
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নানাভাবে বির্তকিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত–উল–ইসলাম পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান পদ থেকে শনিবার বিদায় নিয়েছেন।
অপসারণের আগাম বার্তা পেয়ে তিনি হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে পদত্যাগ করেন। যদিও পদত্যাগপত্রে তিনি ব্যক্তিগত অসুবিধার কথা উল্লেখ করেছেন। আজ রোববার নিয়ম অনুযায়ী এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ।
শনিবার রাত ১১টার দিকে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব মো. আবদুর রহমান খানের কাছে শিবলী রুবাইয়াত উল ইসলাম পদত্যাগপত্র পাঠান।
প্রথম মেয়াদে বিভিন্ন অপরাধ করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত বেপরোয়া ছিলেন তিনি। এমনকি পদত্যাগের আগে বৃহস্পতিবার তিনি সালমান এফ রহমানের মালিকানাধীন বেক্সিমকো লিমিটেডের ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের আদেশশে সই করেন।
বাজার–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, সালমান এফ রহমানকে শেয়ার বিক্রি করে টাকা তুলে নেওয়ার সুবিধা করে দিতে এ সিদ্ধান্ত নেন তিনি। সেজন্য এসইসি কার্যালয়ে না গিয়ে বাসায় বসেই তিনি এই শেষ আদেশ জারি করেন।
অধ্যাপক রুবাইয়াতের সময়ে বেক্সিমকো গ্রুপ এবং সালমান এফ রহমান সুকুক ও বন্ড ইস্যুসহ নানা অন্যায় সুবিধা পান বলে অভিযোগ রয়েছে। শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর সব শেয়ারের দাম বাড়লেও কমছে বেক্সিমকো গ্রুপের শেয়ারের দাম। দাম আটকে থাকছে ফ্লোর প্রাইসে। এছাড়া ১০০ টাকা ফেসভ্যালুর বেক্সিমকো সুকুকের দাম ৬৬.৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে গত বৃহস্পতিবার।
শেয়ারবাজারে কারসাজিসহ বিভিন্ন ধরনের সুবিধা নিয়ে দেশে ও দেশের বাইরে সম্পদের পাহাড় গড়ার অভিযোগ রয়েছে শিবলী রুবাইয়াতের বিরুদ্ধে।
অপরাধের জন্য প্রভাবশালীদের নিয়ে অসাধু সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন। অভিযোগ রয়েছে শেয়ারবাজারে কারসাজিকারকদের নানাভাবে তিনি সহায়তা করতেন শেয়ারের দাম বাড়াতে।
দুর্নীতি ও অনিয়মের অসংখ্য অভিযোগ থাকলেও শিবলী রুবাইয়াত গত ২৮ এপ্রিল ২০২৪ দ্বিতীয় মেয়াদে বিএসইসির চেয়ারম্যান হিসেবে চার বছরের জন্য পুনর্নিয়োগ পান।
গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে পালিয়ে যাওয়ার পর থেকে তিনি কর্মস্থলে যোগ দেননি। গত ৩ আগস্ট তিনি সরকারি সফর শেষে দেশে ফেরেন।
শিবলী রুবাইয়াতের বিরুদ্ধে শেয়ারবাজারে নানা অনিয়মের অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। বিনিয়োগ আকর্ষণের নামে বিপুল টাকা অপচয় করে বিদেশি রোড শো করায় তিনি ব্যাপকভাবে সমালোচিত ছিলেন।
২০২০ সালের মে মাসে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যানের পদ থেকে বিদায় নিয়েছিলেন বিতর্কিত অধ্যাপক খায়রুল হোসেন। ওই মাসেই তার উত্তরসূরি হিসেবে নিয়োগ পান শিবলী রুবাইয়াত। দুজনই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতা থেকে দীর্ঘ মেয়াদে ছুটি নিয়ে নেতৃত্বে আসেন শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থার। সমালোচনার বোঝা মাথায় নিয়ে দুজনই চলে গেলেন।
খায়রুল হোসেন একটানা ৯ বছর দায়িত্ব পালন শেষে যখন বিদায় নেন, করোনার কারণে তখন বন্ধ ছিল শেয়ারবাজারের লেনদেন। তত দিনে টানা দরপতনে তলানিতে নেমে এসেছিল শেয়ারবাজারের সূচক।
চেয়ারম্যান খায়রুল হোসেনের প্রতি ছিল না সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আস্থা। তাঁর বিরুদ্ধে ক্ষোভের প্রধান কারণ ছিল আইপিও বা প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের শেয়ারের ব্যাপক জালিয়াতি। একের পর এক দুর্বল ও খারাপ কোম্পানিকে বাজারে আসার সুযোগ করে দেওয়ায় আইপিওবাজার ধ্বংস হয়ে গেছে—এমন অভিযোগ ছিল সংশ্লিষ্টদের মুখে মুখে।
