
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

একমাত্র বিএনপিই পারবে দেশের হিন্দু সম্প্রদায়সহ সব সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে সুরক্ষা দিতে মন্তব্য করে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক ভূমি উপমন্ত্রী অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের আমলেই দেশের সংখ্যালঘুরা বারবার নির্যাতিত হয়েছে।
শনিবার দুপুরে নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার বাসুদেবপুর চকপাড়ায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ১৬ প্রহরব্যাপী ধর্মীয় যঞ্জানুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, আওয়ামী আমলে নাটোরের অনেক সোনার দোকান লুট ছাড়াও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে চাকুরিরত সংখ্যালঘু পরিবারের সুন্দরী নারীকে নাটোরের আওয়ামী ক্যাডাররা তাদের আমলে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
দুলু বলেন, ১৯৬২ সালের রায়টের সময় তার পিতা নাসির উদ্দিন তালুকদার এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষকে আশ্রয় দিয়ে রক্ষা করেছিলেন। তিনি নিজে ১৯৯৬ সালে এমপি হওয়ার পর থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত সব বিপদে আপদে এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের পাশে ছিলেন। এখনো আছেন।
এ সময় তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, আগামী দিনে ক্ষমতায় গেলে বিএনপিই এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের সুরক্ষার ব্যবস্থা করবে। কেননা, দেশে একমাত্র বিএনপিই পারবে এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়সহ দেশের সব সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে সুরক্ষা দিতে।
তাই আগামী সংসদ নির্বাচনে দেশের সব সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করার জন্য এবং ভোট দেওয়ার জন্য তিনি আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতা নিতাই কুমার ঠাকুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, নাটোর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহিম নেওযাজ, যুগ্ম সম্পাদক সাইফুল ইসলাম আফতাব, মোস্তাফিজুর রহমান শাহিন, সদস্য শহিদুল ইসলাম বাচ্চু, নাসিম উদ্দিন নাসিম ও শরিফুল ইসলাম বুলবুল।

একমাত্র বিএনপিই পারবে দেশের হিন্দু সম্প্রদায়সহ সব সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে সুরক্ষা দিতে মন্তব্য করে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক ভূমি উপমন্ত্রী অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের আমলেই দেশের সংখ্যালঘুরা বারবার নির্যাতিত হয়েছে।
শনিবার দুপুরে নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার বাসুদেবপুর চকপাড়ায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ১৬ প্রহরব্যাপী ধর্মীয় যঞ্জানুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, আওয়ামী আমলে নাটোরের অনেক সোনার দোকান লুট ছাড়াও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে চাকুরিরত সংখ্যালঘু পরিবারের সুন্দরী নারীকে নাটোরের আওয়ামী ক্যাডাররা তাদের আমলে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
দুলু বলেন, ১৯৬২ সালের রায়টের সময় তার পিতা নাসির উদ্দিন তালুকদার এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষকে আশ্রয় দিয়ে রক্ষা করেছিলেন। তিনি নিজে ১৯৯৬ সালে এমপি হওয়ার পর থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত সব বিপদে আপদে এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের পাশে ছিলেন। এখনো আছেন।
এ সময় তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, আগামী দিনে ক্ষমতায় গেলে বিএনপিই এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের সুরক্ষার ব্যবস্থা করবে। কেননা, দেশে একমাত্র বিএনপিই পারবে এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়সহ দেশের সব সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে সুরক্ষা দিতে।
তাই আগামী সংসদ নির্বাচনে দেশের সব সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করার জন্য এবং ভোট দেওয়ার জন্য তিনি আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতা নিতাই কুমার ঠাকুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, নাটোর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহিম নেওযাজ, যুগ্ম সম্পাদক সাইফুল ইসলাম আফতাব, মোস্তাফিজুর রহমান শাহিন, সদস্য শহিদুল ইসলাম বাচ্চু, নাসিম উদ্দিন নাসিম ও শরিফুল ইসলাম বুলবুল।

শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ভার্চ্যুয়ালি এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করলেও এবারের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। শেখ হাসিনা এতে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির
২ দিন আগে
জনগণের দাবি আদায়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি আসতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘নব্য স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। এ লড়াই ১৮ কোটি মানুষের জন্য। জনগণের দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।’
২ দিন আগে
লংমার্চের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে জামায়াতের আমির বলেন, ‘আপনাদের দাবিতে আমরা রাস্তায় নেমেছি। কোনো দলীয় নয়, ১৮ কোটি মানুষের দাবি নিয়ে নেমেছি।’ একই সঙ্গে তিনি বলেন, জনগণের স্বার্থে ঘোষিত আট দফা দাবি যেকোনো সময় এক দফায় রূপ নিতে পারে।
২ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর জনগণের অধিকার হরণ করছে এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। অতীতে যারা গণতন্ত্র ধ্বংসের সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদের স্থান ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে হয়েছে।
২ দিন আগে