলার, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। একক মাস হিসাবে আগে কখনোই এত পরিমাণ রেমিট্যান্স আসেনি।

বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ২২ ক্যারেট সোনার দাম ছিল ভরিপ্রতি ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। আজ নতুন দরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা, অর্থাৎ ভরিতে দাম বেড়েছে ২ হাজার ২১৬ টাকা।
৬ দিন আগে
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিশ্ববাজারের সাথে সমন্বয় করতেই এই মূল্যবৃদ্ধি।
৬ দিন আগে
আশিক চৌধুরী বলেন, ‘এই সরকারের আমলে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারার চুক্তি হচ্ছে না। তারা আমাদের কাছে একটু সময় চেয়েছে। কিন্তু আমাদের হাতে মাত্র দুটি কার্যদিবস বাকি আছে। তাই এ সময়ের মধ্যে (চুক্তি) হচ্ছে না।’
৬ দিন আগে
পাকিস্তান রেলওয়ের পক্ষ থেকে কম খরচে মানসম্মত কোচ সরবরাহের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে এই সফর অনুষ্ঠিত হয়। মূলত দুই দেশের ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্ক এবং রেলওয়ে খাতের আধুনিকায়নে পারস্পরিক অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা সফল হলে বাংলাদেশের রেল যোগাযোগে নতুন গতির সঞ্চার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
৭ দিন আগে