ইসলামী ব্যাংকের শীর্ষ আট কর্মকর্তা বরখাস্ত

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির শীর্ষ পর্যায়ের আট কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এদের মধ্যে একজন অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এএমডি) ও পাঁচজন উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) রয়েছেন; আর বাকি দুজন ব্যাংকের দুটি বিভাগের প্রধান।

সোমবার (১৯ আগস্ট) শরীয়াহভিত্তিক ব্যাংকটি থেকে এ সংক্রান্ত চিঠি ইস্যু হয়। প্রতিষ্ঠানটির একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বরখাস্তরা হলেন অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক জে কিউ এম হাবীবুল্লাহ; উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) মো. আকিজ উদ্দিন, মোহাম্মদ সাব্বির, মিফতাহ উদ্দিন, মো. রেজাউল করিম, ড. মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন; প্রধান অর্থ পাচার প্রতিরোধ কর্মকর্তা (ক্যামেলকো) তাহের আহমেদ চৌধুরী ও ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের প্রিন্সিপাল মো. নজরুল ইসলাম।

আর্থিক খাতে এখন সবচেয়ে বেশি আলোচিত নাম ইসলামী ব্যাংক। এটি শরীয়াহর ভিত্তিতে পরিচালিত হয়ে থাকে। গ্রাহকের আস্থার কারণে স্থায়ী আমানত কিংবা বৈদেশিক মুদ্রা সংগ্রহে এটি সবচেয়ে এগিয়ে। ২০১৭ সালে ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ যায় শিল্পগোষ্ঠী এস আলম গ্রুপের কাছে।

গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের সঙ্গে সঙ্গে ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণের জায়গায়ও পরিবর্তন আসে।

ad
ad

অর্থের রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক হলেন আশিকুর রহমান

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১৯৯৯ সালে সহকারী পরিচালক হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকে কর্মজীবন শুরু করেন আশিকুর রহমান।

৩ দিন আগে

সোনার দাম আবারও বাড়ল

সোনার দামের এই ঊর্ধ্বগতির বাজারে স্বস্তির খবর হলো—অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ৩৬৫ টাকাই থাকছে। এছাড়া ২১ ক্যারেট ৫ হাজার ১৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪ <৪৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৩২৪ টাকা বজায় রয়েছে।

৩ দিন আগে

ইসলামী ব্যাংক নিয়ে ৭ দাবির সঙ্গে ‘একমত’ গভর্নর, দাবি গ্রাহক ফোরামের

ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের আহ্বায়ক নুর উন নবী দাবি করেছেন, ইসলামী ব্যাংক নিয়ে তাদের সাত দফা দাবির সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান একমত পোষণ করেছেন। তবে বাংলাদেশের ব্যাংকের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

৪ দিন আগে

ব্যাংক খাতে ঝুঁকিপূর্ণ ঋণ ১১ লাখ কোটি টাকা, মোট বিতরণের ৬০%

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সাল শেষে দেশের সব তফসিলি ব্যাংকে ঝুঁকিপূর্ণ ঋণের পরিমাণ আগের বছরের চেয়ে প্রায় ৬০ শতাংশ বেড়ে ১০ লাখ ৮৭ হাজার ৫৯০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে; যা আগামী অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের আকারের চেয়েও বেশি। এটি ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণ করা ঋণের ৫৯ দশমিক ৭৩ শতাংশ।

৪ দিন আগে