প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আব্দুল্লাহিল আমান আজমীকে ২০০৯ সালের ২৩ জুন ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানে জড়িত থাকার অভিযোগে সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। তবে সেই অভিযোগের বিরুদ্ধে দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে তার বরখাস্তের আদেশ বাতিল হয়েছে।
শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুল্লাহিল আমান আজমী, পিএসসিকে গত ২৪ ডিসেম্বর তার বরখাস্তের আদেশ প্রমার্জনা করে বরখাস্তের পরিবর্তে ২৪ জুন ২০০৯ তারিখ থেকে ভূতাপেক্ষভাবে বাধ্যতামূলক অবসর প্রদান করা হয়েছে।
এর আগে, বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) রাতে আবদুল্লাহিল আমান আজমীর ভাই সালমান আল আজমী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করে এ খবর নিশ্চিত করেন। তিনি লেখেন, "আলহামদুলিল্লাহ, আমার ভাইয়ের সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্তের আদেশ বাতিল হয়েছে। এখন তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে `ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) আবদুল্লাহিল আমান আযমী`। এই দীর্ঘ সময় ধরে সবাই যেসব দোয়া করেছেন, তার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ।"
প্রসঙ্গত, আবদুল্লাহিল আমান আজমী প্রয়াত জামায়াতে ইসলামীর নেতা অধ্যাপক গোলাম আজমের বড় ছেলে। তিনি সেনাবাহিনীতে একজন মেধাবী ও চৌকস কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং কর্মজীবনে বিভিন্ন পদক ও পুরস্কারে ভূষিত হন।
২০১৬ সালের ২৩ আগস্ট আবদুল্লাহিল আমান আযমী নিখোঁজ হন। হাসিনা সরকারের পতনের পর চলতি বছরের ৬ আগস্ট আয়নাঘর থেকে তিনি নিজ বাসায় ফিরেন এবং এক সংবাদ সম্মেলনে বরখাস্তের আদেশ বাতিলের জন্য আইনি লড়াই চালানোর কথা জানান।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আব্দুল্লাহিল আমান আজমীকে ২০০৯ সালের ২৩ জুন ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানে জড়িত থাকার অভিযোগে সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। তবে সেই অভিযোগের বিরুদ্ধে দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে তার বরখাস্তের আদেশ বাতিল হয়েছে।
শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুল্লাহিল আমান আজমী, পিএসসিকে গত ২৪ ডিসেম্বর তার বরখাস্তের আদেশ প্রমার্জনা করে বরখাস্তের পরিবর্তে ২৪ জুন ২০০৯ তারিখ থেকে ভূতাপেক্ষভাবে বাধ্যতামূলক অবসর প্রদান করা হয়েছে।
এর আগে, বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) রাতে আবদুল্লাহিল আমান আজমীর ভাই সালমান আল আজমী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করে এ খবর নিশ্চিত করেন। তিনি লেখেন, "আলহামদুলিল্লাহ, আমার ভাইয়ের সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্তের আদেশ বাতিল হয়েছে। এখন তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে `ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) আবদুল্লাহিল আমান আযমী`। এই দীর্ঘ সময় ধরে সবাই যেসব দোয়া করেছেন, তার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ।"
প্রসঙ্গত, আবদুল্লাহিল আমান আজমী প্রয়াত জামায়াতে ইসলামীর নেতা অধ্যাপক গোলাম আজমের বড় ছেলে। তিনি সেনাবাহিনীতে একজন মেধাবী ও চৌকস কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং কর্মজীবনে বিভিন্ন পদক ও পুরস্কারে ভূষিত হন।
২০১৬ সালের ২৩ আগস্ট আবদুল্লাহিল আমান আযমী নিখোঁজ হন। হাসিনা সরকারের পতনের পর চলতি বছরের ৬ আগস্ট আয়নাঘর থেকে তিনি নিজ বাসায় ফিরেন এবং এক সংবাদ সম্মেলনে বরখাস্তের আদেশ বাতিলের জন্য আইনি লড়াই চালানোর কথা জানান।
৫ আগস্টের আগে এস এম ফরহাদ বর্তমানে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের কমিটিতে ছিলেন, তা সত্ত্বেও তিনি কীভাবে ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্যানেলে প্রার্থী হলেন— এমন প্রশ্ন তুলে তার প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে রিটে।
৫ ঘণ্টা আগে