
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি বিষয়ে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে শনিবার আলোচনায় বসতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কিন্তু বিএনপি বলছে, আলোচনায় অংশ নেওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের সবাই হয় জেলে, না হয় পলাতক আছেন।
আগামী বছরের জানুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিতব্য দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে নিজেদের প্রস্তুতি সম্পর্কে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে পরামর্শ করতে এই আলোচনা সভা ডেকেছে নির্বাচন কমিশন।
বিএনপি নেতারা বলছেন, দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ নীতিনির্ধারকরা জেলে। অন্যান্য নেতারা পুলিশি অভিযানের কারণে পলাতক। তাদের মতে, নির্বাচন কমিশনের এই আলোচনা কোনো সুফল বয়ে আনবে না।
গত বুধবার প্রধান বিরোধী দল বিএনপি ও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগসহ ৪৪টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলকে আগামী সাধারণ নির্বাচনের ইসির প্রস্তুতির অগ্রগতিসহ বিভিন্ন ইস্যুতে আলোচনায় অংশ নিতে চিঠি দেয় ইসি।
চিঠিতে ইসি বলেছে, সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ায় ৩১ অক্টোবর থেকে ২৮ জানুয়ারির মধ্যে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। নির্বাচন কমিশন নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার আয়োজন করেছে। সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রস্তুতির অগ্রগতিসহ সার্বিক বিষয় আলোচনা হবে এই বৈঠকে।
চিঠিতে রাজনৈতিক দলগুলোকে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বা মনোনীত দুজন প্রতিনিধিকে আলোচনায় পাঠাতে অনুরোধ করা হয়েছে ইসির পক্ষ থেকে।
গত বৃহস্পতিবার, নির্বাচন কমিশনের একজন কর্মচারী বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে উদ্দেশ্য করে একটি আমন্ত্রণপত্র নিয়ে দলটির নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যান। সেখানে কাউকে না পেয়ে দলের তালাবদ্ধ গেটের ভিতর একটি চেয়ারে চিঠিটি রেখে আসেন।
২৮ অক্টোবর মহাসমাবেশের সময় পুলিশ, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের কর্মী ও বিএনপির কর্মীদের মধ্যে মারাত্মক সংঘর্ষের পর থেকেই তালাবদ্ধ রয়েছে বিরোধী দলের প্রধান কার্যালয়। সেদিন পুলিশ কনস্টেবল আমিরুল হক হত্যা মামলায় বিএনপির সিনিয়র নেতারা পলাতক রয়েছেন। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে গ্রেপ্তার হয়েছেন।
বিএনপি ছাড়াও বিরোধী রাজনৈতিক দল ও জোটের অনেকেই ইসি আয়োজিত শনিবারের আলোচনায় যাচ্ছে না।
তবে ক্ষমতাসীন জোটে থাকা বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল (এম.এল), জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ, গণতন্ত্রী পার্টি, বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন, জাতীয় পার্টি – জেপি এবং বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি ইসি আয়োজিত আলোচনায় অংশ নেবে।
এদিকে স্বরাস্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ পুলিশের বক্তব্যে ধারণা পাওয়া যায় যে, চলমান গ্রেপ্তার অভিযান সহসা থামছে না। তা ছাড়া আগামী রবিবার ও সোমবার ৪৮ ঘন্টা অবরোধের ডাক দিয়েছে বিএনপিসহ সরকার বিরোধী দলগুলো।

জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি বিষয়ে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে শনিবার আলোচনায় বসতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কিন্তু বিএনপি বলছে, আলোচনায় অংশ নেওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের সবাই হয় জেলে, না হয় পলাতক আছেন।
আগামী বছরের জানুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিতব্য দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে নিজেদের প্রস্তুতি সম্পর্কে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে পরামর্শ করতে এই আলোচনা সভা ডেকেছে নির্বাচন কমিশন।
