
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী সপ্তাহের দ্বিতীয়ার্ধে ভারত সফরে যেতে পারেন বলে খবর দিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি। খবরে বলা হয়েছে, এ সফরকে সামনে রেখে ঢাকা ও নয়া দিল্লি— দুই রাজধানীতেই প্রস্তুতি চলছে।
সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই হবে তারেক রহমানের প্রথম ভারত সফর। প্রতিবেশী দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে এ সফর গুরুত্বপূর্ণ একটি মুহূর্ত হয়ে উঠতে পারে।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়, সফরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করবেন তারেক রহমান। দুই নেতা দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর মধ্যে বাণিজ্য, যোগাযোগ, জ্বালানি, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার মতো বিষয় রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, দুই দিনের এ সফরকে দ্বিপাক্ষিক সফর হিসেবে আয়োজনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তবে সফরের সময়সূচিসহ বিভিন্ন বিষয় এখনো চূড়ান্ত করার কাজ চলছে।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই ফেব্রুয়ারিতে তারেক রহমানকে নয়াদিল্লি সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছিল ভারত। এ ছাড়া আগামী সেপ্টেম্বরে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকসের আউটরিচ অধিবেশনেও বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত।
এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, দুই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও নরেন্দ্র মোদির বৈঠকের দিকে গভীর নজর থাকবে ঢাকা ও নয়াদিল্লির। তারেক রহমানের ক্ষমতায় ফেরা বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমীকরণে পরিবর্তন এনেছে। একই সঙ্গে ঢাকার সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে ভারতকেও নতুন করে কৌশল ঠিক করতে হয়েছে।
২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক বেশ টানাপোড়েনের মধ্যে পড়ে। এরপর শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান এবং তাকে ফেরত পাঠানোর জন্য বাংলাদেশের অনুরোধসহ বিভিন্ন বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে।
এনডিটিভি বলছে, এ অবস্থায় নতুন বিএনপি সরকার ভারতের সঙ্গে কাজ করতে চায় বলে জানিয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ বাড়ার কিছু ইঙ্গিতও দেখা গেছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান গত এপ্রিলে নয়াদিল্লি সফর করে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেন। এ ছাড়া ১০ আগস্ট ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্কের পরিবেশ উন্নয়নের উপায় নিয়ে আলোচনা হয়।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশ ছাড়ার পর থেকে ভারতে অবস্থান করছেন শেখ হাসিনা। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বাংলাদেশের একটি ট্রাইব্যুনাল তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পর নয়াদিল্লির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকা। ভারত জানিয়েছে, যথাযথ আইনি ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিষয়টি পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
চলতি মাসের শুরুতে নয়াদিল্লিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি মতবিনিময় করলে বিষয়টি আবার সামনে আসে। এর প্রতিক্রিয়ায় ঢাকা ক্ষুব্ধ হয়ে জানায়, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের জন্য ভারতের মাটি ব্যবহার করা উচিত নয়। তবে ওই আয়োজনের সঙ্গে কোনো ধরনের সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করেছে নয়াদিল্লি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, সম্প্রতি তারেক রহমান ও ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠকেও শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি উঠে আসে। দুই সরকারকেই এ বিরোধ এমনভাবে আলোচনায় আনতে হবে, যেন তা দুই দেশের সামগ্রিক সম্পর্ককে বাধাগ্রস্ত না করে।
দুই দেশের মধ্যে সমাধানের অপেক্ষায় থাকা বাস্তব সমস্যার তালিকাও দীর্ঘ। সম্ভাব্য বৈঠকে বাণিজ্য ও ট্রানজিট, জ্বালানি সহযোগিতা, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং যোগাযোগব্যবস্থা গুরুত্ব পেতে পারে।
ভারত ও বাংলাদেশের দীর্ঘ স্থলসীমান্ত রয়েছে। পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে শক্তিশালী অর্থনৈতিক ও যোগাযোগ সম্পর্কও রয়েছে। ফলে রাজনৈতিক সম্পর্কের উষ্ণতা ফিরলে এসব ক্ষেত্রেও তার প্রভাব দ্রুত পড়তে পারে।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হতে পারে পানি বণ্টন। ১৯৯৬ সালে সই হওয়া গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ আগামী ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার কথা। সময়সীমা যত এগিয়ে আসছে, চুক্তিটি নবায়নের বিষয়ে আলোচনা ততই গুরুত্ব পেতে পারে।