খায়রুল হোসেনের বিদায়ের পর আশায় বুক বেঁধেছিলেন বিনিয়োগকারীরা।
শুরুতে তাই শিবলী রুবাইয়াত যেসব উদ্যোগ নিয়েছেন, বিনিয়োগকারীরা তাতে সমর্থন দিয়েছেন।
শিবলী কমিশনের প্রথম দেড় বছরের নানা উদ্যোগের ফলে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ২০২১ সালের ১০ অক্টোবর ৭ হাজার ৩৬৮ পয়েন্টের রেকর্ড উচ্চতায় উঠে যায়। এ সময়ের মধ্যে ঢাকার বাজারের লেনদেনও তিন হাজার কোটি টাকার কাছাকাছি পৌঁছে যায়। এরপর দফায় দফায় ধস নামে। তিনি নিজেই শেয়ার কারসাজি চক্রের খপ্পরে পড়েন বলে অভিযোগ আছে।
একাধিক ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীর সঙ্গে যোগাযোগ করে হলে তারা রাজনীতি ডটকমকে জানান, পদত্যাগ করেই শিবলী রুবাইয়াত যেনো পার না পেয়ে যান। তার বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো সুষ্ঠু তদন্ত করে তাকে বিচারের মুখোমুখি করার দাবি ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের।

নানাভাবে বির্তকিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত–উল–ইসলাম পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান পদ থেকে শনিবার বিদায় নিয়েছেন।
অপসারণের আগাম বার্তা পেয়ে তিনি হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে পদত্যাগ করেন। যদিও পদত্যাগপত্রে তিনি ব্যক্তিগত অসুবিধার কথা উল্লেখ করেছেন। আজ রোববার নিয়ম অনুযায়ী এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ।
শনিবার রাত ১১টার দিকে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব মো. আবদুর রহমান খানের কাছে শিবলী রুবাইয়াত উল ইসলাম পদত্যাগপত্র পাঠান।
প্রথম মেয়াদে বিভিন্ন অপরাধ করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত বেপরোয়া ছিলেন তিনি। এমনকি পদত্যাগের আগে বৃহস্পতিবার তিনি সালমান এফ রহমানের মালিকানাধীন বেক্সিমকো লিমিটেডের ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের আদেশশে সই করেন।
বাজার–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, সালমান এফ রহমানকে শেয়ার বিক্রি করে টাকা তুলে নেওয়ার সুবিধা করে দিতে এ সিদ্ধান্ত নেন তিনি। সেজন্য এসইসি কার্যালয়ে না গিয়ে বাসায় বসেই তিনি এই শেষ আদেশ জারি করেন।
অধ্যাপক রুবাইয়াতের সময়ে বেক্সিমকো গ্রুপ এবং সালমান এফ রহমান সুকুক ও বন্ড ইস্যুসহ নানা অন্যায় সুবিধা পান বলে অভিযোগ রয়েছে। শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর সব শেয়ারের দাম বাড়লেও কমছে বেক্সিমকো গ্রুপের শেয়ারের দাম। দাম আটকে থাকছে ফ্লোর প্রাইসে। এছাড়া ১০০ টাকা ফেসভ্যালুর বেক্সিমকো সুকুকের দাম ৬৬.৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে গত বৃহস্পতিবার।
শেয়ারবাজারে কারসাজিসহ বিভিন্ন ধরনের সুবিধা নিয়ে দেশে ও দেশের বাইরে সম্পদের পাহাড় গড়ার অভিযোগ রয়েছে শিবলী রুবাইয়াতের বিরুদ্ধে।
অপরাধের জন্য প্রভাবশালীদের নিয়ে অসাধু সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন। অভিযোগ রয়েছে শেয়ারবাজারে কারসাজিকারকদের নানাভাবে তিনি সহায়তা করতেন শেয়ারের দাম বাড়াতে।
দুর্নীতি ও অনিয়মের অসংখ্য অভিযোগ থাকলেও শিবলী রুবাইয়াত গত ২৮ এপ্রিল ২০২৪ দ্বিতীয় মেয়াদে বিএসইসির চেয়ারম্যান হিসেবে চার বছরের জন্য পুনর্নিয়োগ পান।
গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে পালিয়ে যাওয়ার পর থেকে তিনি কর্মস্থলে যোগ দেননি। গত ৩ আগস্ট তিনি সরকারি সফর শেষে দেশে ফেরেন।
শিবলী রুবাইয়াতের বিরুদ্ধে শেয়ারবাজারে নানা অনিয়মের অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। বিনিয়োগ আকর্ষণের নামে বিপুল টাকা অপচয় করে বিদেশি রোড শো করায় তিনি ব্যাপকভাবে সমালোচিত ছিলেন।
