
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ার ঘোষণার ১২ ঘণ্টা পার হতে না হতেই আবারও বড় দরপতনের খবর জানালো বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্তে প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ২৬৬ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে। এতে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার দাম নেমে এসেছে ২ লাখ ৫৮ হাজার টাকায়, যা সকালে ছিল ২ লাখ ৬২ হাজার টাকা।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ১০টার দিকে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। ঘোষিত নতুন দর রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে কার্যকর হবে।
বাজুস জানায়, তেজাবি বা পিওর গোল্ডের দাম কমে যাওয়ায় স্থানীয় বাজারে সোনার দর সমন্বয় করা হয়েছে।
নতুন তালিকা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট সোনার প্রতি ভরি দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। ২১ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার ভরি ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।
সোনার দরে পরিবর্তন এলেও রুপার দামে কোনো সংশোধন হয়নি।
২২ ক্যারেট রুপার ভরি ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা, ২১ ক্যারেট ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৫ হাজার ১৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৩ হাজার ৯০৭ টাকায় অপরিবর্তিত রয়েছে।
এদিকে দেশীয় বাজারে দর কমলেও আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম ঊর্ধ্বমুখী। স্বর্ণ ও রুপার দামের তথ্যভিত্তিক ওয়েবসাইট গোল্ডপ্রাইস ওআরজি জানায়, বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৯৬৬ ডলারে, যা আগের দিন ছিল ৪ হাজার ৮৫০ ডলার।
এর আগে ৩০ জানুয়ারি স্বর্ণের দাম ছিল ৫ হাজার ২০০ ডলার এবং ২৯ জানুয়ারি তা বেড়ে ৫ হাজার ৫৫০ ডলারে পৌঁছায়।
উল্লেখ্য, জানুয়ারির শেষ দিকে বিশ্ববাজারে দাম দ্রুত বাড়ায় দেশীয় বাজারেও রেকর্ড বৃদ্ধি পায়। ২৯ জানুয়ারি সকালে এক ধাপে ভরিপ্রতি ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বাড়িয়ে বাজুস সোনার সর্বোচ্চ দাম নির্ধারণ করে ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকা যা দেশের ইতিহাসে এক ধাপে সর্বোচ্চ বৃদ্ধি হিসেবে ধরা হয়।

দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ার ঘোষণার ১২ ঘণ্টা পার হতে না হতেই আবারও বড় দরপতনের খবর জানালো বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্তে প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ২৬৬ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে। এতে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার দাম নেমে এসেছে ২ লাখ ৫৮ হাজার টাকায়, যা সকালে ছিল ২ লাখ ৬২ হাজার টাকা।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ১০টার দিকে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। ঘোষিত নতুন দর রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে কার্যকর হবে।
বাজুস জানায়, তেজাবি বা পিওর গোল্ডের দাম কমে যাওয়ায় স্থানীয় বাজারে সোনার দর সমন্বয় করা হয়েছে।
নতুন তালিকা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট সোনার প্রতি ভরি দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। ২১ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার ভরি ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।
সোনার দরে পরিবর্তন এলেও রুপার দামে কোনো সংশোধন হয়নি।
২২ ক্যারেট রুপার ভরি ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা, ২১ ক্যারেট ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৫ হাজার ১৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৩ হাজার ৯০৭ টাকায় অপরিবর্তিত রয়েছে।
এদিকে দেশীয় বাজারে দর কমলেও আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম ঊর্ধ্বমুখী। স্বর্ণ ও রুপার দামের তথ্যভিত্তিক ওয়েবসাইট গোল্ডপ্রাইস ওআরজি জানায়, বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৯৬৬ ডলারে, যা আগের দিন ছিল ৪ হাজার ৮৫০ ডলার।
এর আগে ৩০ জানুয়ারি স্বর্ণের দাম ছিল ৫ হাজার ২০০ ডলার এবং ২৯ জানুয়ারি তা বেড়ে ৫ হাজার ৫৫০ ডলারে পৌঁছায়।
উল্লেখ্য, জানুয়ারির শেষ দিকে বিশ্ববাজারে দাম দ্রুত বাড়ায় দেশীয় বাজারেও রেকর্ড বৃদ্ধি পায়। ২৯ জানুয়ারি সকালে এক ধাপে ভরিপ্রতি ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বাড়িয়ে বাজুস সোনার সর্বোচ্চ দাম নির্ধারণ করে ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকা যা দেশের ইতিহাসে এক ধাপে সর্বোচ্চ বৃদ্ধি হিসেবে ধরা হয়।

বাজার বিশ্লেষকরা জানান, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল এবং ইরানের মধ্যকার যুদ্ধ ও সংঘাতের কারণে বিশ্বজুড়ে তেলের ব্যবহারে ব্যাঘাত ঘটছে। ফলে পূর্বাভাসদাতারা ২০২৬ সালের বিশ্বব্যাপী তেলের চাহিদার মাত্রা আগের চেয়ে কমিয়ে এনেছেন। বিশ্বজুড়ে চাহিদা কমার এই আশঙ্কাই মূলত তেলের দাম কমার পেছনে বড় ভূমিকা রাখছে। তবে এ
৪ দিন আগে
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, সব আলোকিত বিলবোর্ড ও সাইনবোর্ড সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে। দোকান, মার্কেট ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের সব ধরনের আলোও সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
৪ দিন আগে
চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তা মূল্যসূচক (সিপিআই) ও উৎপাদক মূল্যসূচকের (পিপিআই) তথ্য প্রকাশের কথা রয়েছে। এর ওপর নির্ভর করেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আগামী মুদ্রানীতি নির্ধারিত হতে পারে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মূল্যস্ফীতি সহনীয় পর্যায়ে থাকলে তা সোনার বাজারের জন্য ইতিবাচক হবে।
৪ দিন আগে
এদিকে জুলাই মাসের এ মূল্যস্ফীতি গত আট মাসের মধ্যে মূল্যস্ফীতির সর্বনিম্ন হার। এর আগে ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে সাধারণ মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৪৯ শতাংশ। এর পরের সাত মাসের কোনোটিতেই মূল্যস্ফীতি এত কম ছিল না।
৫ দিন আগে