
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে নির্বাচনি জোট করার মাধ্যমে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শীর্ষ নেতৃত্ব ও নীতিনির্ধারকরা তাদের মূল বক্তব্য থেকে চ্যুত হয়ে গেছেন বলে মনে করছেন দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক নুসরাত তাবাসসুম। তৃণমূল থেকে দলটির মনোনয়ন যারা নিয়েছেন, এর মাধ্যমে তাদের সঙ্গে প্রবঞ্চনা করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
তাবাসসুম বলেছেন, এ কারণে নির্বাচনকালীন দলটির সব কার্যক্রম থেকে নিজেকে নিষ্ক্রিয় ঘোষণা করেছেন তিনি। পরবর্তী পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে যেকোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলেও তিনি জানিয়েছেন।
রোববার (২৮ ডিসেম্বর) রাতে নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে এক স্ট্যাটাসে নুসরাত তাবাসসুম এ ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি জুলাই অভ্যুত্থানের পরিচিতমুখ। পরে জুলাই অভ্যুত্থানের নেতৃত্বস্থানীয়রা এনসিপি গঠন করলে যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পান তিনি।
সংক্ষেপে কিছু কথা জানাতে চান উল্লেখ করে নুসরাত তার স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘এনসিপি তার জন্মলগ্নে আমাদের স্বপ্ন দেখিয়েছে গণতন্ত্রের সুষম চর্চা, নয়া বন্দোবস্ত, মধ্যপন্থা, অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজব্যবস্থা, সভ্যতাকেন্দ্রিক সাম্রাজ্য সম্প্রসারণ এবং সর্বোপরি বাংলাদেশপন্থা নিয়ে।’
এসব বিষয়ে প্রতিটি শব্দ নুসরাত মননে, মগজে ও যাপনে ধারণ করেন বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, ‘এই শব্দগুলো আমার রাজনৈতিক স্বপ্ন। এনসিপির ঘোষণাপত্র থেকে শুরু করে এর সবগুলো লিটারেচার এই বক্তব্য ধারণ করে। এনসিপি গঠনের সময় এটি ঠিক তাই ছিল যা আমি চেয়েছিলাম।’
চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে এনসিপি। নুসরাত লিখেছেন, ‘এর ঠিক ১০ মাস পর আজ রোববার (২৮ ডিসেম্বর) জামায়াতে ইসলামীসহ ১০ দলীয় জোটে বিভিন্ন শর্তসাপেক্ষে অংশগ্রহণের মাধ্যমে আমি মনে করি এনসিপির সর্বোচ্চ নেতৃত্ব ও নীতিনির্ধারকেরা নিজেরাই এনসিপির মূল বক্তব্য থেকে চ্যুত হয়েছেন।’
তিনি আরও লিখেছেন, ‘বিশেষ করে বিভিন্ন সময়ে আহ্বায়ক মহোদয় থেকে শুরু করে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বশীলদের আমরা ৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার ঘোষণা দিতে শুনেছি। এ অবস্থায় তৃণমূল পর্যন্ত, বিশেষ করে মনোনয়ন নেওয়া ব্যক্তিদের সঙ্গে এই জোট ঘোষণার মাধ্যমে প্রবঞ্চনা করা হয়েছে বলে মনে করি।’
এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই এনসিপি থেকে নিষ্ক্রিয় হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নুসরাত। স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, ‘এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আমি নুসরাত তাবাসসুম (যুগ্ম আহ্বায়ক, জাতীয় নাগরিক পার্টি) নিজেকে প্রাথমিকভাবে নির্বাচনকালীন পার্টির সব কার্যক্রম থেকে নিষ্ক্রিয় করছি। এবং অবস্থা পুনর্বিবেচনাক্রমে যেকোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ঘোষণা করছি।’
গত কদিন ধরেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে এনসিপির জোটবদ্ধ হওয়ার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। এ গুঞ্জনের মধ্যেই রোববার প্রকাশ্যে ঘোষণা এসেছে, দল দুটি নির্বাচনের জন্য জোট বেঁধেছে।
