
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

‘দেশে চলমান ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের যে গণজোয়ার তৈরি হয়েছে, তা তৈরিতে জোনায়েদ সাকি অনন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। বর্তমান অবৈধ ফ্যাসিবাদী সরকার দেশকে ক্রমাগত একদলীয় রাষ্ট্রে পরিণত করার যে খায়েশ, এর বিপরীতে গণতান্ত্রিক যে লড়াই জনগণ করছেন, জোনায়েদ সাকি সেই লড়াইয়ে অন্যতম প্রধান নেতৃত্ব আকারে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। সেই কারণে সরকারি মদদে তার (জোনায়েদ সাকি) বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।’
সোমবার বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর তোপখানা রোডের মেহেরবা প্লাজার সমানে গণসংহতি আন্দোলন আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে এসব কথা বলেন বক্তারা।
গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচারের প্রতিবাদে এ কর্মসূচি পালিত হয়।
সমাবেশে বক্তারা আরও বলেন, ‘বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর ২৮ অক্টোবরের মহাসমাবেশ, গণসমাবেশ, সমাবেশে পরিকল্পিতভাবে সরকারি এজেন্ট ঢুকিয়ে সহিংসতা করে সেই দায় বিরোধীদের ওপর চাপিয়ে বিরোধী রাজনৈতিক নেতাদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিরোধী দলীয় নেতাদের গ্রেপ্তার করে রাজনীতির মাঠ ফাঁকা করতে সরকার যখন তৎপর হয়েছে, ঠিক সেসময়ে লড়াইয়ের ময়দানে জোনায়েদ সাকির সরব উপস্থিতি তাকে বর্তমান ফ্যাসিবাদী সরকারের প্রধান লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে।’
তারা আরও বলেন, ‘পুলিশ হত্যার সঙ্গে তাকে (জোনায়েদ সাকি) জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের ভুয়া ভিডিও তৈরি করা হচ্ছে। আমরা অবিলম্বে এসব মিথ্যা অপপ্রচার বন্ধের জোর দাবি জানাচ্ছি। এবং সরকাকে পদত্যাগ করে অন্তবর্তীকালীন সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করে সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের পথ খুলে দিতে দাবি জানাচ্ছি।’
সমাবেশে বক্তারা আরও বলেন, ‘বর্তমান সরকার রাজনৈতিকভাবে বিরোধীদের মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়ে দমন-পীড়ন, ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নিয়েছে। পুলিশ হত্যার মতো বানোয়াট অভিযোগের সঙ্গে জোনায়েদ সাকির নাম জড়ানো হচ্ছে। বর্তমান ফ্যাসিবাদী সরকারের পতন ঘটিয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় তার আপসহীন লড়াইয়ের জন্যই সরকারি মদদে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। দেশের জনগণ ফ্যাসিবাদের পতন করে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ নির্মাণে যে লড়াই করছেন, হামলা-মামলা, দমন-পীড়ন করে সেই লড়াই থামানো যাবে না।’
গণসংহতি আন্দোলনের রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য দেওয়ান আবদুর রশিদ নীলুর সভাপতিত্বে ও সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য জুলহাসনাইন বাবুর সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন গণসংহতি আন্দোলনের নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল, রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য মনির উদ্দীন পাপ্পু।
এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গণসংহতি আন্দোলনের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য বাচ্চু ভূইয়া, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আলিফ দেওয়ান, মিজানুর রহমান, সৈকত মল্লিক, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ গণসংহতি আন্দোলনের সদস্য সচিব সেলিমুজ্জামান, বাংলাদেশ যুব ফেডারেশনের আহ্বায়ক উৎসব মোসাদ্দেক ও বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সৈকত আরিফ।

