
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির নেতৃত্বে ছাত্রদের যে রাজনৈতিক দল গঠন নিয়ে আলোচনা চলছে, তা সামাজিক ঐক্য গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক নাসিরুদ্দীন পাটোয়ারী।
তিনি বলেন, ‘আমাদের যে নতুন রাজনৈতিক দল আসছে তা হবে মধ্যমপন্থি। দলটি কোনো বাইনারি প্রসেসের মধ্যে থাকবে না, মতাদর্শভিত্তিক বিভাজন থাকবে না। সামাজিকভাবে আমাদের ঐক্যের জায়গা গড়ে তুলতে হবে।’
স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষ্যে শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় বক্তৃতা করতে গিয়ে এ কথা বলেন তিনি। জাতীয় নাগরিক কমিটি এই আলোচনা সভা আয়োজন করে।
বক্তৃতায় ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের নিবন্ধন বাতিলের আহ্বান জানান নাসিরুদ্দীন পাটোয়ারী। বলেন, নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের নিবন্ধন বাতিল করা না হলে জনগণের সামনে গভীর সংকট অপেক্ষা করছে। বাংলাদেশকে একটি গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দেওয়া হবে। এ জন্য সরকার, বিশিষ্ট ব্যক্তি ও রাজনৈতিক দলগুলোকে বলব, দোসরদের প্রতি দয়া দেখাবেন না।
সরকারের উদ্দেশে নাগরিক কমিটির এই আহ্বায়ক বলেন, আওয়ামী লীগকে খুনের দায়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় দ্রুত তাদের নিবন্ধন বাতিল করুন। কারণ খুনি হাসিনার বিচার ও আওয়ামী লীগের ব্যানার— এই দুটির সমাধান যদি আগামী নির্বাচনের আগে আমরা না করতে পারি, তাহলে মানুষগুলো শহিদ হয়ে যে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ চেয়েছিল, সেই গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে ফেরার কোনো পথ থাকবে না।
আওয়ামী লীগের বিচারের দাবি করে নাসির বলেন, আয়নাঘরে আটকে রেখে হত্যা ও নির্যাতনের চিত্র জাতিসংঘের রিপোর্টে উঠে এসেছে। এই আওয়ামী লীগকে বিচারের মধ্য দিয়ে যেতেই হবে।
ট্যাগিংয়ের মাধ্যমে এখনো বিভেদের রাজনীতি চলছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, এটি রুখে দিতে প্রয়োজন রাজনৈতিক ও সামাজিক ঐক্য।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির নেতৃত্বে ছাত্রদের যে রাজনৈতিক দল গঠন নিয়ে আলোচনা চলছে, তা সামাজিক ঐক্য গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক নাসিরুদ্দীন পাটোয়ারী।
তিনি বলেন, ‘আমাদের যে নতুন রাজনৈতিক দল আসছে তা হবে মধ্যমপন্থি। দলটি কোনো বাইনারি প্রসেসের মধ্যে থাকবে না, মতাদর্শভিত্তিক বিভাজন থাকবে না। সামাজিকভাবে আমাদের ঐক্যের জায়গা গড়ে তুলতে হবে।’
স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষ্যে শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় বক্তৃতা করতে গিয়ে এ কথা বলেন তিনি। জাতীয় নাগরিক কমিটি এই আলোচনা সভা আয়োজন করে।
বক্তৃতায় ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের নিবন্ধন বাতিলের আহ্বান জানান নাসিরুদ্দীন পাটোয়ারী। বলেন, নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের নিবন্ধন বাতিল করা না হলে জনগণের সামনে গভীর সংকট অপেক্ষা করছে। বাংলাদেশকে একটি গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দেওয়া হবে। এ জন্য সরকার, বিশিষ্ট ব্যক্তি ও রাজনৈতিক দলগুলোকে বলব, দোসরদের প্রতি দয়া দেখাবেন না।
সরকারের উদ্দেশে নাগরিক কমিটির এই আহ্বায়ক বলেন, আওয়ামী লীগকে খুনের দায়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় দ্রুত তাদের নিবন্ধন বাতিল করুন। কারণ খুনি হাসিনার বিচার ও আওয়ামী লীগের ব্যানার— এই দুটির সমাধান যদি আগামী নির্বাচনের আগে আমরা না করতে পারি, তাহলে মানুষগুলো শহিদ হয়ে যে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ চেয়েছিল, সেই গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে ফেরার কোনো পথ থাকবে না।
আওয়ামী লীগের বিচারের দাবি করে নাসির বলেন, আয়নাঘরে আটকে রেখে হত্যা ও নির্যাতনের চিত্র জাতিসংঘের রিপোর্টে উঠে এসেছে। এই আওয়ামী লীগকে বিচারের মধ্য দিয়ে যেতেই হবে।
ট্যাগিংয়ের মাধ্যমে এখনো বিভেদের রাজনীতি চলছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, এটি রুখে দিতে প্রয়োজন রাজনৈতিক ও সামাজিক ঐক্য।

তিতুমীর বলেন, দেশে মোট গ্যাসের চাহিদা ৩৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফটি)। বর্তমানে সরবরাহ রয়েছে ২৬শ থেকে ২৭শ এমএমসিএফটি। এর মধ্যে ১৬শ এমএমসিএফটি আসে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে এবং এলএনজি থেকে পাওয়া যায় ১ হাজার এমএমসিএফটি।
১ দিন আগে
দুই দেশের সম্পর্ক প্রসঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারতের ইচ্ছা একই, তা হলো সত্যিকারের ভালো প্রতিবেশী হিসেবে থাকা। আমরা সবসময় বলি, কেবল বর্ডার শেয়ার করি না, শেয়ার করি একই স্বপ্ন। দুটো দেশই স্বাধীন, সার্বভৌম ও প্রাণবন্ত গণতন্ত্রের ওপর প্রতিষ্ঠিত।’
১ দিন আগে
সাক্ষাতে সাসাকাওয়াকে বাংলাদেশ সফরের জন্য ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের মানবিক কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন তিনি। রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট উল্লেখ করে তা মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে থাকার জন্য জাপান সরকারকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।
১ দিন আগে
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, চ্যালেঞ্জগুলো একে অন্যের সঙ্গে যুক্ত। ঐতিহাসিক ভাবমূর্তি সংকট দলটির আদর্শিক অবস্থানকে অস্পষ্ট করে তুলেছে। সে অস্পষ্টতা তাদের মাঠের রাজনীতিকেই কেবল নয়, জোটগত রাজনীতিকেও কঠিন করেছে। এর সূত্র ধরেই ভাঙনের মুখেও রয়েছে তাদের নেতৃত্বাধীন জোট।
১ দিন আগে