
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির আওতায় সৌদি আরব, মরক্কো, রাশিয়া ও চীন থেকে এক লাখ ৮০ হাজার মেট্রিক টন সার আমদানির অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এতে মোট খরচ হবে ৯২৭ কোটি ৭১ লাখ ২৫ হাজার টাকা। এর মধ্যে চীন ও সৌদি আরব থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টন ডিএপি, মরক্কো থেকে ৩০ হাজার টন টিএসপি এবং রাশিয়া থেকে ৩০ হাজার মেট্রিক টন এমওপি সার আমদানি করা হবে।
বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে কৃষি মন্ত্রণালয়ের পৃথক ৫টি প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে এ সার কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সমন্বয় ও সংস্কার সচিব মো. মাহমুদুল হোসাইন খান জানান, রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির আওতায় সৌদি আরবের মা'আদেনের কাছ থেকে ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে মোট খরচ হবে ২৪৩ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। প্রতিটনের দাম পড়বে ৫৫৪ মার্কিন ডলার। যা আগে ছিল ৫৮১ মার্কিন ডলার।
আর এক প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির আওতায় মরক্কোর ওসিপি এসএ এর কাছ থেকে ৩০ হাজার মেট্রিক টন টিএসপি সার আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে মোট ব্যয় হবে ১২৫ কোটি ২৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। প্রতিটন সারের দাম পড়বে ৩৭৯.৫০ মার্কিন ডলার। যা আগে ছিল ৩৮৬ মার্কিন ডলার।
রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির আওতায় রাশিয়ার জেএসসি ফরেন ইকোনমিক করপোরেশন ‘প্রডিন্টরগ’ এর কাছ থেকে ৩০ হাজার মেট্রিক টন এমওপি সার আমদানির অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। এতে মোট খরচ হবে ৯৫ কোটি ৬১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। আর প্রতিটন সারের দাম পড়বে ২৮৯.৭৫ মার্কিন ডলার।
এছাড়া দুটি পৃথক প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির আওতায় চীনের বেনিয়ান ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডিং লিমিটেডের কাছ থেকে মোট ৮০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে একটি লটে ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি সার ২৩১ কোটি ৫৫ লাখ টাকায় আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রতি মেট্রিক টনের দাম পড়বে ৫২৬.২৫ মার্কিন ডলার।
চীনের এ প্রতিষ্ঠান থেকে আর এক লটে ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি সার ২৩১ কোটি ৫৫ লাখ টাকায় আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রেও প্রতি মেট্রিক টনের দাম পড়বে ৫২৬.২৫ মার্কিন ডলার।

রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির আওতায় সৌদি আরব, মরক্কো, রাশিয়া ও চীন থেকে এক লাখ ৮০ হাজার মেট্রিক টন সার আমদানির অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এতে মোট খরচ হবে ৯২৭ কোটি ৭১ লাখ ২৫ হাজার টাকা। এর মধ্যে চীন ও সৌদি আরব থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টন ডিএপি, মরক্কো থেকে ৩০ হাজার টন টিএসপি এবং রাশিয়া থেকে ৩০ হাজার মেট্রিক টন এমওপি সার আমদানি করা হবে।
বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে কৃষি মন্ত্রণালয়ের পৃথক ৫টি প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে এ সার কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সমন্বয় ও সংস্কার সচিব মো. মাহমুদুল হোসাইন খান জানান, রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির আওতায় সৌদি আরবের মা'আদেনের কাছ থেকে ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে মোট খরচ হবে ২৪৩ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। প্রতিটনের দাম পড়বে ৫৫৪ মার্কিন ডলার। যা আগে ছিল ৫৮১ মার্কিন ডলার।
আর এক প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির আওতায় মরক্কোর ওসিপি এসএ এর কাছ থেকে ৩০ হাজার মেট্রিক টন টিএসপি সার আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে মোট ব্যয় হবে ১২৫ কোটি ২৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। প্রতিটন সারের দাম পড়বে ৩৭৯.৫০ মার্কিন ডলার। যা আগে ছিল ৩৮৬ মার্কিন ডলার।
রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির আওতায় রাশিয়ার জেএসসি ফরেন ইকোনমিক করপোরেশন ‘প্রডিন্টরগ’ এর কাছ থেকে ৩০ হাজার মেট্রিক টন এমওপি সার আমদানির অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। এতে মোট খরচ হবে ৯৫ কোটি ৬১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। আর প্রতিটন সারের দাম পড়বে ২৮৯.৭৫ মার্কিন ডলার।
এছাড়া দুটি পৃথক প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির আওতায় চীনের বেনিয়ান ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডিং লিমিটেডের কাছ থেকে মোট ৮০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে একটি লটে ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি সার ২৩১ কোটি ৫৫ লাখ টাকায় আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রতি মেট্রিক টনের দাম পড়বে ৫২৬.২৫ মার্কিন ডলার।
চীনের এ প্রতিষ্ঠান থেকে আর এক লটে ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি সার ২৩১ কোটি ৫৫ লাখ টাকায় আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রেও প্রতি মেট্রিক টনের দাম পড়বে ৫২৬.২৫ মার্কিন ডলার।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের ভিত্তিতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। গত বছর বিএসইসির তৎকালীন চেয়ারম্যানকে অবরুদ্ধ করার ঘটনায় ২৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছিল মন্ত্রণালয়। তাদের মধ্যে ২২ জনের বিষয়ে মঙ্গলবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
৩ দিন আগে
সংশোধিত বিধানে কোনো মার্জিন অর্থায়নকারী গ্রাহকের ইক্যুইটির চেয়ে বেশি মার্জিন অর্থায়ন করতে পারবে না। অর্থাৎ গ্রাহকের ইক্যুইটি ও মার্জিন অর্থায়নের অনুপাত সর্বোচ্চ ১:১ থাকবে। পাশাপাশি কোনো মার্জিন অর্থায়নকারী তার প্রকৃত মূলধন বা নিট সম্পদের চারগুণের বেশি মার্জিন অর্থায়ন করতে পারবে না।
৪ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে রাজস্ব সম্মেলন-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
৪ দিন আগে