
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলা একাডেমির সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন প্রাবন্ধিক, গবেষক, সাহিত্য সমালোচক ও সমাজ বিশ্লেষক আবুল কাসেম ফজলুল হক। আগামী তিন বছরের জন্য তাকে এ দায়িত্ব দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। আবুল কাসেম ফজলুল হক একাডেমিতে সেলিনা হোসেনের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন।
রোববার (২৭ অক্টোবর) সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপন থেকে এ তথ্য জানা যায়।
চার দশক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে অধ্যাপনা করেছেন ৮৪ বছর বয়সী আবুল কাসেম ফজলুল হক। সর্বস্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিতে সোচ্চার ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা রক্ষা কমিটি’র আহ্বায়ক তিনি।
২০২২ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি একাডেমির সভাপতি পদে দায়িত্ব পাওয়া কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত ১৭ অক্টোবর পদত্যাগ করেন।
তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় আবুল কাসেম ফজলুল হক বলেন, ‘আমি এখনো চিঠি হাতে পাইনি। হয়তো আমার দপ্তরে পাঠিয়ে থাকতে পারে। তবে যারা আমাকে এই পদে মনোনীত করেছেন, তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই। একই সাথে এটাও বলব, বাংলা একাডেমি আমাদের বুদ্ধিবৃত্তিক মননের জাতীয় প্রতিষ্ঠান। কিছু সংকীর্ণ লোকজন এটি পরিচালনা করার কারণে ধীরে ধীরে দলীয় প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছিল। আমাদের সবাইকে চেষ্টা করতে হবে, এটি যেন জাতীয় প্রতিষ্ঠান হয়ে থাকতে পারে এবং বাংলা একাডেমির যে কাজ, তা যেন করতে পারে।’
আবুল কাসেম ফজলুল হকের জন্ম ১৯৪০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায়। ময়মনসিংহ জিলা স্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং আনন্দমোহন কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক শেষ করে ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে।
স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষে করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েই শিক্ষকতা শুরু করেন আবুল কাসেম ফজলুল হক। পরে বাংলা বিভাগের সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। তার লেখা ২১টির মতে বই প্রকাশিত হয়েছে।

বাংলা একাডেমির সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন প্রাবন্ধিক, গবেষক, সাহিত্য সমালোচক ও সমাজ বিশ্লেষক আবুল কাসেম ফজলুল হক। আগামী তিন বছরের জন্য তাকে এ দায়িত্ব দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। আবুল কাসেম ফজলুল হক একাডেমিতে সেলিনা হোসেনের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন।
রোববার (২৭ অক্টোবর) সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপন থেকে এ তথ্য জানা যায়।
চার দশক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে অধ্যাপনা করেছেন ৮৪ বছর বয়সী আবুল কাসেম ফজলুল হক। সর্বস্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিতে সোচ্চার ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা রক্ষা কমিটি’র আহ্বায়ক তিনি।
২০২২ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি একাডেমির সভাপতি পদে দায়িত্ব পাওয়া কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত ১৭ অক্টোবর পদত্যাগ করেন।
তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় আবুল কাসেম ফজলুল হক বলেন, ‘আমি এখনো চিঠি হাতে পাইনি। হয়তো আমার দপ্তরে পাঠিয়ে থাকতে পারে। তবে যারা আমাকে এই পদে মনোনীত করেছেন, তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই। একই সাথে এটাও বলব, বাংলা একাডেমি আমাদের বুদ্ধিবৃত্তিক মননের জাতীয় প্রতিষ্ঠান। কিছু সংকীর্ণ লোকজন এটি পরিচালনা করার কারণে ধীরে ধীরে দলীয় প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছিল। আমাদের সবাইকে চেষ্টা করতে হবে, এটি যেন জাতীয় প্রতিষ্ঠান হয়ে থাকতে পারে এবং বাংলা একাডেমির যে কাজ, তা যেন করতে পারে।’
আবুল কাসেম ফজলুল হকের জন্ম ১৯৪০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায়। ময়মনসিংহ জিলা স্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং আনন্দমোহন কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক শেষ করে ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে।
স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষে করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েই শিক্ষকতা শুরু করেন আবুল কাসেম ফজলুল হক। পরে বাংলা বিভাগের সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। তার লেখা ২১টির মতে বই প্রকাশিত হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘ফেরার পর আমাকে গ্রেপ্তার করতে পারে, এমনকি মেরেও ফেলতে পারে। তারপরও আমাকে ফিরতে হবে। আমার দলের নেতাকর্মীরা ভয়াবহ দমন-পীড়নের শিকার। মৃত্যু যদি আসেই, তবে আমি চাই সেটা আমার নিজের মাটিতে আসুক— যেখানে আমার বাবা-মা শায়িত আছেন, যেখানে তাদের রক্ত ঝরেছে।’
২ দিন আগে
শাহে আলম আরও বলেন, ‘শ্রদ্ধেয় তারেক রহমান বড় হয়েছেন পড়াশোনা করেছে ঢাকা শহরে। আমার জন্ম, বেড়ে ওঠা, পড়াশোনা বগুড়া এবং শিবগঞ্জে। উনার সঙ্গে আমার রাজনৈতিকভাবে সাক্ষাতই হয়েছে ৯৩-৯৪ সালে, আমি ছাত্রদলের সেক্রেটারি হওয়ার পরে... যখন উনি বগুড়া যাওয়া আসা শুরু করেন।’
৩ দিন আগে
রাশেদ খানের ভাষ্য, মীর শাহে আলমকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে তুলে ধরে তার সমালোচনার আড়ালে মূলত প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
৩ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, “ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের পরিচয় ছিল নিরপেক্ষ, দল নিরপেক্ষ। তারাও এই ষড়যন্ত্রে শরিক ছিল। এটা তারাই স্বীকার করেছে যে, ষড়যন্ত্র করে ১১ দলকে হারানো হয়েছে।”
৪ দিন আগে