
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

অন্তর্বর্তী সরকারের মধ্যে 'কিচেন কেবিনেট' আছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, আমরা শুনতে পাচ্ছি, 'তারা সরকার প্রধানের কান ভারী করেন এবং উন্নয়নমূলক কোনো সিদ্ধান্ত নিতে দেন না। তাদের কারণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস একাই কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না। তিনি তো প্রধান উপদেষ্টা, প্রধানমন্ত্রীর সমমর্যাদা। তিনি তো উন্নয়নে কিছু সিদ্ধান্ত একাই নিতে পারেন।'
বুধবার (৫ মার্চ) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ননএমপিও ভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওর দাবিতে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচিতে শরিক হয়ে তিনি একথা বলেন। একযোগে দেশের সব নন এমপিও ভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এই কর্মসূচি পালন করছে।
রিজভী বলেন, 'যারা সমাজে আলো ছড়ায়, মানুষকে আলোকিত করে তাদেরকে ধরনা দিতে হচ্ছে সচিবালয়ে অথচ যারা বাজারে সিন্ডিকেট করছে, তারা কিন্তু গ্রেপ্তার হন না। এ ব্যাপারে অন্তবর্তী সরকারের কোন ভ্রুক্ষেপ দেখি না। পেটের ক্ষুধা থেকে ননএমপিও ভুক্ত শিক্ষকরা যে দাবি তুলেছেন, তাতে কোন কর্ণপাত করছে না সরকার।'
তিনি বলেন, এ সরকার তো আবু সাঈদে রক্তের সরকার, মুগ্ধের রক্তের সরকার। যারা সমাজে আলো ছড়ায়, তারা খেয়ে বেঁচে থাকার জন্য রাস্তায় অবস্থান করছে অথচ সরকাবের পক্ষ থেকে দাবি দাওয়া পূরণে কোনো আশ্বাস নেই। তার মানে সরকারে কিছু গণবিরোধী আছে।
রিজভী বলেন, এখানে অনেক শিক্ষক আছেন যারা ২৭ বছর ধরে ছাত্র তৈরি করেছেন, যারা সমাজের অনেক দায়িত্ব পালন করছেন। এরা কি দেশের নাগরিক না? তাহলে তাদের থেকে সরকার কেন মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন? প্রধান উপদেষ্টা তো শিক্ষক বান্ধব, তিনি শিক্ষকদের নিয়েই আন্দোলন করেছেন। তবে তার উপদেষ্টা পরিষদে কিছু গণবিরোধী উপদেষ্টা আছেন, তারা এগুলো হতে দিচ্ছে না। শিক্ষকদের অনাহারে রেখে, তার সন্তানদের অনাহারে রেখে আপনার কি আনন্দ পাবেন? তাদের দিকে প্রধান উপদেষ্টা দৃষ্টি দিতে দিচ্ছেন না কেন?'
রিজভী আরও বলেন, 'ড. আমিনুল ইসলাম একজন মেধাবী, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ। তার নাম শিক্ষা উপদেষ্টা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল আবার বিকেলে গণমাধ্যমে দেখলাম তার জায়গায় আরেক জনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। ড আমিনুল ইসলামের মতো একজন বিশিষ্ট সুনামধন্য ও খ্যাতিমান শিক্ষকের সঙ্গে এমন আচরণ কেন?'