বিএনপি নেতারা বলছেন, দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ নীতিনির্ধারকরা জেলে। অন্যান্য নেতারা পুলিশি অভিযানের কারণে পলাতক। তাদের মতে, নির্বাচন কমিশনের এই আলোচনা কোনো সুফল বয়ে আনবে না।
গত বুধবার প্রধান বিরোধী দল বিএনপি ও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগসহ ৪৪টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলকে আগামী সাধারণ নির্বাচনের ইসির প্রস্তুতির অগ্রগতিসহ বিভিন্ন ইস্যুতে আলোচনায় অংশ নিতে চিঠি দেয় ইসি।
চিঠিতে ইসি বলেছে, সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ায় ৩১ অক্টোবর থেকে ২৮ জানুয়ারির মধ্যে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। নির্বাচন কমিশন নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার আয়োজন করেছে। সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রস্তুতির অগ্রগতিসহ সার্বিক বিষয় আলোচনা হবে এই বৈঠকে।
চিঠিতে রাজনৈতিক দলগুলোকে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বা মনোনীত দুজন প্রতিনিধিকে আলোচনায় পাঠাতে অনুরোধ করা হয়েছে ইসির পক্ষ থেকে।
গত বৃহস্পতিবার, নির্বাচন কমিশনের একজন কর্মচারী বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে উদ্দেশ্য করে একটি আমন্ত্রণপত্র নিয়ে দলটির নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যান। সেখানে কাউকে না পেয়ে দলের তালাবদ্ধ গেটের ভিতর একটি চেয়ারে চিঠিটি রেখে আসেন।
২৮ অক্টোবর মহাসমাবেশের সময় পুলিশ, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের কর্মী ও বিএনপির কর্মীদের মধ্যে মারাত্মক সংঘর্ষের পর থেকেই তালাবদ্ধ রয়েছে বিরোধী দলের প্রধান কার্যালয়। সেদিন পুলিশ কনস্টেবল আমিরুল হক হত্যা মামলায় বিএনপির সিনিয়র নেতারা পলাতক রয়েছেন। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে গ্রেপ্তার হয়েছেন।
বিএনপি ছাড়াও বিরোধী রাজনৈতিক দল ও জোটের অনেকেই ইসি আয়োজিত শনিবারের আলোচনায় যাচ্ছে না।
তবে ক্ষমতাসীন জোটে থাকা বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল (এম.এল), জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ, গণতন্ত্রী পার্টি, বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন, জাতীয় পার্টি – জেপি এবং বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি ইসি আয়োজিত আলোচনায় অংশ নেবে।
এদিকে স্বরাস্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ পুলিশের বক্তব্যে ধারণা পাওয়া যায় যে, চলমান গ্রেপ্তার অভিযান সহসা থামছে না। তা ছাড়া আগামী রবিবার ও সোমবার ৪৮ ঘন্টা অবরোধের ডাক দিয়েছে বিএনপিসহ সরকার বিরোধী দলগুলো।

হবিগঞ্জে দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করে তাদের অবরুদ্ধ রাখার প্রতিবাদে সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। পাশাপাশি যে হবিগঞ্জে হামলার ঘটনা ঘটেছে, সেখানে ফের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছেন এনসিপির মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম। বিএনপি কত রক্ত ঝরা
১৭ ঘণ্টা আগে
সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলায় এনসিপির ‘দেশ গড়তে জুলাই জাগরণ কর্মসূচি’ উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
১ দিন আগে
সিলেটে জামায়াতের জনসভায় দলটির আমিরের বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে বিএনপি মহাসচিব বলেন, জামায়াতের নেতার উচিত নিজেদের দলের গঠনতন্ত্র আগে ভালোভাবে পড়া।
২ দিন আগে
রোববার (২৬ জুলাই) বিকেল ৪টায় রাজধানীর তোপখানা রোডে কালের দাবি প্রকাশনার কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, শিক্ষাবিদ, গবেষক, লেখক, সাংবাদিক, কবি, সংস্কৃতিকর্মী, বুদ্ধিজীবী, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সহযোদ্ধাসহ প্রায় তিন শতাধিক অতিথি অংশ নেন।
৩ দিন আগে