‘দেশে চলমান ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের যে গণজোয়ার তৈরি হয়েছে, তা তৈরিতে জোনায়েদ সাকি অনন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। বর্তমান অবৈধ ফ্যাসিবাদী সরকার দেশকে ক্রমাগত একদলীয় রাষ্ট্রে পরিণত করার যে খায়েশ, এর বিপরীতে গণতান্ত্রিক যে লড়াই জনগণ করছেন, জোনায়েদ সাকি সেই লড়াইয়ে অন্যতম প্রধান নেতৃত্ব আকারে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। সেই কারণে সরকারি মদদে তার (জোনায়েদ সাকি) বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।’
সোমবার বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর তোপখানা রোডের মেহেরবা প্লাজার সমানে গণসংহতি আন্দোলন আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে এসব কথা বলেন বক্তারা।
গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচারের প্রতিবাদে এ কর্মসূচি পালিত হয়।
সমাবেশে বক্তারা আরও বলেন, ‘বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর ২৮ অক্টোবরের মহাসমাবেশ, গণসমাবেশ, সমাবেশে পরিকল্পিতভাবে সরকারি এজেন্ট ঢুকিয়ে সহিংসতা করে সেই দায় বিরোধীদের ওপর চাপিয়ে বিরোধী রাজনৈতিক নেতাদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিরোধী দলীয় নেতাদের গ্রেপ্তার করে রাজনীতির মাঠ ফাঁকা করতে সরকার যখন তৎপর হয়েছে, ঠিক সেসময়ে লড়াইয়ের ময়দানে জোনায়েদ সাকির সরব উপস্থিতি তাকে বর্তমান ফ্যাসিবাদী সরকারের প্রধান লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে।’
তারা আরও বলেন, ‘পুলিশ হত্যার সঙ্গে তাকে (জোনায়েদ সাকি) জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের ভুয়া ভিডিও তৈরি করা হচ্ছে। আমরা অবিলম্বে এসব মিথ্যা অপপ্রচার বন্ধের জোর দাবি জানাচ্ছি। এবং সরকাকে পদত্যাগ করে অন্তবর্তীকালীন সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করে সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের পথ খুলে দিতে দাবি জানাচ্ছি।’
সমাবেশে বক্তারা আরও বলেন, ‘বর্তমান সরকার রাজনৈতিকভাবে বিরোধীদের মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়ে দমন-পীড়ন, ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নিয়েছে। পুলিশ হত্যার মতো বানোয়াট অভিযোগের সঙ্গে জোনায়েদ সাকির নাম জড়ানো হচ্ছে। বর্তমান ফ্যাসিবাদী সরকারের পতন ঘটিয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় তার আপসহীন লড়াইয়ের জন্যই সরকারি মদদে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। দেশের জনগণ ফ্যাসিবাদের পতন করে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ নির্মাণে যে লড়াই করছেন, হামলা-মামলা, দমন-পীড়ন করে সেই লড়াই থামানো যাবে না।’
গণসংহতি আন্দোলনের রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য দেওয়ান আবদুর রশিদ নীলুর সভাপতিত্বে ও সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য জুলহাসনাইন বাবুর সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন গণসংহতি আন্দোলনের নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল, রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য মনির উদ্দীন পাপ্পু।
এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গণসংহতি আন্দোলনের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য বাচ্চু ভূইয়া, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আলিফ দেওয়ান, মিজানুর রহমান, সৈকত মল্লিক, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ গণসংহতি আন্দোলনের সদস্য সচিব সেলিমুজ্জামান, বাংলাদেশ যুব ফেডারেশনের আহ্বায়ক উৎসব মোসাদ্দেক ও বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সৈকত আরিফ।

সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলায় এনসিপির ‘দেশ গড়তে জুলাই জাগরণ কর্মসূচি’ উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
১ দিন আগে
সিলেটে জামায়াতের জনসভায় দলটির আমিরের বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে বিএনপি মহাসচিব বলেন, জামায়াতের নেতার উচিত নিজেদের দলের গঠনতন্ত্র আগে ভালোভাবে পড়া।
২ দিন আগে
রোববার (২৬ জুলাই) বিকেল ৪টায় রাজধানীর তোপখানা রোডে কালের দাবি প্রকাশনার কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, শিক্ষাবিদ, গবেষক, লেখক, সাংবাদিক, কবি, সংস্কৃতিকর্মী, বুদ্ধিজীবী, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সহযোদ্ধাসহ প্রায় তিন শতাধিক অতিথি অংশ নেন।
৩ দিন আগে
বিএনপিও ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের পথে হাঁটা শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, এখন যারা সরকারে আছে, তারাও (বিএনপি) মজলুম ছিল। কিন্তু তারাও ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের পথে হাঁটা শুরু করেছে। সমাজের সব ক্ষেত্রে বেপরোয়া নির্লজ্জ দলীয়করণ করে দুর্নীতিকে তারা জাতীয়করণ
৪ দিন আগে