
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার দেশের শেয়ারবাজারে বড় ধরনের দরপতন হয়েছে। প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে। এর ফলে উভয় বাজারের প্রধান মূল্যসূচকে উল্লেখযোগ্য পতন হয়েছে। একই সঙ্গে ডিএসইতে আগের কার্যদিবসের তুলনায় লেনদেনের পরিমাণও কমেছে।
দিনের শুরুতে অবশ্য বাজারে ইতিবাচক প্রবণতা ছিল। বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়ায় ডিএসইর প্রধান সূচক ঊর্ধ্বমুখী অবস্থানে ছিল। তবে সেই ধারা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। লেনদেনের কিছুক্ষণ পর থেকেই বিক্রির চাপ বাড়তে থাকে এবং একের পর এক প্রতিষ্ঠান দর হারানোর তালিকায় চলে আসে। এতে সূচকও ঋণাত্মক অবস্থায় নেমে যায়।
দিনের শেষ ঘণ্টায় বিক্রির চাপ আরও তীব্র আকার ধারণ করলে বাজার জুড়ে রীতিমতো ঢালাও দরপতন দেখা দেয়। ফলে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমে যায় এবং বড় পতনের মধ্য দিয়ে দিনের লেনদেন শেষ হয়।
বৃহস্পতিবার শেয়ারবাজারে লেনদেন শেষে প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৬৬.৭৭ পয়েন্ট বা ১.১৪ শতাংশ কমে ৫,৮০৪.৩০ পয়েন্টে নেমে এসেছে।
দিনভর ডিএসইতে মোট ৯,৩৮৮.৮১ মিলিয়ন টাকা বা প্রায় ৯৩৮.৮৮ কোটি টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এদিন ৪৯.২২ কোটি শেয়ার মোট ২,৪৯,০০৫টি লেনদেনের মাধ্যমে হাতবদল হয়।
লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৩৬৩টির শেয়ারের দাম কমেছে, বিপরীতে মাত্র ৬৩টির দাম বেড়েছে, যা বাজারে বিক্রেতাদের স্পষ্ট আধিপত্যের ইঙ্গিত দেয়।
খাতভিত্তিক লেনদেনে টেক্সটাইল খাত সর্বোচ্চ ২০.৩৯ শতাংশ লেনদেনের অংশীদারিত্ব নিয়ে শীর্ষে রয়েছে। এরপর রয়েছে ফার্মাসিউটিক্যালস খাত (১১.৭৪ শতাংশ) এবং ব্যাংক খাত (১০.৭৭ শতাংশ)।
এদিকে বাজার-সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ করপোরেট ঘোষণার মধ্যে রয়েছে পূবালী ব্যাংকের করপোরেট প্রধান কার্যালয় স্থাপনের জন্য তেজগাঁওয়ে ‘সুইস টাওয়ার’ কেনায় ৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ের অনুমোদন।
অন্যদিকে, এমএসসি এগ্রো এবং এক্সিড ফাইন কেমিক্যালস-এর উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ থাকায় সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর বিষয়ে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার দেশের শেয়ারবাজারে বড় ধরনের দরপতন হয়েছে। প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে। এর ফলে উভয় বাজারের প্রধান মূল্যসূচকে উল্লেখযোগ্য পতন হয়েছে। একই সঙ্গে ডিএসইতে আগের কার্যদিবসের তুলনায় লেনদেনের পরিমাণও কমেছে।
দিনের শুরুতে অবশ্য বাজারে ইতিবাচক প্রবণতা ছিল। বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়ায় ডিএসইর প্রধান সূচক ঊর্ধ্বমুখী অবস্থানে ছিল। তবে সেই ধারা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। লেনদেনের কিছুক্ষণ পর থেকেই বিক্রির চাপ বাড়তে থাকে এবং একের পর এক প্রতিষ্ঠান দর হারানোর তালিকায় চলে আসে। এতে সূচকও ঋণাত্মক অবস্থায় নেমে যায়।
দিনের শেষ ঘণ্টায় বিক্রির চাপ আরও তীব্র আকার ধারণ করলে বাজার জুড়ে রীতিমতো ঢালাও দরপতন দেখা দেয়। ফলে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমে যায় এবং বড় পতনের মধ্য দিয়ে দিনের লেনদেন শেষ হয়।
বৃহস্পতিবার শেয়ারবাজারে লেনদেন শেষে প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৬৬.৭৭ পয়েন্ট বা ১.১৪ শতাংশ কমে ৫,৮০৪.৩০ পয়েন্টে নেমে এসেছে।
দিনভর ডিএসইতে মোট ৯,৩৮৮.৮১ মিলিয়ন টাকা বা প্রায় ৯৩৮.৮৮ কোটি টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এদিন ৪৯.২২ কোটি শেয়ার মোট ২,৪৯,০০৫টি লেনদেনের মাধ্যমে হাতবদল হয়।
লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৩৬৩টির শেয়ারের দাম কমেছে, বিপরীতে মাত্র ৬৩টির দাম বেড়েছে, যা বাজারে বিক্রেতাদের স্পষ্ট আধিপত্যের ইঙ্গিত দেয়।
খাতভিত্তিক লেনদেনে টেক্সটাইল খাত সর্বোচ্চ ২০.৩৯ শতাংশ লেনদেনের অংশীদারিত্ব নিয়ে শীর্ষে রয়েছে। এরপর রয়েছে ফার্মাসিউটিক্যালস খাত (১১.৭৪ শতাংশ) এবং ব্যাংক খাত (১০.৭৭ শতাংশ)।
এদিকে বাজার-সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ করপোরেট ঘোষণার মধ্যে রয়েছে পূবালী ব্যাংকের করপোরেট প্রধান কার্যালয় স্থাপনের জন্য তেজগাঁওয়ে ‘সুইস টাওয়ার’ কেনায় ৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ের অনুমোদন।
অন্যদিকে, এমএসসি এগ্রো এবং এক্সিড ফাইন কেমিক্যালস-এর উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ থাকায় সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর বিষয়ে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানায়, মার্কিন বাহিনীর দক্ষিণ ও পশ্চিম ইরানের কয়েকটি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা এবং এর জবাবে ইরানের বাহরাইন, কুয়েত ও জর্ডানে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের স্থাপনাগুলোতে পাল্টা আক্রমণের পর তেলের বাজারে এই ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে।
১ দিন আগে
সোনার পাশাপাশি রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। নতুন দর অনুযায়ী ২২ ক্যারেট রুপার দাম প্রতি গ্রাম ৪১০ টাকা হিসেবে প্রতি ভরি প্রায় ৪ হাজার ৭৮২ টাকা, ২১ ক্যারেট রুপা প্রতি গ্রাম ৩৯০ টাকা হিসেবে প্রতি ভরি প্রায় ৪ হাজার ৫৪৯ টাকা, ১৮ ক্যারেট রুপা প্রতি গ্রাম ৩৩৫ টাকা হিসেবে প্রতি ভরি প্রায় ৩ হাজার ৯০৭ টাকা এবং সন
১ দিন আগে
এই অংশীদারত্বের ফলে নগদের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে দেশের যেসব এলাকায় এনআরবি ব্যাংকের শাখা নেই, সেখানেও ব্যাংকটি বিভিন্ন সেবা পৌঁছে দিতে পারবে। পাশাপাশি প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) দ্রুত গ্রাহকের নগদ ওয়ালেটে পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি ন্যানো লোন, করপোরেট কালেকশনসহ আরও বিভিন্ন সেবা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে
২ দিন আগে