
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির মহাসচিব ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, 'যে নেতা দেশের মানুষকে ফেলে দিল্লিতে গিয়ে বসে থাকে, সে নেতা আমরা চাই না। আমার ভোট আমি দেবো—যাকে খুশি তাকে দেবো। কিন্তু বিগত সরকারের সময় ছিল ‘আমার ভোট আমি দেবো, তোমার ভোট আমি দেবো’।'
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাজীপাড়ায় আয়োজিত এক নির্বাচনী পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, একটি দল মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করেছে। মা-বোনদের বলা হয়েছে—জামায়াতে ইসলামীকে ভোট দিলে বেহেশতে যাওয়া যাবে। এ ধরনের বিভ্রান্তিকর রাজনীতি দিয়ে জনগণের ভাগ্য নির্ধারণ করা যায় না।
নারীদের প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমাদের মা-বোনেরা যারা এনজিও থেকে সুদের ঋণ নিয়েছেন, তাদের প্রতি মাসে কিস্তি দিতে হচ্ছে। বিএনপি ক্ষমতায় এলে সেই কিস্তির দায়ভার বিএনপি নেবে। নারীদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড চালু করা হবে।
তিনি বলেন, 'বিগত ১৭ বছর ধরে দেশের মানুষ ফ্যাসিস্ট শাসনের নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হয়েছে। সেই অন্ধকার সময় পেরিয়ে এখন জনগণের হাতে আবার দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের সুযোগ এসেছে।'
নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, 'ভোটের দিন সবাই ভোটকেন্দ্র পাহারা দেবেন, যেন কেউ গণ্ডগোল করতে না পারে। হিন্দু-মুসলমান সবাই যেন নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে, সেদিকে খেয়াল রাখবেন। কেউ যেন দুষ্টুমি করার সাহস না পায়।'
তিনি আরও বলেন, 'আপনাদের হাতেই দেশ, আপনারাই দেশের প্রকৃত মালিক। তাই ভুল করার সুযোগ নেই। সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে নিজের ভোট প্রয়োগ করতে হবে।'
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'ওই দিন আপনারা শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার প্রতীক ধানের শীষের ব্যানার হাতে নিয়ে মাঠে দাঁড়াবেন।'
পথসভা চলাকালে আলিফা আক্তার গোলাপি নামে এক নারী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে মাটির ব্যাংকে জমানো টাকা ও কয়েকটি মুরগির ডিম উপহার দেন।
পথসভায় স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

বিএনপির মহাসচিব ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, 'যে নেতা দেশের মানুষকে ফেলে দিল্লিতে গিয়ে বসে থাকে, সে নেতা আমরা চাই না। আমার ভোট আমি দেবো—যাকে খুশি তাকে দেবো। কিন্তু বিগত সরকারের সময় ছিল ‘আমার ভোট আমি দেবো, তোমার ভোট আমি দেবো’।'
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাজীপাড়ায় আয়োজিত এক নির্বাচনী পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, একটি দল মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করেছে। মা-বোনদের বলা হয়েছে—জামায়াতে ইসলামীকে ভোট দিলে বেহেশতে যাওয়া যাবে। এ ধরনের বিভ্রান্তিকর রাজনীতি দিয়ে জনগণের ভাগ্য নির্ধারণ করা যায় না।
নারীদের প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমাদের মা-বোনেরা যারা এনজিও থেকে সুদের ঋণ নিয়েছেন, তাদের প্রতি মাসে কিস্তি দিতে হচ্ছে। বিএনপি ক্ষমতায় এলে সেই কিস্তির দায়ভার বিএনপি নেবে। নারীদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড চালু করা হবে।
তিনি বলেন, 'বিগত ১৭ বছর ধরে দেশের মানুষ ফ্যাসিস্ট শাসনের নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হয়েছে। সেই অন্ধকার সময় পেরিয়ে এখন জনগণের হাতে আবার দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের সুযোগ এসেছে।'
নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, 'ভোটের দিন সবাই ভোটকেন্দ্র পাহারা দেবেন, যেন কেউ গণ্ডগোল করতে না পারে। হিন্দু-মুসলমান সবাই যেন নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে, সেদিকে খেয়াল রাখবেন। কেউ যেন দুষ্টুমি করার সাহস না পায়।'
তিনি আরও বলেন, 'আপনাদের হাতেই দেশ, আপনারাই দেশের প্রকৃত মালিক। তাই ভুল করার সুযোগ নেই। সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে নিজের ভোট প্রয়োগ করতে হবে।'
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'ওই দিন আপনারা শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার প্রতীক ধানের শীষের ব্যানার হাতে নিয়ে মাঠে দাঁড়াবেন।'
পথসভা চলাকালে আলিফা আক্তার গোলাপি নামে এক নারী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে মাটির ব্যাংকে জমানো টাকা ও কয়েকটি মুরগির ডিম উপহার দেন।
পথসভায় স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

শারীরিক অবস্থা এখন কেমন— জানতে চাইলে মির্জা আব্বাস বলেন, 'আছি মোটামুটি। এখনও চিকিৎসার মধ্যে আছি, থেরাপিউটিক সেশনগুলো চলছে। দেশবাসীকে আমার জন্য দোয়া করতে বলবেন। সবার কাছে আমি দোয়া চাই। আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে শুকরিয়া আদায় করছি।'
২ দিন আগে
জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় আসন্ন বাজেটে তামাকপণ্যে কার্যকরভাবে করারোপের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, প্রস্তাবিত তামাক কর বাস্তবায়নের মাধ্যমে অর্জিত রাজস্ব দেশের স্বাস্থ্য খাত শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
২ দিন আগে
ধর্মের নামে রাজনীতি করে জনগণের ভালোবাসা পাওয়া যায় না মন্তব্য করে বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘জামায়াতে ইসলামী কখনোই ক্ষমতায় আসতে পারবে না । ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে যারা মানুষের ওপর অত্যাচার-নিপীড়ন চালিয়েছিল, এদেশের মানুষ সেই স্বাধীনতাব
২ দিন আগে
গণঅধিকার পরিষদ ত্যাগ করে বিএনপিতে যোগ দেওয়া রাশেদ খাঁন বলেছেন, জামায়াতে ইসলামীর বিরোধী দল হওয়ার মতো রাজনৈতিক সক্ষমতা নেই। বরং যেকোনো সরকারের সঙ্গে থেকে সরকারঘেঁষা হওয়ার জন্য জামায়াত পারফেক্ট।
২ দিন আগে