
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

প্রশাসনকে ব্যবহার করে পাতানো নির্বাচনের মাধ্যমে আবার ক্ষমতায় আসার দিন শেষ জানিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও দলটির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া বলেছেন, কেউ যদি মনে করেন শেখ হাসিনার মতো পার পেয়ে যাবেন, তবে তিনি ভুল করছেন। ৫ আগস্ট–পরবর্তী বাংলাদেশে আর তা সম্ভব নয়।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে নাটোরের সিংড়া উপজেলার নাটোর-৩ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী জার্জিস কাদিরের নির্বাচনী পদযাত্রায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আসিফ মাহমুদ বলেন, বিগত তিনটি পাতানো নির্বাচনের মাধ্যমে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসেছিলেন। কিন্তু প্রয়োজনে দেশের মানুষ ভোটাধিকার রক্ষায় জীবন দিতেও প্রস্তুত রয়েছে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনে কোনো অভিযোগ দিলে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। অথচ বিএনপি কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এক প্রার্থীকে শোকজ করার পরদিনই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, প্রশাসন ততই তাদের পুরোনো চরিত্র প্রকাশ করছে। নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের পক্ষপাতিত্বের কারণে এখন কিছু সরকারি কর্মকর্তাও প্রকাশ্যে ধানের শীষের পক্ষে ভোট চাইছেন, যা গণতন্ত্রের জন্য মারাত্মক হুমকি।
প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করে তিনি বলেন, পঞ্চগড়ের একজন প্রিজাইডিং কর্মকর্তার ধানের শীষের পক্ষে ভোট চাওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এটি প্রমাণ করে যে প্রশাসনের একটি অংশ নিরপেক্ষতা হারিয়েছে।
এ সময় এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি মনিরা শারমিন, জেলা কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব হাফিজুর রহমান ময়না, যুগ্ম আহ্বায়ক তাহাশ নূরসহ ১১ দলীয় জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রশাসনকে ব্যবহার করে পাতানো নির্বাচনের মাধ্যমে আবার ক্ষমতায় আসার দিন শেষ জানিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও দলটির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া বলেছেন, কেউ যদি মনে করেন শেখ হাসিনার মতো পার পেয়ে যাবেন, তবে তিনি ভুল করছেন। ৫ আগস্ট–পরবর্তী বাংলাদেশে আর তা সম্ভব নয়।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে নাটোরের সিংড়া উপজেলার নাটোর-৩ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী জার্জিস কাদিরের নির্বাচনী পদযাত্রায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আসিফ মাহমুদ বলেন, বিগত তিনটি পাতানো নির্বাচনের মাধ্যমে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসেছিলেন। কিন্তু প্রয়োজনে দেশের মানুষ ভোটাধিকার রক্ষায় জীবন দিতেও প্রস্তুত রয়েছে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনে কোনো অভিযোগ দিলে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। অথচ বিএনপি কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এক প্রার্থীকে শোকজ করার পরদিনই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, প্রশাসন ততই তাদের পুরোনো চরিত্র প্রকাশ করছে। নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের পক্ষপাতিত্বের কারণে এখন কিছু সরকারি কর্মকর্তাও প্রকাশ্যে ধানের শীষের পক্ষে ভোট চাইছেন, যা গণতন্ত্রের জন্য মারাত্মক হুমকি।
প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করে তিনি বলেন, পঞ্চগড়ের একজন প্রিজাইডিং কর্মকর্তার ধানের শীষের পক্ষে ভোট চাওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এটি প্রমাণ করে যে প্রশাসনের একটি অংশ নিরপেক্ষতা হারিয়েছে।
এ সময় এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি মনিরা শারমিন, জেলা কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব হাফিজুর রহমান ময়না, যুগ্ম আহ্বায়ক তাহাশ নূরসহ ১১ দলীয় জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আগামীতে হয়তো এমনও শুনতে হবে যে, জামায়াতে ইসলাম এ দেশের স্বাধীনতার পক্ষে যুদ্ধ করেছিল–এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও কক্সবাজার-০১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমদ।
১৪ ঘণ্টা আগে
তিনি আরও বলেন, বিএনপি এমন একটি দল, এ দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র ও দেশের মানুষ বিএনপি ও তারেক রহমানের কাছে নিরাপদ। তাই আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ব্যালট বিপ্লবের মাধ্যমে বিএনপিকে এ দেশের ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করার আহ্বান জানান তিনি।
১৪ ঘণ্টা আগে
মাহদী আমিন বলেন, বিএনপির ক্রমবর্ধমান গণজোয়ার ও জনসমর্থনের মুখে ওই দলটি জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সে কারণেই তারা সুস্থ রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার পথ ছেড়ে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও অপতথ্য ছড়ানোর কৌশল বেছে নিয়েছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
কর্নেল অলিকে জামায়াতের আমির সরাসরি ‘স্বাধীনতার ঘোষক’ না বললেও বিদ্রোহের সূচনাকারী হিসেবে তার নাম উল্লেখ করেছেন। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করলেও জামায়াতের আমির বলেছেন, কর্নেল অলিই প্রথম বিদ্রোহ করেছিলেন এবং জিয়াউর র
১৬ ঘণ্টা আগে