২০২০ সালের মে মাসে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যানের পদ থেকে বিদায় নিয়েছিলেন বিতর্কিত অধ্যাপক খায়রুল হোসেন। ওই মাসেই তার উত্তরসূরি হিসেবে নিয়োগ পান শিবলী রুবাইয়াত। দুজনই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতা থেকে দীর্ঘ মেয়াদে ছুটি নিয়ে নেতৃত্বে আসেন শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থার। সমালোচনার বোঝা মাথায় নিয়ে দুজনই চলে গেলেন।
খায়রুল হোসেন একটানা ৯ বছর দায়িত্ব পালন শেষে যখন বিদায় নেন, করোনার কারণে তখন বন্ধ ছিল শেয়ারবাজারের লেনদেন। তত দিনে টানা দরপতনে তলানিতে নেমে এসেছিল শেয়ারবাজারের সূচক।
চেয়ারম্যান খায়রুল হোসেনের প্রতি ছিল না সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আস্থা। তাঁর বিরুদ্ধে ক্ষোভের প্রধান কারণ ছিল আইপিও বা প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের শেয়ারের ব্যাপক জালিয়াতি। একের পর এক দুর্বল ও খারাপ কোম্পানিকে বাজারে আসার সুযোগ করে দেওয়ায় আইপিওবাজার ধ্বংস হয়ে গেছে—এমন অভিযোগ ছিল সংশ্লিষ্টদের মুখে মুখে।
খায়রুল হোসেনের বিদায়ের পর আশায় বুক বেঁধেছিলেন বিনিয়োগকারীরা।
শুরুতে তাই শিবলী রুবাইয়াত যেসব উদ্যোগ নিয়েছেন, বিনিয়োগকারীরা তাতে সমর্থন দিয়েছেন।
শিবলী কমিশনের প্রথম দেড় বছরের নানা উদ্যোগের ফলে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ২০২১ সালের ১০ অক্টোবর ৭ হাজার ৩৬৮ পয়েন্টের রেকর্ড উচ্চতায় উঠে যায়। এ সময়ের মধ্যে ঢাকার বাজারের লেনদেনও তিন হাজার কোটি টাকার কাছাকাছি পৌঁছে যায়। এরপর দফায় দফায় ধস নামে। তিনি নিজেই শেয়ার কারসাজি চক্রের খপ্পরে পড়েন বলে অভিযোগ আছে।
একাধিক ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীর সঙ্গে যোগাযোগ করে হলে তারা রাজনীতি ডটকমকে জানান, পদত্যাগ করেই শিবলী রুবাইয়াত যেনো পার না পেয়ে যান। তার বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো সুষ্ঠু তদন্ত করে তাকে বিচারের মুখোমুখি করার দাবি ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সমিতির স্ট্যান্ডিং কমিটির এক জরুরি ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ৭০ লাখ দোকান ব্যবসায়ী ও আড়াই কোটি কর্মচারীর কথা বিবেচনা করে ঢাকাসহ সারা দেশের দোকান ও শপিং মল খোলার সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে বেলা ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখতে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ জানানোর সিদ্ধান্ত হ
২ দিন আগে
স্থানীয় শিপিং এজেন্ট প্রাইড শিপিং লাইনসের দেওয়া তথ্যমতে, মালয়েশিয়া থেকে আসা জাহাজটি আজ শনিবার বার্থিং করার কথা রয়েছে। এই বিপুল পরিমাণ ডিজেল আসায় দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ও পরিবহন খাতে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা আরও সচল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
২ দিন আগে
জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থা ইউএনসিটিএডি সতর্ক করে বলেছে, এর প্রভাবে ২০২৬ সালে বৈশ্বিক পণ্য বাণিজ্যের প্রবৃদ্ধিতে ধস নামতে পারে। ২০২৫ সালে এ প্রবৃদ্ধি ছিল ৪ দশমিক ৭ শতাংশ, যা এক বছরের ব্যবধানে কমে ২ দশমিক ৫ শতাংশ, এবং এমনকি ১ দশমিক ৫ শতাংশেও নেমে আসতে পারে।
২ দিন আগে
তিনি বলেন, জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলে কৃষি ও শিল্প খাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। উচ্চমূল্যে জ্বালানি আমদানির ফলে সরকারি তহবিলে চাপ তৈরি হওয়ায় ইতোমধ্যে সাশ্রয়ী নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে মন্ত্রী ও সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য জ্বালানি ব্যবহারে ৩০ শতাংশ রেশনিং চালু করা হয়েছে।
৩ দিন আগে