অন্তর্বর্তী সরকারের মধ্যে 'কিচেন কেবিনেট' আছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, আমরা শুনতে পাচ্ছি, 'তারা সরকার প্রধানের কান ভারী করেন এবং উন্নয়নমূলক কোনো সিদ্ধান্ত নিতে দেন না। তাদের কারণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস একাই কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না। তিনি তো প্রধান উপদেষ্টা, প্রধানমন্ত্রীর সমমর্যাদা। তিনি তো উন্নয়নে কিছু সিদ্ধান্ত একাই নিতে পারেন।'
বুধবার (৫ মার্চ) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ননএমপিও ভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওর দাবিতে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচিতে শরিক হয়ে তিনি একথা বলেন। একযোগে দেশের সব নন এমপিও ভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এই কর্মসূচি পালন করছে।
রিজভী বলেন, 'যারা সমাজে আলো ছড়ায়, মানুষকে আলোকিত করে তাদেরকে ধরনা দিতে হচ্ছে সচিবালয়ে অথচ যারা বাজারে সিন্ডিকেট করছে, তারা কিন্তু গ্রেপ্তার হন না। এ ব্যাপারে অন্তবর্তী সরকারের কোন ভ্রুক্ষেপ দেখি না। পেটের ক্ষুধা থেকে ননএমপিও ভুক্ত শিক্ষকরা যে দাবি তুলেছেন, তাতে কোন কর্ণপাত করছে না সরকার।'
তিনি বলেন, এ সরকার তো আবু সাঈদে রক্তের সরকার, মুগ্ধের রক্তের সরকার। যারা সমাজে আলো ছড়ায়, তারা খেয়ে বেঁচে থাকার জন্য রাস্তায় অবস্থান করছে অথচ সরকাবের পক্ষ থেকে দাবি দাওয়া পূরণে কোনো আশ্বাস নেই। তার মানে সরকারে কিছু গণবিরোধী আছে।
রিজভী বলেন, এখানে অনেক শিক্ষক আছেন যারা ২৭ বছর ধরে ছাত্র তৈরি করেছেন, যারা সমাজের অনেক দায়িত্ব পালন করছেন। এরা কি দেশের নাগরিক না? তাহলে তাদের থেকে সরকার কেন মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন? প্রধান উপদেষ্টা তো শিক্ষক বান্ধব, তিনি শিক্ষকদের নিয়েই আন্দোলন করেছেন। তবে তার উপদেষ্টা পরিষদে কিছু গণবিরোধী উপদেষ্টা আছেন, তারা এগুলো হতে দিচ্ছে না। শিক্ষকদের অনাহারে রেখে, তার সন্তানদের অনাহারে রেখে আপনার কি আনন্দ পাবেন? তাদের দিকে প্রধান উপদেষ্টা দৃষ্টি দিতে দিচ্ছেন না কেন?'
রিজভী আরও বলেন, 'ড. আমিনুল ইসলাম একজন মেধাবী, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ। তার নাম শিক্ষা উপদেষ্টা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল আবার বিকেলে গণমাধ্যমে দেখলাম তার জায়গায় আরেক জনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। ড আমিনুল ইসলামের মতো একজন বিশিষ্ট সুনামধন্য ও খ্যাতিমান শিক্ষকের সঙ্গে এমন আচরণ কেন?'

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম বুলবুল বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার জুলাইকে পদদলিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিএনপি আগামী দিনে বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিশ্বাসঘাতক হিসেবে জনগণের কাছে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।’
৫ ঘণ্টা আগে
এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও কৃষি বিষয়ক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান বলেন, ঢাকা শহরের যত শ্রমিক আছেন, তাদের মধ্য থেকে একভাগ শ্রমিককেও আমরা সংগঠিত করতে পারিনি। আমরা যদি দুই ভাগ লোককে সংগঠিত করতে পারি, তাহলে আমাদের শ্রমিক সমাবেশ সফল হবে।
২১ ঘণ্টা আগে
সব রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের জন্য জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দরজা উন্মুক্ত বলে জানিয়েছেন দলটির উত্তরবঙ্গের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম। তিনি বলেছেন, আপনারা আগে যেই রাজনৈতিক দলই করুন না কেন, আপনাদের যদি ফ্যাসিবাদের সঙ্গে- তাদের ওই ফৌজদারি অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা না থাকে, আপনারা যদি জুলাই গণঅভ্যু
২১ ঘণ্টা আগে
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার রাতে শাহবাগ থানায় সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালায় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। হামলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ প্রায় ১০ জন আহত হয়েছেন।
১ দিন আগে