
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে (চমেক) সব ধরনের রাজনীতি স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। চমেকে শিক্ষকদের রাজনীতিও বন্ধের ঘোষণা করা হয়েছে।
শনিবার (১০ আগস্ট) ঢামেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. শফিকুল আলম চৌধুরী ও চমেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. সাহেনা আক্তার স্বাক্ষরিত পৃথক পৃথক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
ঢাকা মেডিকেল কলেজের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১০ আগস্ট ঢাকা মেডিকেল কলেজের একাডেমিক কাউন্সিলের জরুরি সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শহীদদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনাসহ শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত সব শিক্ষার্থীদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাস, শহীদ ডা. ফজলে রাব্বি ছাত্রাবাস এবং ডা. আলীম চৌধুরী ছাত্রীবাসে সকল প্রকার ছাত্ররাজনীতি (ছাত্রলীগ, ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, অন্যান্য এবং নতুনভাবে গঠিত কোনো ছাত্র সংগঠন) স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ থাকবে। এছাড়া ভবিষ্যতে কোনো শিক্ষার্থীকে ক্যাম্পাসে ও হোস্টেলে প্রকাশ্যে বা গোপনে পুনরায় ছাত্ররাজনীতি চর্চা, রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন ও তাতে অন্যদের আহ্বান এবং তাদের সমর্থনমূলক কর্মকাণ্ডে প্রচার বা প্রচারণায় সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে, তার বিরুদ্ধে ক্যাম্পাস ও হোস্টেল থেকে তাৎক্ষণিক শান্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২১ সালের ৩ মার্চ একাডেমিক কাউন্সিলের সভার সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কলেজ ক্যাম্পাসে সুষ্ঠু ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখার লক্ষ্যে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত মেডিকেল কলেজ ও সংশ্লিষ্ট এলাকায় সকল প্রকার সভা-সমাবেশ, মিছিল, স্লোগান ইত্যাদি সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ হয়েছিল। এর সাথে ১০ আগস্ট অনুষ্ঠিত জরুরি সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী ও শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সব ধরণের রাজনৈতিক ও অন্যান্য সংগঠনের কার্যক্রমের সাথে সম্পৃক্ততা নিষিদ্ধ করা হলো।
এ আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের বিধান অনুযায়ী শাস্তি প্রদান করা হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে (চমেক) সব ধরনের রাজনীতি স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। চমেকে শিক্ষকদের রাজনীতিও বন্ধের ঘোষণা করা হয়েছে।
শনিবার (১০ আগস্ট) ঢামেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. শফিকুল আলম চৌধুরী ও চমেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. সাহেনা আক্তার স্বাক্ষরিত পৃথক পৃথক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
ঢাকা মেডিকেল কলেজের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১০ আগস্ট ঢাকা মেডিকেল কলেজের একাডেমিক কাউন্সিলের জরুরি সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শহীদদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনাসহ শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত সব শিক্ষার্থীদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাস, শহীদ ডা. ফজলে রাব্বি ছাত্রাবাস এবং ডা. আলীম চৌধুরী ছাত্রীবাসে সকল প্রকার ছাত্ররাজনীতি (ছাত্রলীগ, ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, অন্যান্য এবং নতুনভাবে গঠিত কোনো ছাত্র সংগঠন) স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ থাকবে। এছাড়া ভবিষ্যতে কোনো শিক্ষার্থীকে ক্যাম্পাসে ও হোস্টেলে প্রকাশ্যে বা গোপনে পুনরায় ছাত্ররাজনীতি চর্চা, রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন ও তাতে অন্যদের আহ্বান এবং তাদের সমর্থনমূলক কর্মকাণ্ডে প্রচার বা প্রচারণায় সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে, তার বিরুদ্ধে ক্যাম্পাস ও হোস্টেল থেকে তাৎক্ষণিক শান্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২১ সালের ৩ মার্চ একাডেমিক কাউন্সিলের সভার সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কলেজ ক্যাম্পাসে সুষ্ঠু ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখার লক্ষ্যে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত মেডিকেল কলেজ ও সংশ্লিষ্ট এলাকায় সকল প্রকার সভা-সমাবেশ, মিছিল, স্লোগান ইত্যাদি সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ হয়েছিল। এর সাথে ১০ আগস্ট অনুষ্ঠিত জরুরি সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী ও শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সব ধরণের রাজনৈতিক ও অন্যান্য সংগঠনের কার্যক্রমের সাথে সম্পৃক্ততা নিষিদ্ধ করা হলো।
এ আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের বিধান অনুযায়ী শাস্তি প্রদান করা হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

দলীয় নেতারা বলছেন, পরিকল্পিত এই কর্মসূচির মাধ্যমে গণভোট নিয়ে জনসচেতনতা বাড়বে এবং ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে শক্ত জনমত গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
১ দিন আগে
শনিবার (১০ জানুয়ারি) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের আগ্রাবাদ সিডিএ বালুর মাঠে বিএনপি চেয়ারপারসন প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার শান্তি কামনায় দোয়া মাহফিল ও আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দক্ষিণ আগ্রাবাদ ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে এই সভা আয়োজন করা হয়েছে।
২ দিন আগে
নেতৃবৃন্দ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও অত্যন্ত দক্ষতা ও দূরদর্শিতার সাথে দলকে সুসংগঠিত রাখতে তারেক রহমান যে নেতৃত্বের পরিচয় দিয়েছেন, তা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে এক অবিস্মরণীয় ভূমিকা পালন করছে। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাত ধরেই দেশে গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার পুনরুদ
২ দিন আগে
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত এক পত্রে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। আইনি সহায়তা সাব-কমিটির অন্য সদস্যদের নাম শিগগিরই ঘোষণা করা হবে বলে পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
২ দিন আগে