
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) নেতারা বলেছেন, বিএনপি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ধ্বংস করতে চায়। তাদের লক্ষ্য দেশবিরোধী শক্তিকে ক্ষমতায় বসানো। গত ২৮ অক্টোবর শান্তিপূর্ণ সমাবেশের নামে বিএনপি-জামায়াত সারা দেশ থেকে আগুনসন্ত্রাসী, গুপ্তহামলাকারীদের জড়ো করে ঢাকায় পুলিশ পিটিয়ে হত্যা করেছে। প্রধান বিচারপতির বাসভবন, অন্যান্য বিচারপতিদের বাসভবনে হামলা করেছে। মার্কেটে আগুন দিয়েছে, বাস পুড়িয়েছে।
শনিবার বঙ্গবন্ধু এভিনিউ জাসদ চত্বরে অনুষ্ঠিত দলের সহযোগী সংগঠন জাতীয় যুব জোটের বিক্ষোভ-সমাবেশে অংশ নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতারা এসব কথা বলেন। বিএনপি-জামায়াতের হরতাল-অবরোধের প্রতিবাদে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, দেশের উন্নয়ন, অপ্রতিরোধ্য অগ্রগতি, গণতান্ত্রিক ধারাকে বাধাগ্রস্ত করতে বিএনপি-জামায়াত একের পর এক হরতাল-অবরোধের নামে গুপ্তহামলা, অগ্নিসংযোগ, হামলা, ভাঙচুরের পথ বেছে নিয়েছে। তারা দেশে অস্বাভাবিক পরিস্থিতি সৃষ্টি এবং সাংবিধানিক ধারার বাইরে নেওয়ার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে।
তারা আরও বলেন, শান্তি বিনষ্টকারী, নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী বিএনপি, বাংলাদেশের উন্নয়ন, অগ্রগতি ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ধ্বংস করতে চায়। তাই বিএনপি-জামায়াতের দেশের যুবসমাজকে এ বিষয়ে সর্তক থাকতে হবে।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন জোটের সভাপতি শরিফুল কবির স্বপন, সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম সুজন, জাসদের সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রোকনুজ্জামান রোকন, যুব জোটের কার্যসহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আবু হানিফ, আসিফুর রহমান বাবু, প্রদীপ কুমার রায়, শুভংকর দে বাপ্পা, ফজলুল কাদের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শামসুল ইসলাম সুমন, সৈকত ইসলাম প্রমুখ।

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) নেতারা বলেছেন, বিএনপি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ধ্বংস করতে চায়। তাদের লক্ষ্য দেশবিরোধী শক্তিকে ক্ষমতায় বসানো। গত ২৮ অক্টোবর শান্তিপূর্ণ সমাবেশের নামে বিএনপি-জামায়াত সারা দেশ থেকে আগুনসন্ত্রাসী, গুপ্তহামলাকারীদের জড়ো করে ঢাকায় পুলিশ পিটিয়ে হত্যা করেছে। প্রধান বিচারপতির বাসভবন, অন্যান্য বিচারপতিদের বাসভবনে হামলা করেছে। মার্কেটে আগুন দিয়েছে, বাস পুড়িয়েছে।
শনিবার বঙ্গবন্ধু এভিনিউ জাসদ চত্বরে অনুষ্ঠিত দলের সহযোগী সংগঠন জাতীয় যুব জোটের বিক্ষোভ-সমাবেশে অংশ নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতারা এসব কথা বলেন। বিএনপি-জামায়াতের হরতাল-অবরোধের প্রতিবাদে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, দেশের উন্নয়ন, অপ্রতিরোধ্য অগ্রগতি, গণতান্ত্রিক ধারাকে বাধাগ্রস্ত করতে বিএনপি-জামায়াত একের পর এক হরতাল-অবরোধের নামে গুপ্তহামলা, অগ্নিসংযোগ, হামলা, ভাঙচুরের পথ বেছে নিয়েছে। তারা দেশে অস্বাভাবিক পরিস্থিতি সৃষ্টি এবং সাংবিধানিক ধারার বাইরে নেওয়ার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে।
তারা আরও বলেন, শান্তি বিনষ্টকারী, নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী বিএনপি, বাংলাদেশের উন্নয়ন, অগ্রগতি ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ধ্বংস করতে চায়। তাই বিএনপি-জামায়াতের দেশের যুবসমাজকে এ বিষয়ে সর্তক থাকতে হবে।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন জোটের সভাপতি শরিফুল কবির স্বপন, সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম সুজন, জাসদের সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রোকনুজ্জামান রোকন, যুব জোটের কার্যসহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আবু হানিফ, আসিফুর রহমান বাবু, প্রদীপ কুমার রায়, শুভংকর দে বাপ্পা, ফজলুল কাদের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শামসুল ইসলাম সুমন, সৈকত ইসলাম প্রমুখ।

রোববার (২৬ জুলাই) বিকেল ৪টায় রাজধানীর তোপখানা রোডে কালের দাবি প্রকাশনার কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, শিক্ষাবিদ, গবেষক, লেখক, সাংবাদিক, কবি, সংস্কৃতিকর্মী, বুদ্ধিজীবী, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সহযোদ্ধাসহ প্রায় তিন শতাধিক অতিথি অংশ নেন।
৩ দিন আগে
বিএনপিও ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের পথে হাঁটা শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, এখন যারা সরকারে আছে, তারাও (বিএনপি) মজলুম ছিল। কিন্তু তারাও ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের পথে হাঁটা শুরু করেছে। সমাজের সব ক্ষেত্রে বেপরোয়া নির্লজ্জ দলীয়করণ করে দুর্নীতিকে তারা জাতীয়করণ
৪ দিন আগে
সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলে আগামী পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ করে যেতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন না করলে বিএনপি সরকারকে আর সহযোগিতা করা হবে না।
৪ দিন আগে
শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার তৃতীয় সাধারণ অধিবেশনে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
৪ দিন আগে