
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

এক্সিম ব্যাংকের ২৫তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) বৃহস্পতিবার এক্সিম ব্যাংক প্রধান কার্যালয় থেকে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়।
এতে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মোঃ নজরুল ইসলাম মজুমদার।
২৫তম বার্ষিক সাধারণ সভায় ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে সমাপ্ত অর্থ বছরের আর্থিক বিবরণী, নিরীক্ষিত স্থিতিপত্র ও লাভ লোকসান হিসাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করে তা গ্রহণ করা হয় এবং উক্ত বছরের জন্য ১০% নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ এমপি, মোঃনজরুল ইসলাম স্বপন, মোঃ নূরুল আমিন ফারুক, অঞ্জন কুমার সাহা, স্বতন্ত্র পরিচালক মোঃ নাজমুস সালেহিন এবং মিয়া মোহাম্মদ কাওসার আলম, ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ ফিরোজ হোসেন, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ হুমায়ূন কবীর, শাহ্ মোঃ আব্দুল বারী, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাঃ জসিম উদ্দিন ভূঞা, মাকসুদা খানম এবং কোম্পানি সেক্রেটারি মোঃ মনিরুল ইসলাম।
সভাপতির বক্তব্যে মোঃ নজরুল ইসলাম মজুমদার বিগত বছরে ব্যাংকিং সেক্টরে নানামুখী প্রতিকুলতা থাকা সত্ত্বেও এক্সিম ব্যাংকের সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং পরিচালনা পর্ষদের কার্যক্রমকে সমর্থন করায় শেয়ারহোল্ডারবৃন্দকে ধন্যবাদ জানান।
সাধারণ সভায় অনলাইনে সংযুক্ত শেয়ারহোল্ডারবৃন্দের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ ফিরোজ হোসেন।তিনি ব্যাংকের প্রতিটি কার্যক্রমে সহযোগিতা করার জন্য শেয়ারহোল্ডারবৃন্দকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
২৫তম বার্ষিক সাধারণ সভায় ভার্চুয়ালি উপস্থিত থেকে বিপুল সংখ্যক শেয়ারহোল্ডার বিগত বছরে ব্যাংকিং সেক্টরে বিভিন্ন সমস্যা থাকার পরেও এক্সিম ব্যাংকের অভাবনীয় সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তাঁরা অগ্রগতির এই ধারা অব্যাহত রাখার জন্য পরিচালনা পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষকে সর্বাত্মক সমর্থন ও সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং ব্যাংক সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান। বিজ্ঞপ্তি

এক্সিম ব্যাংকের ২৫তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) বৃহস্পতিবার এক্সিম ব্যাংক প্রধান কার্যালয় থেকে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়।
এতে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মোঃ নজরুল ইসলাম মজুমদার।
২৫তম বার্ষিক সাধারণ সভায় ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে সমাপ্ত অর্থ বছরের আর্থিক বিবরণী, নিরীক্ষিত স্থিতিপত্র ও লাভ লোকসান হিসাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করে তা গ্রহণ করা হয় এবং উক্ত বছরের জন্য ১০% নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ এমপি, মোঃনজরুল ইসলাম স্বপন, মোঃ নূরুল আমিন ফারুক, অঞ্জন কুমার সাহা, স্বতন্ত্র পরিচালক মোঃ নাজমুস সালেহিন এবং মিয়া মোহাম্মদ কাওসার আলম, ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ ফিরোজ হোসেন, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ হুমায়ূন কবীর, শাহ্ মোঃ আব্দুল বারী, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাঃ জসিম উদ্দিন ভূঞা, মাকসুদা খানম এবং কোম্পানি সেক্রেটারি মোঃ মনিরুল ইসলাম।
সভাপতির বক্তব্যে মোঃ নজরুল ইসলাম মজুমদার বিগত বছরে ব্যাংকিং সেক্টরে নানামুখী প্রতিকুলতা থাকা সত্ত্বেও এক্সিম ব্যাংকের সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং পরিচালনা পর্ষদের কার্যক্রমকে সমর্থন করায় শেয়ারহোল্ডারবৃন্দকে ধন্যবাদ জানান।
সাধারণ সভায় অনলাইনে সংযুক্ত শেয়ারহোল্ডারবৃন্দের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ ফিরোজ হোসেন।তিনি ব্যাংকের প্রতিটি কার্যক্রমে সহযোগিতা করার জন্য শেয়ারহোল্ডারবৃন্দকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
২৫তম বার্ষিক সাধারণ সভায় ভার্চুয়ালি উপস্থিত থেকে বিপুল সংখ্যক শেয়ারহোল্ডার বিগত বছরে ব্যাংকিং সেক্টরে বিভিন্ন সমস্যা থাকার পরেও এক্সিম ব্যাংকের অভাবনীয় সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তাঁরা অগ্রগতির এই ধারা অব্যাহত রাখার জন্য পরিচালনা পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষকে সর্বাত্মক সমর্থন ও সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং ব্যাংক সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান। বিজ্ঞপ্তি

বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ২২ ক্যারেট সোনার দাম ছিল ভরিপ্রতি ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। আজ নতুন দরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা, অর্থাৎ ভরিতে দাম বেড়েছে ২ হাজার ২১৬ টাকা।
৭ দিন আগে
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিশ্ববাজারের সাথে সমন্বয় করতেই এই মূল্যবৃদ্ধি।
৮ দিন আগে
আশিক চৌধুরী বলেন, ‘এই সরকারের আমলে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারার চুক্তি হচ্ছে না। তারা আমাদের কাছে একটু সময় চেয়েছে। কিন্তু আমাদের হাতে মাত্র দুটি কার্যদিবস বাকি আছে। তাই এ সময়ের মধ্যে (চুক্তি) হচ্ছে না।’
৮ দিন আগে
পাকিস্তান রেলওয়ের পক্ষ থেকে কম খরচে মানসম্মত কোচ সরবরাহের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে এই সফর অনুষ্ঠিত হয়। মূলত দুই দেশের ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্ক এবং রেলওয়ে খাতের আধুনিকায়নে পারস্পরিক অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা সফল হলে বাংলাদেশের রেল যোগাযোগে নতুন গতির সঞ্চার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
৮ দিন আগে