
ঢাবি প্রতিনিধি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে (ডাকসু) বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলের ভেতরে সংবাদ সংগ্রহের সময় মারা যাওয়া সাংবাদিক তরিকুল ইসলাম শিবলীর (৪০) বাসায় গিয়েছেন ডাকসুর নবনির্বাচিত ভিপি সাদিক কায়েম ও জিএস এসএম ফরহাদ। এ সময় পরিবারটিকে ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে ২ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।
শুক্রবার (১২) রাতে ডাকসুর জিএস এসএম ফরহাদ নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, ডাকসু নির্বাচনের দিন সংবাদ কাভার করতে গিয়ে ইন্তেকাল করেছেন তরিকুল শিবলী ভাই। তিনি রেখে গেছেন দুই সন্তান। বড় সন্তান আয়াতের বয়স চার বছর এবং ছোট সন্তান আজমীনের বয়স দেড় বছর।
চার বছর বয়সী আয়াত দীর্ঘ আলাপের ফাঁকে আমাকে বলছে- আমার বাবাকে আল্লাহ নিয়ে গেছেন এবং আল্লাহ বাবাকে সুন্দর একটা জায়গায় রেখেছেন। যেহেতু বাবা আসবেন না, তাই আমি আমার মা ও ছোট বোন আজমীনের খোঁজখবর রাখবো, আদর করবো। অবুঝ শিশুর মুখে এমন ভারি কথা!
তিনি আরও লেখেন, আমরা পরিবারের সঙ্গে প্রাথমিক সাক্ষাতে ছোট্ট দুই শিশুর খরচের জন্য ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে আপাতত দুই লাখ টাকা পৌঁছে দিয়েছি। ইনশাআল্লাহ, আমরা সকল প্রয়োজনে সাধ্যমতো পরিবারটির পাশে থাকবো। বাবা হারানো ছোট্ট শিশুদের জন্য দোয়া চাই।
শিবলীর পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদও উপস্থিত ছিলেন। ফরহাদ তার ফেসবুক পোস্টে শিবলীর সন্তানদের সঙ্গে তোলা তিনটি ছবিও শেয়ার করেছেন।
উল্লেখ্য, তরিকুল ইসলাম শিবলী চ্যানেল এস টেলিভিশনের সিটি রিপোর্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত ৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে (ডাকসু) সংবাদ সংগ্রহের পর অফিসে ফেরার পথে বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলের সামনে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। দুপুর দেড়টার দিকে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে (ডাকসু) বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলের ভেতরে সংবাদ সংগ্রহের সময় মারা যাওয়া সাংবাদিক তরিকুল ইসলাম শিবলীর (৪০) বাসায় গিয়েছেন ডাকসুর নবনির্বাচিত ভিপি সাদিক কায়েম ও জিএস এসএম ফরহাদ। এ সময় পরিবারটিকে ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে ২ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।
শুক্রবার (১২) রাতে ডাকসুর জিএস এসএম ফরহাদ নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, ডাকসু নির্বাচনের দিন সংবাদ কাভার করতে গিয়ে ইন্তেকাল করেছেন তরিকুল শিবলী ভাই। তিনি রেখে গেছেন দুই সন্তান। বড় সন্তান আয়াতের বয়স চার বছর এবং ছোট সন্তান আজমীনের বয়স দেড় বছর।
চার বছর বয়সী আয়াত দীর্ঘ আলাপের ফাঁকে আমাকে বলছে- আমার বাবাকে আল্লাহ নিয়ে গেছেন এবং আল্লাহ বাবাকে সুন্দর একটা জায়গায় রেখেছেন। যেহেতু বাবা আসবেন না, তাই আমি আমার মা ও ছোট বোন আজমীনের খোঁজখবর রাখবো, আদর করবো। অবুঝ শিশুর মুখে এমন ভারি কথা!
তিনি আরও লেখেন, আমরা পরিবারের সঙ্গে প্রাথমিক সাক্ষাতে ছোট্ট দুই শিশুর খরচের জন্য ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে আপাতত দুই লাখ টাকা পৌঁছে দিয়েছি। ইনশাআল্লাহ, আমরা সকল প্রয়োজনে সাধ্যমতো পরিবারটির পাশে থাকবো। বাবা হারানো ছোট্ট শিশুদের জন্য দোয়া চাই।
শিবলীর পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদও উপস্থিত ছিলেন। ফরহাদ তার ফেসবুক পোস্টে শিবলীর সন্তানদের সঙ্গে তোলা তিনটি ছবিও শেয়ার করেছেন।
উল্লেখ্য, তরিকুল ইসলাম শিবলী চ্যানেল এস টেলিভিশনের সিটি রিপোর্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত ৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে (ডাকসু) সংবাদ সংগ্রহের পর অফিসে ফেরার পথে বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলের সামনে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। দুপুর দেড়টার দিকে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বিরোধীদলের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, তারা নতুন ফ্যাসিবাদের অভিযোগ তুলছে, অথচ তাদের নিজেদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেই ফ্যাসিবাদী মানসিকতার প্রতিফলন দেখা যায়।
৬ দিন আগে
‘‘উনাদের ওই বক্তব্যটা টোটালি পলিটিক্যাল স্ট্যান্টবাজি, রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত। তারা যদি সরকারের বিরুদ্ধে আচরণই করত, তারা যদি সরকারের সুযোগ-সুবিধাই না নিত, তাহলে সরকার গঠন হওয়ার পরদিনই তাদের পদত্যাগ করে চলে যাওয়ার কথা’’
৬ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
৭ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৭ দিন আগে