
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির শেয়ারের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়া এবং অধিক পরিমাণ শেয়ার লেনদেনের কারণ খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই) এ নির্দেশ দেওয়া হয়।
বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) এ বিষয়ে নির্দেশ দিয়ে ডিএসইর প্রধান নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা বরাবর চিঠি পাঠিয়েছে বিএসইসি।
বিএসইসির চিঠিতে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারের দাম ও লেনদেন উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। যা অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক। এ পরিস্থিতিতে ডিএসইকে ব্যাংকটির লেনদেন সম্পর্কে তদন্ত করার নির্দেশ দেয়া হলো। সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাংকটির শেয়ারদর ও লেনদেনের অস্বাভাবিক বৃদ্ধির কারণগুলো (বাজারের কারসাজি, ইনসাইডার ট্রেডিং ও অন্যান্য বাজারের অপব্যবহারসহ) চিহ্নিত করে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে বিএসইসির সার্ভিলেন্স বিভাগে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হলো।
চিঠিতে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, তদন্তকালে কোম্পানিটি সন্দেহজনক লেনদেন সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন (স্টক ডিলার, স্টক ব্রোকার ও অনুমোদিত প্রতিনিধি) বিধিমালা ২০০০-এর আচরণবিধি ৬ ও ৮ এবং বিধি ১১ লঙ্ঘন করলে তা অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট এআর/কমপ্লায়েন্স অফিসার/সিইওকে অবহিত করতে হবে।
বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির শেয়ার দর গত ০৬ আগস্ট থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ সময়ের মধ্যে ৩২ টাকা ৬০ পয়সা থেকে ৭০ টাকা ৪০ পয়সা হয়েছে। তাতে ৩৭ টাকা ৮০ পয়সা বা ১১৫ দশমিক ৯৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। যা অস্বাভাবিক এবং কারসাজি বলে মনে হয়েছে কমিশনের।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির শেয়ারের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়া এবং অধিক পরিমাণ শেয়ার লেনদেনের কারণ খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই) এ নির্দেশ দেওয়া হয়।
বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) এ বিষয়ে নির্দেশ দিয়ে ডিএসইর প্রধান নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা বরাবর চিঠি পাঠিয়েছে বিএসইসি।
বিএসইসির চিঠিতে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারের দাম ও লেনদেন উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। যা অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক। এ পরিস্থিতিতে ডিএসইকে ব্যাংকটির লেনদেন সম্পর্কে তদন্ত করার নির্দেশ দেয়া হলো। সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাংকটির শেয়ারদর ও লেনদেনের অস্বাভাবিক বৃদ্ধির কারণগুলো (বাজারের কারসাজি, ইনসাইডার ট্রেডিং ও অন্যান্য বাজারের অপব্যবহারসহ) চিহ্নিত করে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে বিএসইসির সার্ভিলেন্স বিভাগে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হলো।
চিঠিতে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, তদন্তকালে কোম্পানিটি সন্দেহজনক লেনদেন সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন (স্টক ডিলার, স্টক ব্রোকার ও অনুমোদিত প্রতিনিধি) বিধিমালা ২০০০-এর আচরণবিধি ৬ ও ৮ এবং বিধি ১১ লঙ্ঘন করলে তা অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট এআর/কমপ্লায়েন্স অফিসার/সিইওকে অবহিত করতে হবে।
বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির শেয়ার দর গত ০৬ আগস্ট থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ সময়ের মধ্যে ৩২ টাকা ৬০ পয়সা থেকে ৭০ টাকা ৪০ পয়সা হয়েছে। তাতে ৩৭ টাকা ৮০ পয়সা বা ১১৫ দশমিক ৯৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। যা অস্বাভাবিক এবং কারসাজি বলে মনে হয়েছে কমিশনের।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের ভিত্তিতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। গত বছর বিএসইসির তৎকালীন চেয়ারম্যানকে অবরুদ্ধ করার ঘটনায় ২৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছিল মন্ত্রণালয়। তাদের মধ্যে ২২ জনের বিষয়ে মঙ্গলবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
৩ দিন আগে
সংশোধিত বিধানে কোনো মার্জিন অর্থায়নকারী গ্রাহকের ইক্যুইটির চেয়ে বেশি মার্জিন অর্থায়ন করতে পারবে না। অর্থাৎ গ্রাহকের ইক্যুইটি ও মার্জিন অর্থায়নের অনুপাত সর্বোচ্চ ১:১ থাকবে। পাশাপাশি কোনো মার্জিন অর্থায়নকারী তার প্রকৃত মূলধন বা নিট সম্পদের চারগুণের বেশি মার্জিন অর্থায়ন করতে পারবে না।
৩ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে রাজস্ব সম্মেলন-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
৪ দিন আগে