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম সংবাদ সম্মেলন করেই এ জোটের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন। এ জোটের মধ্য দিয়ে এনসিপির নিজস্ব রাজনীতির পথ তৈরির প্রক্রিয়া থমকে যেতে পারে বলে আশঙ্কা ও সমালোচনা করেছেন অনেকেই।
এ জোটের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হওয়ার পরই যুগ্ম আহ্বায়ক তাজনূভা জাবীন ও সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব তাসনিম জারা এনসিপি থেকে পদত্যাগ করেছেন। জুলাই অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দেওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম তাত্ত্বিক নেতা মাহফুজ আলমও (অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা) জানিয়েছেন, তিনি জামায়াতের সঙ্গে জোটে যাওয়া এনসিপির অংশ হবেন না।
জামায়াতের সঙ্গে জোটের আলোচনার মধ্যে এনসিপির ৩০ নেতা শনিবার এই জোটের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে চিঠিও দিয়েছিলেন। পরে অবশ্য আরও ১৭০ নেতা জোটের পক্ষে চিঠি দেন নাহিদকে। শেষ পর্যন্ত দল দুটি জোটবদ্ধ হওয়ার আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানাল।

জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে নির্বাচনি জোট করার মাধ্যমে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শীর্ষ নেতৃত্ব ও নীতিনির্ধারকরা তাদের মূল বক্তব্য থেকে চ্যুত হয়ে গেছেন বলে মনে করছেন দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক নুসরাত তাবাসসুম। তৃণমূল থেকে দলটির মনোনয়ন যারা নিয়েছেন, এর মাধ্যমে তাদের সঙ্গে প্রবঞ্চনা করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
তাবাসসুম বলেছেন, এ কারণে নির্বাচনকালীন দলটির সব কার্যক্রম থেকে নিজেকে নিষ্ক্রিয় ঘোষণা করেছেন তিনি। পরবর্তী পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে যেকোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলেও তিনি জানিয়েছেন।
রোববার (২৮ ডিসেম্বর) রাতে নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে এক স্ট্যাটাসে নুসরাত তাবাসসুম এ ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি জুলাই অভ্যুত্থানের পরিচিতমুখ। পরে জুলাই অভ্যুত্থানের নেতৃত্বস্থানীয়রা এনসিপি গঠন করলে যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পান তিনি।
সংক্ষেপে কিছু কথা জানাতে চান উল্লেখ করে নুসরাত তার স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘এনসিপি তার জন্মলগ্নে আমাদের স্বপ্ন দেখিয়েছে গণতন্ত্রের সুষম চর্চা, নয়া বন্দোবস্ত, মধ্যপন্থা, অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজব্যবস্থা, সভ্যতাকেন্দ্রিক সাম্রাজ্য সম্প্রসারণ এবং সর্বোপরি বাংলাদেশপন্থা নিয়ে।’
এসব বিষয়ে প্রতিটি শব্দ নুসরাত মননে, মগজে ও যাপনে ধারণ করেন বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, ‘এই শব্দগুলো আমার রাজনৈতিক স্বপ্ন। এনসিপির ঘোষণাপত্র থেকে শুরু করে এর সবগুলো লিটারেচার এই বক্তব্য ধারণ করে। এনসিপি গঠনের সময় এটি ঠিক তাই ছিল যা আমি চেয়েছিলাম।’
চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে এনসিপি। নুসরাত লিখেছেন, ‘এর ঠিক ১০ মাস পর আজ রোববার (২৮ ডিসেম্বর) জামায়াতে ইসলামীসহ ১০ দলীয় জোটে বিভিন্ন শর্তসাপেক্ষে অংশগ্রহণের মাধ্যমে আমি মনে করি এনসিপির সর্বোচ্চ নেতৃত্ব ও নীতিনির্ধারকেরা নিজেরাই এনসিপির মূল বক্তব্য থেকে চ্যুত হয়েছেন।’
তিনি আরও লিখেছেন, ‘বিশেষ করে বিভিন্ন সময়ে আহ্বায়ক মহোদয় থেকে শুরু করে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বশীলদের আমরা ৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার ঘোষণা দিতে শুনেছি। এ অবস্থায় তৃণমূল পর্যন্ত, বিশেষ করে মনোনয়ন নেওয়া ব্যক্তিদের সঙ্গে এই জোট ঘোষণার মাধ্যমে প্রবঞ্চনা করা হয়েছে বলে মনে করি।’
এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই এনসিপি থেকে নিষ্ক্রিয় হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নুসরাত। স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, ‘এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আমি নুসরাত তাবাসসুম (যুগ্ম আহ্বায়ক, জাতীয় নাগরিক পার্টি) নিজেকে প্রাথমিকভাবে নির্বাচনকালীন পার্টির সব কার্যক্রম থেকে নিষ্ক্রিয় করছি। এবং অবস্থা পুনর্বিবেচনাক্রমে যেকোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ঘোষণা করছি।’
গত কদিন ধরেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে এনসিপির জোটবদ্ধ হওয়ার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। এ গুঞ্জনের মধ্যেই রোববার প্রকাশ্যে ঘোষণা এসেছে, দল দুটি নির্বাচনের জন্য জোট বেঁধেছে।
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম সংবাদ সম্মেলন করেই এ জোটের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন। এ জোটের মধ্য দিয়ে এনসিপির নিজস্ব রাজনীতির পথ তৈরির প্রক্রিয়া থমকে যেতে পারে বলে আশঙ্কা ও সমালোচনা করেছেন অনেকেই।
এ জোটের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হওয়ার পরই যুগ্ম আহ্বায়ক তাজনূভা জাবীন ও সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব তাসনিম জারা এনসিপি থেকে পদত্যাগ করেছেন। জুলাই অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দেওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম তাত্ত্বিক নেতা মাহফুজ আলমও (অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা) জানিয়েছেন, তিনি জামায়াতের সঙ্গে জোটে যাওয়া এনসিপির অংশ হবেন না।
জামায়াতের সঙ্গে জোটের আলোচনার মধ্যে এনসিপির ৩০ নেতা শনিবার এই জোটের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে চিঠিও দিয়েছিলেন। পরে অবশ্য আরও ১৭০ নেতা জোটের পক্ষে চিঠি দেন নাহিদকে। শেষ পর্যন্ত দল দুটি জোটবদ্ধ হওয়ার আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানাল।

স্পিকারের উদ্দেশে শফিকুর রহমান বলেন, আপনি একজন গর্বিত বীর মুক্তিযোদ্ধা, বীর বিক্রম। আমিও ক্ষুদ্র একটি শহীদ পরিবারের সন্তান। মুক্তিযুদ্ধে যারা জীবন দিয়েছিলেন, আমাদের পরিবারের কয়েকজনের রক্ত দিয়ে তাদের সঙ্গে শরিক হওয়ার সৌভাগ্য হয়েছে।
২ দিন আগে
সমাবেশে সিপিবির প্রেসিডিয়াম সদস্য জলি তালুকদার অভিযোগ করে বলেন, "খসড়া এগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্রেড নিয়ে কাজ করার সময় তৎকালীন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অত্যন্ত গোপনে ও দ্রুততার সাথে এই চুক্তি স্বাক্ষরে অতি-তৎপর ছিলেন। এমনকি নথিপত্র আদান-প্রদানের অভিযোগে একজন নিরীহ সরকারি কর্মকর্তাকে বরখাস্ত ও হয়রা
৩ দিন আগে
দলটির সিদ্ধান্ত— ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে মেয়র প্রার্থী দলের মুখপাত্র ও সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, উত্তরে সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব।
৪ দিন আগে
রোববার (২৯ মার্চ) রাত ৯টা ৫২ মিনিটে এনসিপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে মেয়র পদে প্রার্থী হিসেবে আসিফ মাহমুদের ছবিসহ একটি পোস্টার শেয়ার করা হয়েছে। এতে লেখা হয়েছে— ‘ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে এনসিপি মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী’।
৪ দিন আগে