
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির রাজনৈতিক দল গঠনের উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা চলছে অনেক দিন ধরেই। এবার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ জানালেন, এই রাজনৈতিক দল গঠনের জন্য তারা জনমত সংগ্রহ করবেন। জনগণের কাছ থেকে নতুন এই দলের জন্য নাম ও প্রতীক প্রস্তাব চেয়েছেন তিনি।
বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরে রূপায়ন ট্রেড সেন্টারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এই ঘোষণা দেন দুই সংগঠনের নেতারা।
সংবাদ সম্মেলনে দুই সংগঠনের নেতারা বলেন, প্রায় এক লাখ মানুষের মতামত সংগ্রহ করে তার ওপর ভিত্তি করে তারা রাজনৈতিক দল গঠন করবেন।
লিখিত বক্তব্যে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ছাত্র-জনতার নেতৃত্বে সংঘটিত অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণ করা দেশের সর্বস্তরের নাগরিকদের, বিশেষত তরুণ জনগোষ্ঠীর নতুন আকাঙ্ক্ষা ও রাষ্ট্রকল্প ধারণ করে ফ্যাসিবাদবিরোধী জনতাকে সঙ্গে নিয়ে আমরা একটি রাজনৈতিক দল গঠনের উদ্যোগ নিয়েছি।
তিনি আরও বলেন, রিকশাচালক, দোকানদার, দিনমজুর, গৃহকর্মী, শিক্ষক, ঝাড়ুদারসহ সর্বস্তরের এক লাখেরও বেশি মানুষের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নতুন রাজনৈতিক দলের বিষয়ে মতামত চাওয়া আমাদের কর্মসূচির লক্ষ্য।
জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী জানান, অফলাইন ও অনলাইনে এক লাখ মানুষের কাছে যাবেন তারা। তিনি বলেন, মতামতের ভিত্তিতেই ছাত্রদের নতুন দলের নাম আপনারা নির্ধারণ করবেন। দলেও মার্কাটা কী হবে, সেটার মতামত আপনারা দেবেন।
ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ও অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর থেকেই ছাত্রদের একটি রাজনৈতিক দল গঠনের আলোচনা চলছে। গত কিছুদিনে সেই আলোচনার পালে হাওয়া লেগেছে।
বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে প্রকাশ, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে থাকা নাহিদ ইসলাম হতে পারেন ছাত্রদের এই রাজনৈতিক দলের প্রধান বা আহ্বায়ক। দলের সদস্য সচিব পদে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ, মুখ্য সংগঠক সারজিস ইসলাম, জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব আখতার হোসেনসহ বেশ কয়েকজনের নাম রয়েছে আলোচনায়।
উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম জানিয়েছেন, এখনো দল গঠনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়নি। দলের দায়িত্ব নিতে হলে তিনি উপদেষ্টা পরিষদ থেকে সরে দাঁড়াবেন।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির রাজনৈতিক দল গঠনের উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা চলছে অনেক দিন ধরেই। এবার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ জানালেন, এই রাজনৈতিক দল গঠনের জন্য তারা জনমত সংগ্রহ করবেন। জনগণের কাছ থেকে নতুন এই দলের জন্য নাম ও প্রতীক প্রস্তাব চেয়েছেন তিনি।
বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরে রূপায়ন ট্রেড সেন্টারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এই ঘোষণা দেন দুই সংগঠনের নেতারা।
সংবাদ সম্মেলনে দুই সংগঠনের নেতারা বলেন, প্রায় এক লাখ মানুষের মতামত সংগ্রহ করে তার ওপর ভিত্তি করে তারা রাজনৈতিক দল গঠন করবেন।
লিখিত বক্তব্যে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ছাত্র-জনতার নেতৃত্বে সংঘটিত অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণ করা দেশের সর্বস্তরের নাগরিকদের, বিশেষত তরুণ জনগোষ্ঠীর নতুন আকাঙ্ক্ষা ও রাষ্ট্রকল্প ধারণ করে ফ্যাসিবাদবিরোধী জনতাকে সঙ্গে নিয়ে আমরা একটি রাজনৈতিক দল গঠনের উদ্যোগ নিয়েছি।
তিনি আরও বলেন, রিকশাচালক, দোকানদার, দিনমজুর, গৃহকর্মী, শিক্ষক, ঝাড়ুদারসহ সর্বস্তরের এক লাখেরও বেশি মানুষের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নতুন রাজনৈতিক দলের বিষয়ে মতামত চাওয়া আমাদের কর্মসূচির লক্ষ্য।
জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী জানান, অফলাইন ও অনলাইনে এক লাখ মানুষের কাছে যাবেন তারা। তিনি বলেন, মতামতের ভিত্তিতেই ছাত্রদের নতুন দলের নাম আপনারা নির্ধারণ করবেন। দলেও মার্কাটা কী হবে, সেটার মতামত আপনারা দেবেন।
ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ও অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর থেকেই ছাত্রদের একটি রাজনৈতিক দল গঠনের আলোচনা চলছে। গত কিছুদিনে সেই আলোচনার পালে হাওয়া লেগেছে।
বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে প্রকাশ, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে থাকা নাহিদ ইসলাম হতে পারেন ছাত্রদের এই রাজনৈতিক দলের প্রধান বা আহ্বায়ক। দলের সদস্য সচিব পদে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ, মুখ্য সংগঠক সারজিস ইসলাম, জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব আখতার হোসেনসহ বেশ কয়েকজনের নাম রয়েছে আলোচনায়।
উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম জানিয়েছেন, এখনো দল গঠনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়নি। দলের দায়িত্ব নিতে হলে তিনি উপদেষ্টা পরিষদ থেকে সরে দাঁড়াবেন।

রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৩ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৩ দিন আগে
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজকের সমাবেশের পাশাপাশি আগামী ৪ জুলাই দেশব্যাপী সকল জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে ১১ দলীয় জোট।
৩ দিন আগে
বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে শিষ্টাচারবহির্ভূত মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, "রাজনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘনকারীদের আমরা স্পষ্ট ভাষায় হুঁশিয়ার করে দিতে চাই—যুবদল রাজপথের সংগঠন। রাজপথে থেকেই আমরা অতীতে সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেছি, এবারও এসব অপপ্রচারের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে।"
৩ দিন আগে