
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ধীরে ধীরে বেড়ে ইতিবাচক ধারায় ফিরছে। যা দেশের অর্থনীতিতে স্বস্তির ইঙ্গিত দিচ্ছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের মোট (গ্রস) বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩১ দশমিক ১৪ বিলিয়ন ডলার-এ। যা মিলিয়ন ডলারে ৩১,১৪০ দশমিক ৮২ মিলিয়ন ডলার।
অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, প্রবাসী আয় বৃদ্ধি এবং আমদানি ব্যয় নিয়ন্ত্রণের ফলেই রিজার্ভের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এটি দেশের অর্থনীতিতে ভবিষ্যতে আরও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
বুধবার (২৬ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র মোহাম্মদ শাহরিয়ার সিদ্দিকী এই তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগের দিন ২৫ নভেম্বর গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩১১০০ দশমিক ১৬ মিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ একদিনে গ্রস রিজার্ভ বেড়েছে প্রায় ৪০ দশমিক ৬৬ মিলিয়ন ডলার।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী, দেশের প্রকৃত তথা নিট রিজার্ভ বর্তমানে ২৬৪২৩ দশমিক ১১ মিলিয়ন ডলার। ২৫ নভেম্বর এই পরিমাণ ছিল ২৬৩৯৩ দশমিক শুন্য ৩ মিলিয়ন ডলার।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রিজার্ভ বৃদ্ধির এই ধারাকে স্থিতিশীল রাখতে রপ্তানি আয়ের প্রবাহ বাড়ানো ও বৈধ চ্যানেলে প্রবাসী আয়ের পরিমাণ ধরে রাখা জরুরি। বর্তমানে নিট রিজার্ভ হিসাব করা হচ্ছে বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে, যেখানে স্বল্পমেয়াদি দায় বাদ দিয়ে প্রকৃত রিজার্ভ নির্ধারণ করা হয়।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, সাম্প্রতিক সময়ে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধির পাশাপাশি আমদানি ব্যয় কিছুটা নিয়ন্ত্রণে থাকায় রিজার্ভে ধীরে ধীরে উন্নতি দেখা যাচ্ছে।

বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ধীরে ধীরে বেড়ে ইতিবাচক ধারায় ফিরছে। যা দেশের অর্থনীতিতে স্বস্তির ইঙ্গিত দিচ্ছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের মোট (গ্রস) বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩১ দশমিক ১৪ বিলিয়ন ডলার-এ। যা মিলিয়ন ডলারে ৩১,১৪০ দশমিক ৮২ মিলিয়ন ডলার।
অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, প্রবাসী আয় বৃদ্ধি এবং আমদানি ব্যয় নিয়ন্ত্রণের ফলেই রিজার্ভের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এটি দেশের অর্থনীতিতে ভবিষ্যতে আরও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
বুধবার (২৬ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র মোহাম্মদ শাহরিয়ার সিদ্দিকী এই তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগের দিন ২৫ নভেম্বর গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩১১০০ দশমিক ১৬ মিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ একদিনে গ্রস রিজার্ভ বেড়েছে প্রায় ৪০ দশমিক ৬৬ মিলিয়ন ডলার।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী, দেশের প্রকৃত তথা নিট রিজার্ভ বর্তমানে ২৬৪২৩ দশমিক ১১ মিলিয়ন ডলার। ২৫ নভেম্বর এই পরিমাণ ছিল ২৬৩৯৩ দশমিক শুন্য ৩ মিলিয়ন ডলার।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রিজার্ভ বৃদ্ধির এই ধারাকে স্থিতিশীল রাখতে রপ্তানি আয়ের প্রবাহ বাড়ানো ও বৈধ চ্যানেলে প্রবাসী আয়ের পরিমাণ ধরে রাখা জরুরি। বর্তমানে নিট রিজার্ভ হিসাব করা হচ্ছে বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে, যেখানে স্বল্পমেয়াদি দায় বাদ দিয়ে প্রকৃত রিজার্ভ নির্ধারণ করা হয়।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, সাম্প্রতিক সময়ে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধির পাশাপাশি আমদানি ব্যয় কিছুটা নিয়ন্ত্রণে থাকায় রিজার্ভে ধীরে ধীরে উন্নতি দেখা যাচ্ছে।

এ বছরের প্রথম প্রান্তিক তথা জানুয়ারি থেকে মার্চে প্রতিষ্ঠানটির মুনাফা দাঁড়িয়েছে ৩৩ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৬ শতাংশ বেশি। একই সময়ে রাজস্ব প্রায় ৭ শতাংশ বেড়ে ১১৫ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
৭ দিন আগে
অর্থমন্ত্রী বলেন, বিগত সময়ে দেশের অর্থনীতি সুনির্দিষ্ট কিছু অলিগার্ক বা ধনাঢ্য শ্রেণির কবজায় ছিল। বর্তমান সরকার সেই বৃত্ত ভেঙে মূলধারার অর্থনীতির বাইরে থাকা সাধারণ মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে অর্থনীতির ‘গণতন্ত্রীকরণে’ গুরুত্ব দিচ্ছে।
৭ দিন আগে
দীর্ঘ সময়ের চাপ ও অনিশ্চয়তার পর দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবারও শক্ত অবস্থানে পৌঁছাতে শুরু করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রায় ৩১ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
৯ দিন আগে
নতুন এই দরের ফলে সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারাট সোনার প্রতি গ্রামের দাম দাঁড়িয়েছে ২০,৯৮০ টাকা। সেই হিসেবে ভরি প্রতি (১১.৬৬৪ গ্রাম) এই মানের সোনার দাম এখন ২,৪৪,৭১২ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারাট সোনার দাম ভরি প্রতি ২,৩৩,৫৭১ টাকা এবং ১৮ ক্যারাট সোনার দাম ২,০০,২০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। যারা সনাতন পদ্ধত
১১ দিন আগে