অর্থনীতি ও বাণিজ্যের বিভিন্ন বিষয়েও ভারতের কাছ থেকে আরও সহযোগিতা চেয়েছে ঢাকা।
বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের স্থিতিশীলতায় নয়াদিল্লিরও স্বার্থ রয়েছে। এর কারণ শুধু দুই দেশের অভিন্ন সীমান্ত নয়, বাংলাদেশের কৌশলগত অবস্থান এবং ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর সঙ্গে দেশটির যোগাযোগও গুরুত্বপূর্ণ।
দুই দেশই যখন সম্পর্কের মধ্যে কিছুটা স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে, তখন তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরের গুরুত্বও বেড়েছে।
এনডিটিভি বলছে, এ সফরে দুই দেশের সব বিরোধের সমাধান হবে— এমনটা মনে করা হচ্ছে না। শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ, পানি বণ্টন, বাণিজ্য ও সীমান্তসংক্রান্ত কিছু ইস্যুতে আরও আলোচনা প্রয়োজন হতে পারে। তবে তারেক রহমান ও নরেন্দ্র মোদির সরাসরি বৈঠক এসব মতপার্থক্য সমাধানের জন্য একটি রাজনৈতিক যোগাযোগের পথ তৈরি করতে পারে।
এ সফরের মাধ্যমে তারেক রহমান সরাসরি ভারতের নেতৃত্বের কাছে ঢাকার অবস্থান তুলে ধরার সুযোগ পাবেন। অন্যদিকে নরেন্দ্র মোদির জন্যও নতুন বাংলাদেশ সরকারের কাছে নয়াদিল্লির প্রত্যাশাগুলো তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হবে।
সফরের তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে পরিকল্পনা অনুযায়ী সবকিছু এগোলে আগামী সপ্তাহে তারেক রহমানের নয়াদিল্লি সফর বাংলাদেশ ও ভারতের নতুন রাজনৈতিক সম্পর্কের প্রথম বড় পরীক্ষা হতে পারে।
এই মুহূর্তে দুই দেশের লক্ষ্য হলো আবার আলোচনা শুরু করা এবং কঠিন ইস্যুগুলো যেন পুরো সম্পর্ককে আচ্ছন্ন করে না ফেলে, তা নিশ্চিত করা— এমনটিই বলছে এনডিটিভি।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী সপ্তাহের দ্বিতীয়ার্ধে ভারত সফরে যেতে পারেন বলে খবর দিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি। খবরে বলা হয়েছে, এ সফরকে সামনে রেখে ঢাকা ও নয়া দিল্লি— দুই রাজধানীতেই প্রস্তুতি চলছে।
সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই হবে তারেক রহমানের প্রথম ভারত সফর। প্রতিবেশী দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে এ সফর গুরুত্বপূর্ণ একটি মুহূর্ত হয়ে উঠতে পারে।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়, সফরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করবেন তারেক রহমান। দুই নেতা দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর মধ্যে বাণিজ্য, যোগাযোগ, জ্বালানি, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার মতো বিষয় রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, দুই দিনের এ সফরকে দ্বিপাক্ষিক সফর হিসেবে আয়োজনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তবে সফরের সময়সূচিসহ বিভিন্ন বিষয় এখনো চূড়ান্ত করার কাজ চলছে।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই ফেব্রুয়ারিতে তারেক রহমানকে নয়াদিল্লি সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছিল ভারত। এ ছাড়া আগামী সেপ্টেম্বরে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকসের আউটরিচ অধিবেশনেও বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত।
এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, দুই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও নরেন্দ্র মোদির বৈঠকের দিকে গভীর নজর থাকবে ঢাকা ও নয়াদিল্লির। তারেক রহমানের ক্ষমতায় ফেরা বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমীকরণে পরিবর্তন এনেছে। একই সঙ্গে ঢাকার সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে ভারতকেও নতুন করে কৌশল ঠিক করতে হয়েছে।
২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক বেশ টানাপোড়েনের মধ্যে পড়ে। এরপর শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান এবং তাকে ফেরত পাঠানোর জন্য বাংলাদেশের অনুরোধসহ বিভিন্ন বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে।
এনডিটিভি বলছে, এ অবস্থায় নতুন বিএনপি সরকার ভারতের সঙ্গে কাজ করতে চায় বলে জানিয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ বাড়ার কিছু ইঙ্গিতও দেখা গেছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান গত এপ্রিলে নয়াদিল্লি সফর করে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেন। এ ছাড়া ১০ আগস্ট ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্কের পরিবেশ উন্নয়নের উপায় নিয়ে আলোচনা হয়।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশ ছাড়ার পর থেকে ভারতে অবস্থান করছেন শেখ হাসিনা। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বাংলাদেশের একটি ট্রাইব্যুনাল তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পর নয়াদিল্লির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকা। ভারত জানিয়েছে, যথাযথ আইনি ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিষয়টি পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
