
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের বলেছেন, নির্বাচনে যাওয়ার এখনও পরিবেশ তৈরি হয়নি। নির্বাচনে গেলে স্যাংশন আসারও সম্ভাবনা রয়েছে। এই অবস্থায় যদি আমরা নির্বাচনে যাই, আর যদি পরবর্তীতে সরকার সমস্যায় পড়ে তাহলে কী হবে?
মঙ্গলবার রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভার সমাপনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় অংশ নেয়া নেতাদের উদ্দেশে জিএম কাদের বলেন, আপনারা আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন সিদ্ধান্ত নেওয়ার। নানা বিষয়ে আমাকে ভেবে দেখতে হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের চিঠি এসেছে আমাদের কাছে। এই চিঠির গুরুত্ব অনেক। এটা যুক্তরাষ্ট্রের অফিসিয়াল চিঠি। তারা সংলাপ চাচ্ছে। আমরাও সংলাপের কথা বলে আসছি।
তিনি আরও বলেন, আমরা আর কোনো দলের মুখাপেক্ষী থাকতে চাই না। এখন দলগতভাবে আমরা অনেক শক্তিশালী। আমাদের ইউনিটি অন্য সময়ের থেকে অনেক বেশি এখন।
জিএম কাদের বলেন, এখন যে রাজনৈতিক পরিস্থিতি, তাতে সবগুলো রাজনৈতিক দল খাদের কিনারে চলে এসেছে। সঠিক সিদ্ধান্ত না নিতে পারলে দল গভীর খাদের কিনারে চলে যেতে পারে, পড়তে পারে অস্তিত্ব সংকটে। তবে দল এখনো পর্যন্ত নির্বাচনে যাবে কি না বা আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোট বাঁধবে কি না এসব বিষয়ে অবস্থার প্রেক্ষাপটে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
দলের মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, শুধুমাত্র জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে রাজনীতি নয়, ক্ষমতার রাজনীতিতে কিছু কৌশলও অবলম্বন করতে হয়। এখানে দাবার গুটি যে চতুরভাবে চালতে পারবে সেই সফল হবে। দলের প্রয়োজনে হয়ত আমাদের আদর্শ-নীতির সঙ্গে আপস করতে হতে পারে। যদি তা করতে হয়, তবে আমরা চেয়ারম্যানকে ব্লাইন্ড সাপোর্ট দেব।
এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন জাপার সিনিয়র কো চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, কো চেয়ারম্যান এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার, কাজী ফিরোজ রশীদ, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা ও সালমা ইসলাম প্রমুখ।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের বলেছেন, নির্বাচনে যাওয়ার এখনও পরিবেশ তৈরি হয়নি। নির্বাচনে গেলে স্যাংশন আসারও সম্ভাবনা রয়েছে। এই অবস্থায় যদি আমরা নির্বাচনে যাই, আর যদি পরবর্তীতে সরকার সমস্যায় পড়ে তাহলে কী হবে?
মঙ্গলবার রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভার সমাপনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় অংশ নেয়া নেতাদের উদ্দেশে জিএম কাদের বলেন, আপনারা আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন সিদ্ধান্ত নেওয়ার। নানা বিষয়ে আমাকে ভেবে দেখতে হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের চিঠি এসেছে আমাদের কাছে। এই চিঠির গুরুত্ব অনেক। এটা যুক্তরাষ্ট্রের অফিসিয়াল চিঠি। তারা সংলাপ চাচ্ছে। আমরাও সংলাপের কথা বলে আসছি।
তিনি আরও বলেন, আমরা আর কোনো দলের মুখাপেক্ষী থাকতে চাই না। এখন দলগতভাবে আমরা অনেক শক্তিশালী। আমাদের ইউনিটি অন্য সময়ের থেকে অনেক বেশি এখন।
জিএম কাদের বলেন, এখন যে রাজনৈতিক পরিস্থিতি, তাতে সবগুলো রাজনৈতিক দল খাদের কিনারে চলে এসেছে। সঠিক সিদ্ধান্ত না নিতে পারলে দল গভীর খাদের কিনারে চলে যেতে পারে, পড়তে পারে অস্তিত্ব সংকটে। তবে দল এখনো পর্যন্ত নির্বাচনে যাবে কি না বা আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোট বাঁধবে কি না এসব বিষয়ে অবস্থার প্রেক্ষাপটে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
দলের মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, শুধুমাত্র জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে রাজনীতি নয়, ক্ষমতার রাজনীতিতে কিছু কৌশলও অবলম্বন করতে হয়। এখানে দাবার গুটি যে চতুরভাবে চালতে পারবে সেই সফল হবে। দলের প্রয়োজনে হয়ত আমাদের আদর্শ-নীতির সঙ্গে আপস করতে হতে পারে। যদি তা করতে হয়, তবে আমরা চেয়ারম্যানকে ব্লাইন্ড সাপোর্ট দেব।
এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন জাপার সিনিয়র কো চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, কো চেয়ারম্যান এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার, কাজী ফিরোজ রশীদ, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা ও সালমা ইসলাম প্রমুখ।

বিএনপিও ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের পথে হাঁটা শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, এখন যারা সরকারে আছে, তারাও (বিএনপি) মজলুম ছিল। কিন্তু তারাও ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের পথে হাঁটা শুরু করেছে। সমাজের সব ক্ষেত্রে বেপরোয়া নির্লজ্জ দলীয়করণ করে দুর্নীতিকে তারা জাতীয়করণ
৪ দিন আগে
সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলে আগামী পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ করে যেতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন না করলে বিএনপি সরকারকে আর সহযোগিতা করা হবে না।
৪ দিন আগে
শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার তৃতীয় সাধারণ অধিবেশনে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
৪ দিন আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মেঘমল্লার বসু ও মাঈন আহমেদের দাখিল করা পদত্যাগপত্র কেন্দ্রীয় সংসদে গৃহীত হয়েছে। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ায় একই সঙ্গে দুটি রাজনৈতিক সংগঠনের দায়িত্ব পালন করলে সাংগঠনিক মতদ্বৈধতা বা স্বার্থের দ্বন্দ্ব (কনফ্লিক্
৪ দিন আগে