
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ‘বার্ষিক ব্যবসায়িক সম্মেলন-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মো. আনোয়ারুল হক। ‘দায়বদ্ধতা, গুণগত মান ও উদ্ভাবনে গড়া প্রবৃদ্ধির নতুন দিগন্ত’ - এই প্রতিপাদ্যে আয়োজিত সম্মেলনে ব্যাংকের ১৫৩টি শাখার প্রধান, ৪৮টি উপশাখার ইনচার্জ, উপব্যবস্থাপনা পরিচালকবৃন্দ, বিভাগীয় প্রধানগণ ও ঊর্ধ্বতন নির্বাহীরা অংশ নেন।
ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মতিউল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান মো. আব্দুল হান্নান, নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান এম. এ. খান বেলাল, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আব্দুল আউয়াল, ব্যাংকের পরিচালক এ. এস. এম. ফিরোজ আলম ও আলহাজ্ব মোশাররফ হোসেন এবং ডিএমডি ও সিএফও ড. তাপস চন্দ্র পাল।
এছাড়াও বিজনেস সেশনে বক্তব্য দেন ব্যাংকের ডিএমডি মো. জাকির হোসাইন, শামীম আহম্মদ, অসিম কুমার সাহা, ড. মো. জাহিদ হোসেন ও শাহ্ মো. সোহেল খুরশীদ।
সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চেয়ারম্যান মো. আনোয়ারুল হক ব্যাংকের সার্বিক লক্ষ্য অর্জনে আন্তরিক প্রচেষ্টার জন্য শাখা, উপশাখা ও বিভাগীয় প্রধানদের ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি দেশ তথা বিশ্বব্যাপী চলমান অস্থিরতার মধ্যেও ২০২৫ সালে মার্কেন্টাইল ব্যাংকের পরিচালন মুনাফা আশানুরুপ হয়েছে। এছাড়া খেলাপি ঋণের হার সহনীয় মাত্রায় নিয়ে আসতে পারাটা গত এক বছরে আমাদের জন্য একটি বড় সাফল্য যা সুশাসন, সদিচ্ছা ও গ্রাহকদের স্বার্থরক্ষার প্রতি ব্যাংকের দৃঢ় প্রতিজ্ঞাকেই নির্দেশ করে।’
ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মতিউল হাসান ২০২৬ সালে ব্যাংকের ব্যবসায়িক লক্ষ্য অর্জনে করণীয় সম্পর্কে শাখা প্রধান, উপশাখা ইনচার্জ, বিভাগীয় ও আঞ্চলিক প্রধানদের গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেন। একইসাথে তিনি গ্রামীণ অর্থনীতিকে বেগবান রাখতে কৃষি ও এসএমই ঋণের প্রবৃদ্ধি বাড়াতে আহ্বান জানান। প্রযুক্তির উন্নত সব সংযোজন কাজে লাগিয়ে গ্রাহক সেবার মানোন্নয়নের প্রতি তিনি গুরুত্বারোপ করেন এবং সর্বোপরি উদ্ভাবনী ও স্মার্ট ব্যাংকিং-এর মাধ্যমে টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনে সবাইকে আরও সচেষ্ট হতে নির্দেশনা দেন।

মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ‘বার্ষিক ব্যবসায়িক সম্মেলন-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মো. আনোয়ারুল হক। ‘দায়বদ্ধতা, গুণগত মান ও উদ্ভাবনে গড়া প্রবৃদ্ধির নতুন দিগন্ত’ - এই প্রতিপাদ্যে আয়োজিত সম্মেলনে ব্যাংকের ১৫৩টি শাখার প্রধান, ৪৮টি উপশাখার ইনচার্জ, উপব্যবস্থাপনা পরিচালকবৃন্দ, বিভাগীয় প্রধানগণ ও ঊর্ধ্বতন নির্বাহীরা অংশ নেন।
ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মতিউল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান মো. আব্দুল হান্নান, নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান এম. এ. খান বেলাল, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আব্দুল আউয়াল, ব্যাংকের পরিচালক এ. এস. এম. ফিরোজ আলম ও আলহাজ্ব মোশাররফ হোসেন এবং ডিএমডি ও সিএফও ড. তাপস চন্দ্র পাল।
এছাড়াও বিজনেস সেশনে বক্তব্য দেন ব্যাংকের ডিএমডি মো. জাকির হোসাইন, শামীম আহম্মদ, অসিম কুমার সাহা, ড. মো. জাহিদ হোসেন ও শাহ্ মো. সোহেল খুরশীদ।
সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চেয়ারম্যান মো. আনোয়ারুল হক ব্যাংকের সার্বিক লক্ষ্য অর্জনে আন্তরিক প্রচেষ্টার জন্য শাখা, উপশাখা ও বিভাগীয় প্রধানদের ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি দেশ তথা বিশ্বব্যাপী চলমান অস্থিরতার মধ্যেও ২০২৫ সালে মার্কেন্টাইল ব্যাংকের পরিচালন মুনাফা আশানুরুপ হয়েছে। এছাড়া খেলাপি ঋণের হার সহনীয় মাত্রায় নিয়ে আসতে পারাটা গত এক বছরে আমাদের জন্য একটি বড় সাফল্য যা সুশাসন, সদিচ্ছা ও গ্রাহকদের স্বার্থরক্ষার প্রতি ব্যাংকের দৃঢ় প্রতিজ্ঞাকেই নির্দেশ করে।’
ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মতিউল হাসান ২০২৬ সালে ব্যাংকের ব্যবসায়িক লক্ষ্য অর্জনে করণীয় সম্পর্কে শাখা প্রধান, উপশাখা ইনচার্জ, বিভাগীয় ও আঞ্চলিক প্রধানদের গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেন। একইসাথে তিনি গ্রামীণ অর্থনীতিকে বেগবান রাখতে কৃষি ও এসএমই ঋণের প্রবৃদ্ধি বাড়াতে আহ্বান জানান। প্রযুক্তির উন্নত সব সংযোজন কাজে লাগিয়ে গ্রাহক সেবার মানোন্নয়নের প্রতি তিনি গুরুত্বারোপ করেন এবং সর্বোপরি উদ্ভাবনী ও স্মার্ট ব্যাংকিং-এর মাধ্যমে টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনে সবাইকে আরও সচেষ্ট হতে নির্দেশনা দেন।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের ভিত্তিতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। গত বছর বিএসইসির তৎকালীন চেয়ারম্যানকে অবরুদ্ধ করার ঘটনায় ২৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছিল মন্ত্রণালয়। তাদের মধ্যে ২২ জনের বিষয়ে মঙ্গলবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
১ দিন আগে
সংশোধিত বিধানে কোনো মার্জিন অর্থায়নকারী গ্রাহকের ইক্যুইটির চেয়ে বেশি মার্জিন অর্থায়ন করতে পারবে না। অর্থাৎ গ্রাহকের ইক্যুইটি ও মার্জিন অর্থায়নের অনুপাত সর্বোচ্চ ১:১ থাকবে। পাশাপাশি কোনো মার্জিন অর্থায়নকারী তার প্রকৃত মূলধন বা নিট সম্পদের চারগুণের বেশি মার্জিন অর্থায়ন করতে পারবে না।
২ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে রাজস্ব সম্মেলন-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
২ দিন আগে