চলতি মাসের শুরুতে নয়াদিল্লিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি মতবিনিময় করলে বিষয়টি আবার সামনে আসে। এর প্রতিক্রিয়ায় ঢাকা ক্ষুব্ধ হয়ে জানায়, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের জন্য ভারতের মাটি ব্যবহার করা উচিত নয়। তবে ওই আয়োজনের সঙ্গে কোনো ধরনের সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করেছে নয়াদিল্লি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, সম্প্রতি তারেক রহমান ও ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠকেও শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি উঠে আসে। দুই সরকারকেই এ বিরোধ এমনভাবে আলোচনায় আনতে হবে, যেন তা দুই দেশের সামগ্রিক সম্পর্ককে বাধাগ্রস্ত না করে।
দুই দেশের মধ্যে সমাধানের অপেক্ষায় থাকা বাস্তব সমস্যার তালিকাও দীর্ঘ। সম্ভাব্য বৈঠকে বাণিজ্য ও ট্রানজিট, জ্বালানি সহযোগিতা, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং যোগাযোগব্যবস্থা গুরুত্ব পেতে পারে।
ভারত ও বাংলাদেশের দীর্ঘ স্থলসীমান্ত রয়েছে। পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে শক্তিশালী অর্থনৈতিক ও যোগাযোগ সম্পর্কও রয়েছে। ফলে রাজনৈতিক সম্পর্কের উষ্ণতা ফিরলে এসব ক্ষেত্রেও তার প্রভাব দ্রুত পড়তে পারে।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হতে পারে পানি বণ্টন। ১৯৯৬ সালে সই হওয়া গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ আগামী ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার কথা। সময়সীমা যত এগিয়ে আসছে, চুক্তিটি নবায়নের বিষয়ে আলোচনা ততই গুরুত্ব পেতে পারে।
অর্থনীতি ও বাণিজ্যের বিভিন্ন বিষয়েও ভারতের কাছ থেকে আরও সহযোগিতা চেয়েছে ঢাকা।
বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের স্থিতিশীলতায় নয়াদিল্লিরও স্বার্থ রয়েছে। এর কারণ শুধু দুই দেশের অভিন্ন সীমান্ত নয়, বাংলাদেশের কৌশলগত অবস্থান এবং ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর সঙ্গে দেশটির যোগাযোগও গুরুত্বপূর্ণ।
দুই দেশই যখন সম্পর্কের মধ্যে কিছুটা স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে, তখন তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরের গুরুত্বও বেড়েছে।
এনডিটিভি বলছে, এ সফরে দুই দেশের সব বিরোধের সমাধান হবে— এমনটা মনে করা হচ্ছে না। শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ, পানি বণ্টন, বাণিজ্য ও সীমান্তসংক্রান্ত কিছু ইস্যুতে আরও আলোচনা প্রয়োজন হতে পারে। তবে তারেক রহমান ও নরেন্দ্র মোদির সরাসরি বৈঠক এসব মতপার্থক্য সমাধানের জন্য একটি রাজনৈতিক যোগাযোগের পথ তৈরি করতে পারে।
এ সফরের মাধ্যমে তারেক রহমান সরাসরি ভারতের নেতৃত্বের কাছে ঢাকার অবস্থান তুলে ধরার সুযোগ পাবেন। অন্যদিকে নরেন্দ্র মোদির জন্যও নতুন বাংলাদেশ সরকারের কাছে নয়াদিল্লির প্রত্যাশাগুলো তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হবে।
সফরের তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে পরিকল্পনা অনুযায়ী সবকিছু এগোলে আগামী সপ্তাহে তারেক রহমানের নয়াদিল্লি সফর বাংলাদেশ ও ভারতের নতুন রাজনৈতিক সম্পর্কের প্রথম বড় পরীক্ষা হতে পারে।
এই মুহূর্তে দুই দেশের লক্ষ্য হলো আবার আলোচনা শুরু করা এবং কঠিন ইস্যুগুলো যেন পুরো সম্পর্ককে আচ্ছন্ন করে না ফেলে, তা নিশ্চিত করা— এমনটিই বলছে এনডিটিভি।

জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এক বিবৃতিতে বলেন, দেশের শিল্প-কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, নাগরিকরা বাসাবাড়িতে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটে নিয়মিত রান্নাবান্নাসহ নিত্যকর্ম পরিচালনা করতে পারছে না, শিক্ষার্থীদের অধ্যয়নে ব্যাঘাত ঘটছে। সর্বোপরি নাগরিক জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠছে। এ অবস্থায় সংকট নির
১ দিন আগে
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, দুই দেশের সরকারপ্রধানরা যখন কথা বলেন, দ্বিপক্ষীয় আলোচনা হয়, তখন অনেক সমস্যা সমাধানের সুযোগ তৈরি হয়। ভারতের উচিত হবে সেই সুযোগের সদ্ব্যবহার করা। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
১ দিন আগে
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে মন্ত্রীদের এই রদবদলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। মন্ত্রণালয় সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সূত্র জানিয়েছে, মন্ত্রীদের দায়িত্ব পরিবর্তনের বিষয়ে প্রজ্ঞাপন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জারি হতে পারে।
১ দিন আগে
বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, অন্যান্য রাজনীতিবিদ ও বিশ্লেষকদের সঙ্গে আলাপে মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনীত করার কয়েকটি কারণ উঠে এসেছে। এর মধ্যে একদিকে যেমন রয়েছে তার ক্লিন ইমেজ আর রাজনীতিবিদ হিসেবে দীর্ঘ অবদানের বিষয়টি, তেমনি রয়েছে কৌশলগত দিকও।
১ দিন আগে